একজন নাগরিক হিসেবে অধ্যাপক কাওসার আহমেদের রাষ্ট্রের প্রতি বেশ কিছু কর্তব্য আছে।কর্তব্য হচ্ছে নাগরিকের করণীয় কাজ। অধিকার ভোগের বিনিময়ে নাগরিককে কিছু কর্তব্য পালন করতে হয়। প্রথমত, কাওসার আহমেদকে অবশ্যই দেশের আইন ও সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। রাষ্ট্রের সকল বিধিনিষেধ মেনে চলা এবং আইন লঙ্ঘন করা থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে। দ্বিতীয়ত, একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে তাকে নিয়মিত কর পরিশোধ করতে হবে। কর হলো রাষ্ট্রের উন্নয়নের মূলভিত্তি এবং এর মাধ্যমে সরকার জনগণের কল্যাণে বিভিন্ন কাজ করতে পারে। তৃতীয়ত, তাকে ভোট দেওয়ার অধিকার প্রয়োগ করতে হবে এবং সৎ, ও যোগ্যপ্রার্থী নির্বাচনে সহায়তা করতে হবে। নির্বাচনের মাধ্যমে সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচন করা গণতান্ত্রিক সমাজের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। চতুর্থত, অধ্যাপক কাওসার আহমেদকে সমাজের সকল স্তরের মানুষের প্রতি সহনশীল হতে হবে এবং অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। এছাড়া সন্তানদের শিক্ষিত ও সংস্কৃতবান করে তোলা, স্থানীয় ও জাতীয় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করা, রাষ্ট্রের ডাকে সাড়া দিয়ে জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য দেশরক্ষার কাজে অংশ নেওয়া, দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতিসহ বিভিন্ন খাতে অবদান রাখা, দেশের পরিবেশ রক্ষা করা, প্রভৃতি অধ্যাপক কাউসার আহমেদের কর্তব্য হওয়া উচিত। একজন নাগরিক হিসেবে এই দায়িত্বগুলো পালন করার মাধ্যমেই অধ্যাপক কাওসার একটি উন্নত ও সুশাসনভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে ভূমিকা রাখতে পারেন।