উদ্দীপকে 'ক' রাষ্ট্র জাতীয়তা নির্ধারণের ভৌগলিক নীতি গ্রহণ করেছে।
জাতীয়তা নির্ধারণে প্রধানত দুই ধরনের নীতি গ্রহণ করতে দেখা যায়।এগুলো হলো - সাংস্কৃতিক ও ভৌগলিক। জাতীয় ঐক্য সৃষ্টিতে ভাষা,সাহিত্য,সংস্কৃতি,নৃগোষ্ঠী প্রভৃতির প্রভাব বেশ গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয়তা নির্ধারণের ওপর নীতিটি হলো ভৌগোলিক বা রাষ্ট্রীক। একই ভাষা ও সংস্কৃতির মানুষও ভিন্ন জাতীয়তায় অদ্বুদ্ধ বা পরিচিত হতে পারে।
যেমন -সব ইংরেজ ভাষাভাষী বা আরবি ভাষাভাষীর মানুষ একই জাতীয়তায় অদ্বুদ্ধ হয়েছে। তেমনি ভাবে পৃথিবীর সকল বাঙালি নৃতাত্ত্বিক ভাবে বাঙালি হলেও তাদের ভৌগোলিক বা রাষ্ট্রিক জাতীয়তা ভিন্ন ভিন্ন।
উদ্দীপকেও তেমনি 'ক' দেশের প্রেক্ষিতে লক্ষণীয় যে, সেখানে বহু ভাষা ও নৃগোষ্ঠীর লোক বাস করে। তাদের মধ্যে ভাষাগত ও নৃগোষ্ঠীগত পার্থক্য থাকলেও তারা রাষ্ট্রের পরিচয় পরিচিত হতে গর্ববোধ করে। স্পষ্টত এক্ষেত্রে ব্যক্তিগত স্বতন্ত্রের উর্ধ্বে ভৌগোলিক সহাবস্থানে প্রাধান্য দেওয়ায় জাতীয়তা নির্ধারণের ভৌগোলিক নীতি গৃহীত হয়েছে।
সুতরাং উদ্দীপকে 'ক' রাষ্ট্রে গৃহীত জাতীয়তা নির্ধারণ নীতিটি হলো ভৌগলিক।