উদ্দীপকে 'ক' ও 'খ' অঞ্চলের জনগণ একই উপাদান দ্বারা প্রভাবিত হয়ে নয় বরং জাতীয়তার ভিন্ন ভিন্ন উপাদান দ্বারা প্রভাবিত হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করতে চায় বলে আমি মনে করি।উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চলের জনগণ একই ভাষায় কথা বলে এবং একই সংস্কৃতি ধারণ করে। তারা তাদের এই ভাষা ও সংস্কৃতিগত ঐক্য ব্যবহার করে স্বাধীন হতে চায়, যা জাতীয়তার 'ভাষা ও সংস্কৃতির ঐক্য'র বিষয়কে ইঙ্গিত করে। অন্যদিকে, 'খ' অঞ্চলের জনগণ একই রক্তের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বসবাস করে। তারা এই সম্পর্কের ভিত্তিতে স্বাধীন হতে চায়, যা জাতীয়তার বংশগত ঐক্যর বিষয়টি নির্দেশ করে।জাতীয়তার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ভাষা ও সাংস্কৃতিক ঐক্য। ভাষা ও সংস্কৃতির মাধ্যমে ভাবের বিনিময় হয়। এই ভাবের বিনিময় জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় সহায়ক। আবার বংশগত ঐক্যও জাতীয়তা গঠনে যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করে। বংশগত ঐক্য তথা রক্তের সম্পর্ক মানুষের মধ্যে সুদৃঢ় ঐক্য গড়ে তোলে, যা জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বস্তুত জাতীয়তার অন্যান্য উপাদানের সাথে ভাষা ও সাংস্কৃতিক ঐক্য ও বংশগত ঐক্য একই সূত্রে কাজ করে।তাই আমরা বলতে পারি, 'ক' এবং 'খ' অঞ্চলের জনগণ জাতীয়তার একই উপাদান নয় বরং ভিন্ন দুটি অর্থাৎ "ভাষা ও সাংস্কৃতিক ঐক্য ও বংশগত ঐক্যর” নামক উপাদান দ্বারা প্রভাবিত হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়।