উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চলের জনগণ বিভিন্ন ধর্মে বিশ্বাসী হলেও দেশপ্রেমের বিষয়টি তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে উদ্বুদ্ধ করে।দেশের প্রতি ভালোবাসা ও মমত্ববোধকে দেশপ্রেম বলে। দেশপ্রেম মানুষের স্বভাবগত প্রবৃত্তি। এ বিশাল পৃথিবীর যে ভূখণ্ডে মানুষ জন্ম নেয়, যে দেশের আলো, বাতাস, মাটি ও পানিতে সে বড় হয়, সেই মাটির প্রতি, সেই দেশের প্রতি ভালোবাসা মানুষের জন্মগত একটি বিষয়। নিজ দেশের প্রতি মানুষের ভালোবাসা, দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ থেকে দেশপ্রেমের উদ্ভব। আমাদের মাতৃভূমি আমাদেরকে মায়ের মতোই আদর-সোহাগ-মমতা দিয়ে, ভালোবাসায় জড়িয়ে, অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান দিয়ে লালন-পালন করে। তাই তারা বিভিন্ন ধর্মে বিশ্বাসী হয়েও সবাই একত্রে স্বাধীনতা যুদ্ধে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করে। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়েও তারা নিজেদেরকে দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত করে।উদ্দীপকেও আমরা দেখতে পাই, 'ক' অঞ্চলের জনগণ বিভিন্ন ধর্মে বিশ্বাসী। তারা একই ভাষায় মনের ভাব প্রকাশ করে এবং অভিন্ন সাহিত্য ও সংস্কৃতি লালন করে। অঞ্চলটির স্বাধীনতা যুদ্ধে সকল ধর্ম-বর্ণের জনগণ অংশগ্রহণ করে এবং পরাধীনতা হতে মুক্তি লাভ করে। স্বাধীনতা লাভের পরেও সকল শ্রেণির জনগণ দেশ গড়ার কাজে-আত্মনিয়োগ করে, যা দেশপ্রেমকেই নির্দেশ করে। তাই বলা যায়, 'ক' অঞ্চলের জনগণ বিভিন্ন ধর্মে বিশ্বাসী হলেও দেশপ্রেম বিষয়টি তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে উদ্বুদ্ধ করে।