জাতি গঠনে 'ক' এর কর্মকাণ্ডের তথা দেশপ্রেমের গুরুত্ব অত্যধিক।জাতি বলতে বোঝায় এমন একটি জনগোষ্ঠী যারা ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস, রীতিনীতি ও ভূখণ্ডগত সংযোগের মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ। এই ঐক্যবোধ জাতির ভিত্তি গড়ে তোলে, আর জাতিকে সুসংহত ও সচেতন করে তোলে একটি আদর্শ রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে। জাতি গঠনের প্রক্রিয়ায় দেশপ্রেম একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হিসেবে কাজ করে।উদ্দীপকের 'ক' এর কর্মকাণ্ডে দেশপ্রেম প্রকাশ পেয়েছে যা জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। কারণ, দেশপ্রেম মানুষকে ত্যাগ স্বীকারে উদ্বুদ্ধ করে, যার ফলে তারা জাতীয় স্বার্থে ব্যক্তি বা দলীয় স্বার্থ ভুলে যেতে প্রস্তুত থাকে। দেশের স্বাধীনতা, উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য জাতির সদস্যদের মধ্যে মনোভাবগত ঐক্য অপরিহার্য, যা দেশপ্রেম থেকেই জন্ম নেয়। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যেখানে জাতির সদস্যরা দেশকে ভালোবেসে ঐক্যবদ্ধ হন, সেখানেই সফলতা আসে। ভাষা, ধর্ম বা ঐতিহ্য-যেটিই হোক না কেন, তা কেবল বাহ্যিক উপাদান; কিন্তু জাতি গঠনে মূল চালিকাশক্তি হলো অভ্যন্তরীণ দেশপ্রেম। এই প্রেমই মানুষকে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে শেখায় এবং দেশের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত করে তোলে।সুতরাং বলা যায়, দেশপ্রেম ছাড়া জাতি গঠন কখনোই সম্ভব নয়; এটি একটি জাতিকে ঐক্য, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।