উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রে অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতি বিদ্যমান। যেখানে জনগণ রাজনৈতিক ব্যবস্থা, সরকার, দাবিদাওয়া, সরকারি সিদ্ধান্ত ও নিয়মনীতি এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থার সদস্য হিসেবে নিজের অধিকার ও দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন সেই রাজনৈতিক সংস্কৃতি হলো অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতি। উন্নত সমাজগুলোতে এ ধরনের রাজনৈতিক সংস্কৃতি লক্ষণীয়। এরূপ সমাজে জনগণ রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সক্রিয় সদস্য হিসেবে বিভিন্ন রাজনৈতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে থাকে। উদ্দীপকে লক্ষ করলে দেখা যায়, রাষ্ট্রের জনগণ মনে করে যে, রাজনীতি নাগরিকের জীবনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য তারা রাজনৈতিক কর্মকান্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। রাজনীতিতে তাদের অংশগ্রহণ গণতন্ত্রকে সুসংহত করছে। রাজনীতি সম্পর্কে 'ক' রাষ্ট্রের জনগণকে ইতিবাচক ধারণাই তাদের সক্রিয় হতে উদ্বুদ্ধ করেছে। উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রের এই সকল বৈশিষ্ট্য অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতিরই বহিঃপ্রকাশ।