উদ্দীপকে মানবাধিকার নামক বিষয়টির অবতারণা করা হয়েছে।মানবাধিকার মানুষের জন্মগত ও প্রকৃতিগত অধিকার। মানুষ হিসেবে জন্মগ্রহণ করে ব্যক্তি সমাজজীবনে, রাষ্ট্রীয় জীবনে এমনকি বিশ্বপরিমণ্ডলে যেসব সুযোগ-সুবিধার দাবিদার হয় এবং যা ব্যতীত ব্যক্তির সুসভ্য জীবনযাপন এবং ব্যক্তিত্বের পূর্ণ বিকাশ সম্ভব নয়, সেসব সুযোগ-সুবিদাই মানবাধিকার। মূলত মানবাধিকার অধিকারেরই একটি বিস্তৃত রূপ, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। ১৯৪৮ সালের ১০ই ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সর্বজনীন মানবাধিকারের ঘোষণাপত্র ঘোষিত ও গৃহীত হয়। এ ঘোষণার মাধ্যমে মানুষের সহজাত মানবিক অধিকারগুলো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেছে। জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকারগুলো জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্র একক ও যৌথ প্রচেষ্টায় বাস্তবায়িত করার জন্য অঙ্গীকারাবদ্ধ।উদ্দীপকে উল্লিখিত শাফিনাজ রহমানের বক্তব্যে অধিকারের তিনটি দিক ফুটে উঠেছে। অধিকারের রক্ষক জাতিসংঘ, অধিকারটি মানুষের জন্মগত অধিকার এবং উক্ত অধিকার ছাড়া মানুষের ব্যক্তিত্ব বিকশিত হয় না। এ তিনটি বিষয়ের মধ্যে অধিকারের রক্ষক 'জাতিসংঘ'। এ দ্বারাই স্পষ্ট বোঝা যায়, এটি মানবাধিকার কারণ মৌলিক অধিকারের রক্ষক জাতিসংঘ। এছাড়া জাতিসংঘ প্রদত্ত ঘোষণাপত্র উদ্দীপকে বর্ণিত দুটি বৈশিষ্ট্য যথা 'জন্মগত অধিকার', 'ব্যক্তিত্ব বিকাশ' বিষয়টি উঠে এসেছে।তাই আলোচনার শেষে বলা যায়, উদ্দীপকে মানবাধিকার বিষয়ের অবতারণা করা হয়েছে।