উদ্দীপকে আইনগত কর্তব্য তথা সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কর্তব্য পালনের কথা বলা হয়েছে।
আইনের দ্বারা স্বীকৃত অধিকার ভোগ করতে গিয়ে নাগরিককে যে সকল দায়িত্ব পালন করতে হয় তাকে নাগরিক কর্তব্য বলে। যেসব কর্তব্য রাষ্ট্র কর্তৃক আরোপিত এবং রাষ্ট্রীয় আইন দ্বারা কার্যকরী করা হয় তাকে আইনগত কর্তব্য বলে। আইনগত কর্তব্য নাগরিকের সেসব দায়িত্বকে বোঝায়, যা রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য এবং নাগরিকের জন্য 'অত্যাবশ্যক। এসব কর্তব্য ভঙ্গ করলে রাষ্ট্র প্রদত্ত শাস্তি ভোগ করতে হয়। আইনগত কর্তব্যকে আবার তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-ক. সামাজিক কর্তব্য, খ. রাজনৈতিক কর্তব্য, গ. অর্থনৈতিক কর্তব্য। রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করা, নিয়মিত কর দেওয়া, সততার সাথে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা, রাষ্ট্রের আইন মেনে চলা ইত্যাদি নাগরিকের আইনগত কর্তব্য। এসব কর্তব্য পালন করার পাশাপাশি রাষ্ট্রবিরোধী ও অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকাও নাগরিকের আইনগত কর্তব্য। কেননা, এসব আইনবিরোধী কাজ থেকে বিরত না থাকলে ব্যক্তি আইনের আওতায় শাস্তি পায়। উদ্দীপকের রাষ্ট্রের অস্তিত্ব রক্ষার্থে নাগরিকদের আবশ্যিক যে কাজ করতে হয় এবং যে কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হয় তার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। যা পালন না করলে দণ্ডনীয় অপরাধ হয়। অর্থাৎ এখানে সুস্পষ্টতই আইনগত কর্তব্যের কথা বলা হয়েছে।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকে আইনগত কর্তব্য তথা সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কর্তব্য পালনের কথা বলা হয়েছে।