সুশাসন নিশ্চিতকরণে উক্ত বিষয় তথা মানবাধিকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সুশাসন প্রতিষ্ঠার পূর্বশর্ত হচ্ছে মানবাধিকার বাস্তবায়ন। সুশাসন নিশ্চিতকরণে মানবাধিকারের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। যেসব রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠাকে লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছে, কেবল ঐসব রাষ্ট্রই মানবাধিকার বাস্তবায়নে তৎপর হয়ে উঠেছে। মানুষের সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার সংরক্ষণের মাধ্যমে মানবাধিকার রক্ষা হলেই ধরে নিতে হয় সেখানে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অর্থাৎ মানবাধিকার সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুনিশ্চিত করে। সুশাসন ও মানবাধিকার পরস্পর পরিপূরক। অর্থাৎ মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত হলে সুশাসনের বৈশিষ্ট্য, যেমন- অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ইত্যাদি পরিলক্ষিত হয়, তেমনি সুশাসনের ফলে মানুষের ভ্রাতৃত্বসুলভ আচরণ, সুবিধার, চলাফেরার স্বাধীনতা ইত্যাদি মানবাধিকার সংরক্ষিত হয়। মানবাধিকারের দুটি উল্লেখযোগ্য ধারা হলো- আইনের চোখে সবাই সমান ও বিনা বিচারে কাউকে শাস্তি দেওয়া যাবে না। এ ধারা দুটো সুশাসনের অন্যতম উপাদান আইনের শাসন ও আইনের দৃষ্টিতে সমতারই মূলকথা। মানবাধিকার এভাবেই সুশাসন নিশ্চিতকরণে সহায়তা করে। মোটকথা, মানবাধিকার সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ রচিত করে সুশাসন নিশ্চিতকরণে সহায়তা করে।
তাই বলা যায়, সুশাসন নিশ্চিতকরণে মানবাধিকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।