উদ্দীপকে দেবাশীষ, তাওসিফ ও জনির কর্মকাণ্ডে দেশপ্রেম ধারণাটি ফুটে উঠেছে। দেশের প্রতি ভালোবাসা ও মমত্ববোধকে দেশপ্রেম বলে। দেশপ্রেম মানুষের স্বভাবগত প্রবৃত্তি। এ বিশাল পৃথিবীর যে ভূখণ্ডে মানুষ জন্ম নেয়, সে দেশের আলো, বাতাস, মাটি ও পানিতে সে বড় হয়, সে মাটির প্রতি,সেই দেশের প্রতি ভালোবাসা মানুষের জন্মগত একটি বিষয়। নিজ দেশের প্রতি মানুষের ভালোবাসা, দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ থেকে দেশপ্রেমের উদ্ভব। আমাদের মাতৃভূমি আমাদেরকে মায়ের মতোই আদর-সোহাগ-মমতা দিয়ে, ভালোবাসা জড়িয়ে,অন্য-বস্ত্র-বাসস্থান দিয়ে লালন-পালন করে। তাই তারা বিভিন্ন ধর্মে বিশ্বাসী হয়েও সবাই একত্রে স্বাধীনতা যুদ্ধে জীবন বাজিয়ে রেখে যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করে। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়েও তারা নিজেদের দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত করে। কারো মধ্যে দেশপ্রেম থাকলে এরূপ কাজ করা সম্ভব। কেননা,দেশপ্রেমী শেখায় নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করে দেশের স্বার্থ রক্ষায় প্রাণপণ লড়াই করতে। দেশ গড়ার প্রশ্ন নিজেকে বলিয়ে দিতে। তাই দেশকে ভালোবাসা, দেশের উন্নয়নে অবদান রাখা, দেশমাতৃকার জনসাধারণের জন্য কাজ করা প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব। উদ্দীপকেও আমরা দেখতে পাই, 'গ' রাষ্ট্রের নাগরিক দেবাশীষ,তাওসিফ ও জনি ভিন্ন ধর্মবলম্বী। তারা একই ভাষায় কথা বলে এবং অভিন্ন সংস্কৃতি চর্চা করে। তারা স্বাধীনতা যুদ্ধে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেছে। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়েও তারা নিজেদের দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত করে। যা দেশপ্রেমকেই নির্দেশ করে। তাই বলা যায়, দেবাশীষ, তাওসিফ ও জনির কর্মকাণ্ডে দেশপ্রেম ধারণাটি ফুটে উঠেছে।