উদ্দীপকে বর্ণিত মি. ডনের দেশের জনগণের 'সামাজিক অধিকার' ভোগ করার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। কেননা, স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ, সম্পত্তি ভোগ ও চুক্তি করার অধিকার সামাজিক অধিকারভুক্ত।
অধিকার বলতে মানুষের আত্মবিকাশ ও আত্মোন্নয়নের জন্য কতকগুলো মৌলিক সুযোগ-সুবিধা যা সকলের জন্য আবশ্যক। সকল অধিকারের নৈতিক অথবা আইনগত ভিত্তি রয়েছে। সামাজিক জীব হিসেবে মানুষ সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃক্ত কতকগুলো অধিকার ভোগ করে। রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে প্রত্যেক নাগরিকের সম্পত্তি ভোগের অধিকার আছে। সমাজস্থ মানুষ ন্যায়সংগতভাবে একে অপরের সাথে চুক্তি সম্পাদন করে। সম্পত্তি ও লেনদেনের চুক্তি করা নাগরিকের সামাজিক অধিকার। চুক্তির শর্ত সংরক্ষণ করার ব্যাপারে রাষ্ট্রের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বকে হুমকি সৃষ্টি না করে ব্যক্তি যেকোনো মাধ্যমে মতামত বা বক্তব্য প্রকাশ ও প্রচার করতে পারাকে মতামত প্রকাশের অধিকার বলা হয়। মত প্রকাশের মাধ্যমে নাগরিকবৃন্দ। রাষ্ট্রের কাজে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পায়। এছাড়া জীবনধারণের অধিকার, চলাফেরার অধিকার, সংবাদপত্রের স্বাধীনতার অধিকার, সভাসমিতির অধিকার, ধর্মচর্চা ও পালনের অধিকার নাগরিকের সামাজিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত।
উদ্দীপকে মি. ডন একটি রাষ্ট্রের নাগরিক। তার দেশের জনগণ স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ, সম্পত্তি ভোগ ও চুক্তি করার অধিকার লাভ করেন। রাষ্ট্র জনগণের অন্যান্য অধিকারেরও নিশ্চয়তা প্রদান, করে। এ থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, মি. ডন-এর দেশের জনগণ সামাজিক অধিকার ভোগ করছেন।