শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়ের সুফল পেতে হলে কী কী প্রতিবন্ধকতা দূর করতে হবে- তা পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নের জন্য রোহানের দেশে সরকার বহুবিধ পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।উদ্দীপকে আলোচিত রাষ্ট্রে ই-গভর্নেন্স চালু হওয়ায় নাগরিক সেবাসহ যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনায় গতি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং জটিলতা হ্রাস পেয়েছে। তবে এক্ষেত্রে সরকারকে বহু সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এ সকল সমস্যা উত্তরণের মাধ্যমে ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নের জন্য সরকারের পাশপাশি বেসরকারি পর্যায়েও বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নে রোহানের দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ঘটাতে হবে। বড় শহরগুলো থেকে শুরু করে গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত ই-গভর্নেন্স সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য তথ্য সেবা কেন্দ্রগুলো উন্নত ও আধুনিক করতে হবে। প্রযুক্তি ও কারিগর দক্ষতাসম্পন্ন জনসংখ্যার বৃদ্ধি করতে হবে। ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নে প্রয়োজন কম্পিউটার ইন্টারনেট সংযোগ ও এর যথাযথ ব্যবহার। গ্রাম ও শহর উভয় অঞ্চলেই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে জনগণকে ই-গভর্নেন্সের সেবা প্রাপ্তির নিশ্চয়তা দিতে হবে। এটি বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহকে উৎসাহ প্রদান করতে হবে। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ ও সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তৎপর হতে হবে। সরকারি তথ্য ও সেবাপ্রাপ্তির সুবিধা সকলের জন্য উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে ব্যাপক প্রচারণা চালাতে হবে। বিভিন্ন সেমিনার, বক্তৃতা ইত্যাদি বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করে জনগণের নিকট ই-গভর্নেন্স সম্পর্ক তথ্য পৌঁছে দিতে হবে। শুধু ই-গভর্নেন্স ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমেই ই-গর্ভনেন্স ব্যবস্থার বাস্তবায়ন ঘটে না। এটির বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে ই-গভর্নেন্স মনিটরিং ব্যবস্থার দিকে যত্নবান হতে হবে। ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নে এটির কার্যক্রমে ইংরেজি ভাষা ব্যবহারের পরিবর্তে নিজ দেশের ভাষায় প্রযুক্তি ব্যবহারের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সর্বোপরি এ ব্যবস্থাকে সফল করতে হলে ব্যাপক জনসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।পরিশেষে বলা যায় যে, দেশে ই-গভর্নেন্স ব্যবস্থা বাস্তবায়নের জন্য রোহানের সরকারকে জনগণের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির জ্ঞান ও শিক্ষার প্রসারের পাশাপাশি উপর্যুক্ত পদক্ষেপগুলোও গ্রহণ করতে হবে।

HSC Civics 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 1st Paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়ের সুফল পেতে হলে কী কী প্রতিবন্ধকতা দূর করতে হব…

উদ্দীপক

'XX^{\prime} রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমসমূহ অনলাইনের মাধ্যমে সম্পাদিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে ভর্তি ফরম পূরণ, চাকরির আবেদন, টেন্ডার, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানির বিল, কর পরিশোধসহ সকল প্রকার লেনদেন হয়ে আসছে। জাতীয় পর্যায়ের পাশাপাশি জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, অফিস-আদালতসহ প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া সম্প্রসারিত হয়েছে। জনগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেকোনো তথ্যের আদান-প্রদান করতে পারে।

Chittagong · 2017

উত্তর

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি হচ্ছে টেলিযোগাযোগ, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও বিভিন্ন সফটওয়্যারের সমন্বয়ে গঠিত এমন এক ধরনের ব্যবস্থা; যার মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী খুব সহজে তথ্যগ্রহণ, সংরক্ষণ, সঞ্চালন ও বিশ্লেষণ করতে পারেন।

উত্তর

তথ্য ও প্রযুক্তি (ইন্টারনেট, মোবাইল ফোন, রেডিও, টেলিভিশন) ব্যবহারের মাধ্যমে সরকার কর্তৃক নাগরিককে যে সেবা প্রদান করা হয় তাই ই-সেবা। নাগরিকের দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজনীয় তথ্য এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খুব দ্রুত পৌঁছে দেওয়া হয়। ফলে সরকার ও জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরি হয়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির ফলে নাগরিকগণ অনেক ধরনের সেবা ঘরে বসেই পেয়ে থাকেন। যেমন- ইন্টারনেটের সাহায্যে বিভিন্ন পরীক্ষার ফল জানা, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ফরম পূরণ ও পরীক্ষা দেওয়া, চাকরির আবেদন করা, মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের আবেদন জমা দেওয়া, অনলাইনে কর প্রদান, বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিল প্রদান প্রভৃতি।

উত্তর

উদ্দীপকে 'XX^{\prime} রাষ্ট্রে ই-গভর্নেন্সের বিভিন্ন সেবার কথা বলা হয়েছে।উদ্দীপকে দেখা যাচ্ছে, 'XX^{\prime} রাষ্ট্রের জনগণ অনেক গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম (ভর্তি ফরম পূরণ, চাকরির আবেদন, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানির বিল প্রদান) প্রভৃতি অনলাইনে সম্পাদন করছে। পাশাপাশি জাতীয় পর্যায় থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যন্ত বিভিন্ন অফিস-আদালতে জনগণ এই সেবা নিতে পারছে। মোটকথা ই-গভর্নেন্সের সুফল অনেক। যেমন-১. স্বচ্ছতা সৃষ্টি: ই-গভর্নেন্সে স্বচ্ছতাকে বড় করে দেখা হয়। সরকার কী কী কাজ করছে, কেন করছে, কোন মূলনীতির ওপর সরকার সিদ্ধান্ত বা নীতি প্রণয়ন করছে, ই-গভর্নেন্স জনগণকে তা জানতে সাহায্য করে। আর এরূপ স্বচ্ছতাই জবাবদিহিতার পরিবেশ তৈরিকরে।২. দক্ষ ও সাশ্রয়ী পদ্ধা: ই-গভর্নেন্সের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো দক্ষ ও সাশ্রয়ী পন্থায় জনগণের নিকট সেবা পৌঁছানো। সময়, শ্রম ও অর্থের অপচয় কমিয়ে দেয় বলে এ ব্যবস্থা ব্যবসায়ীদের জন্য সুবিধাজনক ও সাশ্রয়ী। ৩. অবাধ ও সর্বজনীন তথ্য প্রবাহ: ই-গভর্নেন্স ব্যবস্থায় ধনী-গরিব, ধর্ম-বর্ণ-শ্রেণি নির্বিশেষে সবার জন্য সরকারি তথ্য প্রাপ্তির সুযোগ উন্মুক্ত থাকে।৪. দুর্নীতি প্রতিরোধে সহায়ক: সরকার কী করছে, কীভাবে করছে, আর্থিক লেনদেন কীভাবে হচ্ছে- জনগণ তা সহজেই জানতে পারে বলে দুর্নীতি প্রতিরোধে ই-গভর্নেন্স প্রশংসা অর্জন করেছে।

উত্তর

ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নের জন্য রোহানের দেশে সরকার বহুবিধ পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।উদ্দীপকে আলোচিত রাষ্ট্রে ই-গভর্নেন্স চালু হওয়ায় নাগরিক সেবাসহ যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনায় গতি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং জটিলতা হ্রাস পেয়েছে। তবে এক্ষেত্রে সরকারকে বহু সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এ সকল সমস্যা উত্তরণের মাধ্যমে ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নের জন্য সরকারের পাশপাশি বেসরকারি পর্যায়েও বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নে রোহানের দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ঘটাতে হবে। বড় শহরগুলো থেকে শুরু করে গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত ই-গভর্নেন্স সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য তথ্য সেবা কেন্দ্রগুলো উন্নত ও আধুনিক করতে হবে। প্রযুক্তি ও কারিগর দক্ষতাসম্পন্ন জনসংখ্যার বৃদ্ধি করতে হবে। ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নে প্রয়োজন কম্পিউটার ইন্টারনেট সংযোগ ও এর যথাযথ ব্যবহার। গ্রাম ও শহর উভয় অঞ্চলেই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে জনগণকে ই-গভর্নেন্সের সেবা প্রাপ্তির নিশ্চয়তা দিতে হবে। এটি বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহকে উৎসাহ প্রদান করতে হবে। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ ও সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তৎপর হতে হবে। সরকারি তথ্য ও সেবাপ্রাপ্তির সুবিধা সকলের জন্য উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে ব্যাপক প্রচারণা চালাতে হবে। বিভিন্ন সেমিনার, বক্তৃতা ইত্যাদি বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করে জনগণের নিকট ই-গভর্নেন্স সম্পর্ক তথ্য পৌঁছে দিতে হবে। শুধু ই-গভর্নেন্স ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমেই ই-গর্ভনেন্স ব্যবস্থার বাস্তবায়ন ঘটে না। এটির বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে ই-গভর্নেন্স মনিটরিং ব্যবস্থার দিকে যত্নবান হতে হবে। ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নে এটির কার্যক্রমে ইংরেজি ভাষা ব্যবহারের পরিবর্তে নিজ দেশের ভাষায় প্রযুক্তি ব্যবহারের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সর্বোপরি এ ব্যবস্থাকে সফল করতে হলে ব্যাপক জনসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।পরিশেষে বলা যায় যে, দেশে ই-গভর্নেন্স ব্যবস্থা বাস্তবায়নের জন্য রোহানের সরকারকে জনগণের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির জ্ঞান ও শিক্ষার প্রসারের পাশাপাশি উপর্যুক্ত পদক্ষেপগুলোও গ্রহণ করতে হবে।
HSCCivics 1st Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.ISP এর পূর্ণরূপ কী?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.কোনটি জনমতের প্রাথমিক মাধ্যম?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন হলো সকল আইনের উৎস। পার্লামেন্ট এই আইনের বিধান অনুযায়ী আইন প্রণয়ন করে। উদ্দীপকে নিচের কোন আইনটির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.G < C অর্থ-

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.কোনটি সরকারি আইন নয়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.হ্যাকাররা ডিসেম্বর ২০১৬-এ রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ৩১.৩ মিলিয়ন ডলার এবং ফেব্রুয়ারি ২০১৬- এ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ৮১ মিলিয়ন ডলার চুরি করে।Q. উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনাটি হ্যাকারদের দ্বারা কীভাবে সংঘটিত হয়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.রাজনৈতিক সরকারের বৈশিষ্ট্যগুলো কী?
i. রাষ্ট্রপ্রধান উত্তরাধিকার সূত্রে ক্ষমতাপ্রাপ্ত
ii. ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির অনুপস্থিত
iii. জনগণ রাষ্ট্রের করণীয় নির্ধারণ করে নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বাংলাদেশের সরকার প্রধান কে?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.ব্যক্তি স্বাধীনতা বলতে বুঝায়-
i. চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা
ii. জীবনধারণের স্বাধীনতা
iii. চলাফেরার স্বাধীনতা নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছে যেখানে সংবিধান অনুযায়ী সরকারের সকল অঙ্গ পৃথক। তবে কখনও কখনও সরকারের ভারসাম্য রক্ষার জন্য একটি অঙ্গ অন্যটির ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারে।Q. উদ্দীপকে যে নীতির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে তার নাম কী?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছে যেখানে সংবিধান অনুযায়ী সরকারের সকল অঙ্গ পৃথক। তবে কখনও কখনও সরকারের ভারসাম্য রক্ষার জন্য একটি অঙ্গ অন্যটির ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারে।Q. কোন রাষ্ট্রে এ ধরনের ব্যবস্থা বিদ্যমান?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12."An Introduction to the Law of the Constitutions" গ্রন্থটির লেখক কে?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

ISP এর পূর্ণরূপ কী?কোনটি জনমতের প্রাথমিক মাধ্যম?রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন হলো সকল আইনের উৎস। পার্লামেন্ট এই আইনের বিধান অনুযায়ী আইনG < C অর্থ-কোনটি সরকারি আইন নয়?হ্যাকাররা ডিসেম্বর ২০১৬-এ রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ৩১.৩ মিলিয়ন ডলার এবং ফেব্রাজনৈতিক সরকারের বৈশিষ্ট্যগুলো কী?i. রাষ্ট্রপ্রধান উত্তরাধিকার সূত্রে ক্ষমতাপ্রাবাংলাদেশের সরকার প্রধান কে?ব্যক্তি স্বাধীনতা বলতে বুঝায়-i. চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতাii. জীবনধারণের স্বাধীনউদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছেউদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছে"An Introduction to the Law of the Constitutions" গ্রন্থটির লেখক কে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।