শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রযুক্তি নির্ভর এই সেবাদানের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রযুক্তিনির্ভর সেবাদান ব্যবস্থা দ্বারা ই-গভর্নেন্সকে বোঝানো হয়েছে। সুশাসনের মূলকথা হলো আইনের শাসন, অংশগ্রহণ, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও গণতন্ত্রের শাসন। ই-গভর্ন্যান্সও শাসনকার্যে জনগণের অংশগ্রহণ সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কাজ করে। এদিক থেকেই ই-গভর্ন্যান্স সুশাসন নিশ্চিত করার এক বড় উপায়। সুশাসনের জন্য প্রয়োজন হলো প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য প্রচলিত আইন প্রয়োগের চেয়ে ই-গভর্ন্যান্স বেশি কার্যকরী। আমলাতান্ত্রিক পদ্ধতিগত 'গোজামিল' দেওয়ার কোনো সুযোগ ই-গভর্ন্যান্সে থাকে না। প্রত্যেকের কাজের প্রয়োজনীয় দলিল বিভিন্ন উপায়ে সংরক্ষিত থাকে। তাই ফাঁকি দেওয়ারও কোনো সুযোগ নেই। যে কারণে ই-গভর্ন্যান্সের জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা রক্ষা করা সহজ, যা সুশাসনের জন্য 'আবশ্যক। সুশাসনের প্রাণ হলো শাসনকার্যে জনগণের অংশগ্রহণ। আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় বিপুল জনসংখ্যার কারণে সরাসরি অংশগ্রহণ করা সম্ভব নয়। কিন্তু ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে জনগণ সরাসরি রাষ্ট্রীয় ব্যাপারে মতামত প্রদানের সুযোগ পায়। এদিক থেকে ই-গভর্ন্যান্স হলো সবচেয়ে অংশগ্রহণমূলক একটি পদ্ধতি। ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে দুর্নীতিকে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব। সুতরাং উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যবস্থাটির মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

HSC Civics 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 1st Paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রযুক্তি নির্ভর এই সেবাদানের মাধ্যমে সুশাসন প্রত…

উদ্দীপক

৯০-এর দশকের শুরুতে অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, কম্পিউটার প্রযুক্তির বিকাশের ফলে বেকারত্ব বাড়বে। কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন দেশ ইন্টারনেট এবং কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রশাসনে স্বচ্ছতা এবং দক্ষতা এনেছে। সময় এবং লোকবল সাপেক্ষ কাজও এখন দ্রুত এবং কম লোকবল দিয়েই করা সম্ভব হচ্ছে। [আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা]

উত্তর

বিশ্বব্যাংক সর্বপ্রথম সুশাসন ধারণার প্রয়োগ করে।

উত্তর

আইনের শাসন বলতে আইনের চোখে সবাই সমান এবং সবকিছুর উপরে আইনের প্রাধান্যের স্বীকৃতিকে বোঝায়। আইনের শাসনের অর্থ হচ্ছে ধর্ম-বর্ণ-শ্রেণি এবং ছোট-বড় নির্বিশেষে সবাই আইনের কাছে সমান। যে কেউ আইন ভঙ্গ করলে তাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা হবে- এটি আইনের শাসনের বিধান। আইনের শাসন ব্যক্তির সাম্য ও স্বাধীনতার রক্ষাকবচ।

উত্তর

উদ্দীপকটি ইগভর্ন্যান্সের সুবিধা বা ইতিবাচক দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করেছে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে '৯০ এর দশকের শুরুতে এ প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে বেকারত্ব বাড়বে। কিন্তু বর্তমান সময়ে এর ইতিবাচক দিকটিই বেশি লক্ষ্য করা যায়। উদাহরণ হিসেবে বলা আছে যে, বর্তমানে বিভিন্ন দেশে ইন্টারনেট ও কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রশাসনে স্বচ্ছতা এবং দক্ষতা এসেছে। প্রযুক্তিনির্ভর এ ব্যবস্থাপনায় সরকারের যাবতীয় কার্যক্রম কেনো, কোথায়, কখনো কিভাবে সম্পন্ন করা হচ্ছে তা সাধারণ জনগণ জানার সুযোগ পাচ্ছে। ই-গভর্নেন্স দক্ষ ও সাশ্রয়ী পন্থায় জনগণের সেবা তাদের দোর গোড়ার পৌঁছে দিচ্ছে। বিপুল সংখ্যক কাগজ-কলম ও জনবলের কাজ অতি অল্প সময়ে কাগজ-কলম ছাড়াই অল্প খরচে সম্পন্ন করা যাচ্ছে। এছাড়াও এ ব্যবস্থাপনা থেকে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তথ্যের সহজলভ্যতা তৈরি হয়েছে, দ্রুততা ও বিভিন্ন নতুন নতুন সুবিধা সৃষ্টি হয়েছে। মানুষ পূর্বে যা ধারণা করেছিল অর্থাৎ বেকারত্ব বাড়বে, সে সম্ভাবনা আর নেই। কারণ, এ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নতুন নতুন কর্মসংস্থানেরও সৃষ্টি হচ্ছে। আর এসব ইতিবাচক দিকটিই উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রযুক্তিনির্ভর সেবাদান ব্যবস্থা দ্বারা ই-গভর্নেন্সকে বোঝানো হয়েছে। সুশাসনের মূলকথা হলো আইনের শাসন, অংশগ্রহণ, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও গণতন্ত্রের শাসন। ই-গভর্ন্যান্সও শাসনকার্যে জনগণের অংশগ্রহণ সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কাজ করে। এদিক থেকেই ই-গভর্ন্যান্স সুশাসন নিশ্চিত করার এক বড় উপায়। সুশাসনের জন্য প্রয়োজন হলো প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য প্রচলিত আইন প্রয়োগের চেয়ে ই-গভর্ন্যান্স বেশি কার্যকরী। আমলাতান্ত্রিক পদ্ধতিগত 'গোজামিল' দেওয়ার কোনো সুযোগ ই-গভর্ন্যান্সে থাকে না। প্রত্যেকের কাজের প্রয়োজনীয় দলিল বিভিন্ন উপায়ে সংরক্ষিত থাকে। তাই ফাঁকি দেওয়ারও কোনো সুযোগ নেই। যে কারণে ই-গভর্ন্যান্সের জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা রক্ষা করা সহজ, যা সুশাসনের জন্য 'আবশ্যক। সুশাসনের প্রাণ হলো শাসনকার্যে জনগণের অংশগ্রহণ। আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় বিপুল জনসংখ্যার কারণে সরাসরি অংশগ্রহণ করা সম্ভব নয়। কিন্তু ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে জনগণ সরাসরি রাষ্ট্রীয় ব্যাপারে মতামত প্রদানের সুযোগ পায়। এদিক থেকে ই-গভর্ন্যান্স হলো সবচেয়ে অংশগ্রহণমূলক একটি পদ্ধতি। ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে দুর্নীতিকে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব। সুতরাং উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যবস্থাটির মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
HSCCivics 1st Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.ISP এর পূর্ণরূপ কী?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.কোনটি জনমতের প্রাথমিক মাধ্যম?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন হলো সকল আইনের উৎস। পার্লামেন্ট এই আইনের বিধান অনুযায়ী আইন প্রণয়ন করে। উদ্দীপকে নিচের কোন আইনটির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.G < C অর্থ-

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.কোনটি সরকারি আইন নয়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.হ্যাকাররা ডিসেম্বর ২০১৬-এ রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ৩১.৩ মিলিয়ন ডলার এবং ফেব্রুয়ারি ২০১৬- এ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ৮১ মিলিয়ন ডলার চুরি করে।Q. উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনাটি হ্যাকারদের দ্বারা কীভাবে সংঘটিত হয়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.রাজনৈতিক সরকারের বৈশিষ্ট্যগুলো কী?
i. রাষ্ট্রপ্রধান উত্তরাধিকার সূত্রে ক্ষমতাপ্রাপ্ত
ii. ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির অনুপস্থিত
iii. জনগণ রাষ্ট্রের করণীয় নির্ধারণ করে নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বাংলাদেশের সরকার প্রধান কে?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.ব্যক্তি স্বাধীনতা বলতে বুঝায়-
i. চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা
ii. জীবনধারণের স্বাধীনতা
iii. চলাফেরার স্বাধীনতা নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছে যেখানে সংবিধান অনুযায়ী সরকারের সকল অঙ্গ পৃথক। তবে কখনও কখনও সরকারের ভারসাম্য রক্ষার জন্য একটি অঙ্গ অন্যটির ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারে।Q. উদ্দীপকে যে নীতির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে তার নাম কী?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছে যেখানে সংবিধান অনুযায়ী সরকারের সকল অঙ্গ পৃথক। তবে কখনও কখনও সরকারের ভারসাম্য রক্ষার জন্য একটি অঙ্গ অন্যটির ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারে।Q. কোন রাষ্ট্রে এ ধরনের ব্যবস্থা বিদ্যমান?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12."An Introduction to the Law of the Constitutions" গ্রন্থটির লেখক কে?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

ISP এর পূর্ণরূপ কী?কোনটি জনমতের প্রাথমিক মাধ্যম?রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন হলো সকল আইনের উৎস। পার্লামেন্ট এই আইনের বিধান অনুযায়ী আইনG < C অর্থ-কোনটি সরকারি আইন নয়?হ্যাকাররা ডিসেম্বর ২০১৬-এ রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ৩১.৩ মিলিয়ন ডলার এবং ফেব্রাজনৈতিক সরকারের বৈশিষ্ট্যগুলো কী?i. রাষ্ট্রপ্রধান উত্তরাধিকার সূত্রে ক্ষমতাপ্রাবাংলাদেশের সরকার প্রধান কে?ব্যক্তি স্বাধীনতা বলতে বুঝায়-i. চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতাii. জীবনধারণের স্বাধীনউদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছেউদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছে"An Introduction to the Law of the Constitutions" গ্রন্থটির লেখক কে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।