সুশাসন প্রতিষ্ঠায় উক্ত বিষয়টির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত কার্যক্রম সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি ও সুরক্ষা, আইনের শাসন, সকলের জন্য সমানাধিকার, স্বাধীন বিচারব্যবস্থা, দক্ষ প্রশাসন ব্যবস্থা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রভৃতির সমন্বয়ে সুশাসন গড়ে ওঠে। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ই-গভর্নেন্স সহায়ক ভূমিকা পালন করে।উদ্দীপকের জনাব আফসানুল ইসলামের কার্যক্রমে ই-গভর্নেন্স এর ইঙ্গিত রয়েছে, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় জরুরি। সুশাসনের লক্ষ্য বা বৈশিষ্ট্য এবং ই- গভর্নেন্সের লক্ষ্য ও বৈশিষ্ট্যের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান। ই-গভর্নেন্স ইলেকট্রনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সরকারি সেবা এবং জনগণের দাবি ও মতামত গ্রহণ করার ব্যবস্থা। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে সরকারের সব কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয় এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে মানুষের দক্ষতা বাড়ানো যায়, যা ব্যাপকভাবে দারিদ্র্য নিরসনে ভূমিকা রাখে। ই-গভর্নেন্স সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে জনগণকে উন্নততর এবং অধিকতর ভালো তথ্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা দিচ্ছে। এটি নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করছে। নাগরিকগণ বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ইত্যাদির বিল মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রদানের সুবিধা পাচ্ছে। সহজে বৈদেশিক মুদ্রার আদান-প্রদানের জন্য মোবাইল রেমিটেন্স (Remitance) চালু হয়েছে। বর্তমান সরকার ই-গভর্নেন্স এর মাধ্যমে গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত দক্ষ সেবার মান নিশ্চিত করছে। ই-গভর্নেন্স সরকার ও প্রশাসনের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা বৃদ্ধি করছে। এ ব্যবস্থার ফলে সরকারের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড জনসম্মুখে প্রকাশিত হয়। ই-গভর্নেন্সের মাধ্যমে প্রশাসনের কাজের ওপর সহজে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা যায়। ফলে স্বচ্ছ উন্মুক্ত প্রশাসনে আমলাদের পক্ষে গোপনে স্বার্থসিদ্ধি করা সম্ভব হয় না। তাছাড়া ই-গভর্নেন্স সরকারি অর্থের অপচয় ও অপব্যয় হ্রাস করে। আর এ সকল বিষয় সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্র প্রস্তুত করে। সার্বিক আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ই- গভর্নেন্স অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
HSC Civics 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Civics 1st Paper · সৃজনশীল
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় উক্ত বিষয়টির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
উদ্দীপক
Jessore · 2017
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর