জুইয়ের প্রতি মালিকপক্ষের আচরণ সমাজ ও রাষ্ট্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুবিচার পাওয়ার অধিকার প্রত্যেক নাগিরকের রয়েছে। যদি এর ব্যত্যয় ঘটে তবে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। উদ্দীপকের জুইয়ের প্রতি মালিকপক্ষের আচরণ বৈষম্যমূলক এবং এতে জুইয়ের অর্থনৈতিক অধিকার খর্ব হয়েছে। যেহেতু অধিকারের স্বীকৃতি ও সংরক্ষণ নাগরিকের আত্মবিকাশে সাহায্য করে থাকে, তাই উপরিউক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে জুইয়ের ক্ষেত্রে আত্মবিকাশ বাধাগ্রস্ত হবে। ফলে জুই তার সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনের পূর্ণ সুবিধা প্রাপ্তি ও কর্তব্য পালনে ব্যর্থ হবে। আবার অধিকার ভোগ ও কর্তব্য পালনের মাধ্যমে ব্যক্তিত্ব, নৈতিক গুণাবলির বিকাশ ও নাগরিক জীবনের সার্থকতা নির্ভর করে। জুইয়ের ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থা তাই এসব সার্থকতা ও বিকাশের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে যার প্রভাব ব্যক্তি পর্যায়ে সীমাবদ্ধ না থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে প্রভাব ফেলবে। একইভাবে, মালিকপক্ষের বৈষম্যমূলক আচরণে জুই তথা নারীরা কর্মে অনাগ্রহী হয়ে পড়বে, যা সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ব্যাপক ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করবে। ফলে সমাজ ও রাষ্ট্র অস্থিতিশীল হয়ে পিছিয়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। আবার যেহেতু জুইয়ের এ অধিকারের আইনগত ভিত্তি রয়েছে, তাই এ আচরণ হচ্ছে আইনের পরিপন্থি। আর তাই এ আচরণ সমাজে ও রাষ্ট্রের আইনের শাসনে ব্যাঘাত ঘটবে। এসবের প্রভাবে সমাজ ও রাষ্ট্রে সাম্য বিধানে অসামঞ্জস্যতা সহ ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার হতে থাকবে।তাই বলা যায়, জুইয়ের প্রতি মালিক পক্ষের আচরণ সমাজ ও রাষ্ট্রে অবশ্যই নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।