উদ্দীপকে উল্লেখিত শিবলীর মালিকের দেশে নারীরা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত।
অধিকার হলো এমন কতকগুলো মৌলিক সুযোগ-সুবিধা যা সবার জন্য আবশ্যক। অধিকার বলতে মানুষের আত্মবিশ্বাসের জন্য কতিপয় সুযোগ-সুবিধা বা দাবিকে বুঝায়, সে দাবী সমূহের হয়তো নৈতিক না হয় আইনগত ভিত্তি রয়েছে। এ অধিকারের আবার কয়েকটি ভাগ রয়েছে। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার তার মধ্যে অন্যতম দুটি অধিকার। রাজনৈতিক অধিকার হলো যেসব অধিকার যেগুলোর মাধ্যমে নাগরিকরা রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণ করে।ভোট প্রদানের অধিকার, নির্বাচিত হওয়ার অধিকার, সরকারি চাকরি লাভের অধিকার, সরকারি কাজের সমালোচনা করার অধিকার প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।অন্যদিকে, অর্থনৈতিক অধিকার হলো যেসব অধিকার যেগুলোর অভাব-অনটন ও অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি দিয়ে মানুষের জীবনকে সুখ-স্বাচ্ছন্দপূর্ণ ও নিরাপদ করে তোলে। কর্মের অধিকার, উপযুক্ত পারিশ্রমিকের অধিকার, অবকাশ লাভ এর অধিকার, সামাজিক নিরাপত্তা লাভের অধিকার প্রভৃতি অর্থনৈতিক অধিকার কে নির্দেশ করে। উদ্দীপকের শিবলীর মালিকের মতে, তার দেশের নারীদের ভোটাধিকার সীমিত ও কর্মক্ষেত্রে নারীদের সুযোগের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তার এর বক্তব্যে তার দেশের নারীদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। কারণ নারীদের ভোট দেওয়ার অধিকার হলো রাজনৈতিক অধিকার এবং কর্মক্ষেত্রে নিজের পছন্দ অনুযায়ী যে কোন কাজ বা চাকরি নেওয়ার তাদের অর্থনৈতিক অধিকার। এ থেকে বোঝা যায়,তার দেশের নারীরা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত।