শেয়ারFacebookWhatsApp

মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকারের মধ্যে কি কোনো পার্থক্য আছে? সেগুলি কী কী?

উত্তর: মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকার এর মধ্যে বেশকিছু পার্থক্য লক্ষণীয়। মানবাধিকার বলতে বিশ্বের নাগরিক হিসেবে নাগরিকগণ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত যে সকল অধিকার ভোগ করে সেগুলোকে বোঝায়। আর মৌলিক অধিকার বলতে সেই সকল অধিকারকে বোঝায় যা সার্বভৌম রাষ্ট্রের. সংবিধানে সন্নিবেশিত ও বলবৎযোগ্য। মানবাধিকারের উৎস হলো আন্তর্জাতিক সংস্থা জাতিসংঘ। অপরদিকে; মৌলিক অধিকারের উৎস হলো সার্বভৌম রাষ্ট্রের সংবিধান। মানবাধিকারের রক্ষক হলো জাতিসংঘ। আর মৌলিক অধিকারের রক্ষক রাষ্ট্র এবং সংবিধান। মৌলিক অধিকারের পরিধি নিজ রাষ্ট্রে সীমাবদ্ধ। মৌলিক অধিকারের চেয়ে মানবাধিকারের পরিধি ব্যাপক ও বিস্তৃত। জাতিসংঘভুক্ত প্রতিটি রাষ্ট্র একই ধরনের মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করতে এবং তা রক্ষা করতে বাধ্য। আর এক রাষ্ট্রের স্বীকৃত মৌলিক অধিকার অন্য রাষ্ট্র অপেক্ষা ভিন্নতর হতে পারে। মানবাধিকার আন্তর্জাতিক অধিকার। আর মৌলিক অধিকার রাষ্ট্রীয় বা স্থানীয় অধিকার। মানবাধিকার বিকাশ লাভ করে আন্তর্জাতিক চেতনাবোধ থেকে। কিন্তু মৌলিক অধিকার বিকাশ লাভ করে রাষ্ট্রীয় চেতনাবোধ থেকে। মানবাধিকার কার্যকর করা সহজ নয়। পক্ষান্তরে মৌলিক অধিকার অনেকটা সহজে কার্যকর করা যায়। পরিশেষে বলা যায় যে, মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকারের মধ্যে প্রকৃতিগত পার্থক্য লক্ষ করা গেলেও উভয়েরই উদ্দেশ্য ব্যক্তির কল্যাণ সাধন।

HSC Civics 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 1st Paper · সৃজনশীল

মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকারের মধ্যে কি কোনো পার্থক্য আছে? সেগুলি কী কী?

উদ্দীপক

মৌলিক অধিকার নাগরিক জীবনের বিকাশ ও ব্যক্তির জন্য অপরিহার্য। একমাত্র রাষ্ট্র ঘোষিত জরুরি অবস্থার সময় কিংবা সংবিধান স্থগিত ও সংশোধন করা ব্যতীত কোনো সরকারই মৌলিক অধিকার খর্ব করতে পারে না। মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকারের মধ্যে প্রকৃতিগত পার্থক্য খুবই কম। অনেক মৌলিক অধিকারই জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকারে স্থান পেয়েছে।

নটরডেম কলেজ · 2024

উত্তর

রাষ্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহণ এবং রাজনৈতিক অধিকার ভোগের ক্ষেত্রে সমান সুযোগ থাকাকে রাজনৈতিক সাম্য বলে।

উত্তর

আইনের অন্যতম দুটি উৎস হিসেবে আইনসভা এবং জনমত। আইনসভা আধুনিক আইনের সবচেয়ে কার্যকর উৎস। প্রত্যেক দেশের আইনসভা রাষ্ট্রীয় কার্য পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করে। আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন রাষ্ট্রীয় আইন হিসেবে স্বীকৃত। আইনসভা প্রণীত আইন সামাজিক মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটায়। জনমত আইনের উৎস হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আইন প্রণয়নের সময় জনমতের প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ রেখে আইন প্রণয়ন করা উচিত।

উত্তর

মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকার এর মধ্যে বেশকিছু পার্থক্য লক্ষণীয়। মানবাধিকার বলতে বিশ্বের নাগরিক হিসেবে নাগরিকগণ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত যে সকল অধিকার ভোগ করে সেগুলোকে বোঝায়। আর মৌলিক অধিকার বলতে সেই সকল অধিকারকে বোঝায় যা সার্বভৌম রাষ্ট্রের. সংবিধানে সন্নিবেশিত ও বলবৎযোগ্য। মানবাধিকারের উৎস হলো আন্তর্জাতিক সংস্থা জাতিসংঘ। অপরদিকে; মৌলিক অধিকারের উৎস হলো সার্বভৌম রাষ্ট্রের সংবিধান। মানবাধিকারের রক্ষক হলো জাতিসংঘ। আর মৌলিক অধিকারের রক্ষক রাষ্ট্র এবং সংবিধান। মৌলিক অধিকারের পরিধি নিজ রাষ্ট্রে সীমাবদ্ধ। মৌলিক অধিকারের চেয়ে মানবাধিকারের পরিধি ব্যাপক ও বিস্তৃত। জাতিসংঘভুক্ত প্রতিটি রাষ্ট্র একই ধরনের মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করতে এবং তা রক্ষা করতে বাধ্য। আর এক রাষ্ট্রের স্বীকৃত মৌলিক অধিকার অন্য রাষ্ট্র অপেক্ষা ভিন্নতর হতে পারে। মানবাধিকার আন্তর্জাতিক অধিকার। আর মৌলিক অধিকার রাষ্ট্রীয় বা স্থানীয় অধিকার। মানবাধিকার বিকাশ লাভ করে আন্তর্জাতিক চেতনাবোধ থেকে। কিন্তু মৌলিক অধিকার বিকাশ লাভ করে রাষ্ট্রীয় চেতনাবোধ থেকে। মানবাধিকার কার্যকর করা সহজ নয়। পক্ষান্তরে মৌলিক অধিকার অনেকটা সহজে কার্যকর করা যায়। পরিশেষে বলা যায় যে, মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকারের মধ্যে প্রকৃতিগত পার্থক্য লক্ষ করা গেলেও উভয়েরই উদ্দেশ্য ব্যক্তির কল্যাণ সাধন।

উত্তর

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকারের গুরুত্ব অপরিসীম। মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। মানবাধিকার জাতি-ধর্ম- বর্ণ, নারী-পুরুষ, ধনী-নির্ধন, দলমত নির্বিশেষে সকল মানুষকে সমান অধিকার ভোগের সুযোগ প্রদান করে। অপরদিকে, গণতন্ত্র হচ্ছে জনগণের শাসন। গণতন্ত্রে সকল মানুষই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে শাসন কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করে। মানবাধিকার সকল মানুষকে তার যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করার সুযোগ দান করে। মানবাধিকার মতামত প্রকাশের এবং ব্যক্তিত্ব বিকাশের অনুকূল পরিবেশও গড়ে তোলে। এর ফলে গণতন্ত্র সফল ও সার্থক হয়ে ওঠে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে মৌলিক অধিকারগুলো সংবিধানে সন্নিবেশিত থাকে। জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকারের প্রতি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র অকুণ্ঠ শ্রদ্ধা পোষণ করে। এর ফলে কোনো রাষ্ট্রই জনগণের অধিকার নস্যাৎ করার কোনো অশুভ উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে না।
HSCCivics 1st Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.ISP এর পূর্ণরূপ কী?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.কোনটি জনমতের প্রাথমিক মাধ্যম?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন হলো সকল আইনের উৎস। পার্লামেন্ট এই আইনের বিধান অনুযায়ী আইন প্রণয়ন করে। উদ্দীপকে নিচের কোন আইনটির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.G < C অর্থ-

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.কোনটি সরকারি আইন নয়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.হ্যাকাররা ডিসেম্বর ২০১৬-এ রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ৩১.৩ মিলিয়ন ডলার এবং ফেব্রুয়ারি ২০১৬- এ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ৮১ মিলিয়ন ডলার চুরি করে।Q. উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনাটি হ্যাকারদের দ্বারা কীভাবে সংঘটিত হয়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.রাজনৈতিক সরকারের বৈশিষ্ট্যগুলো কী?
i. রাষ্ট্রপ্রধান উত্তরাধিকার সূত্রে ক্ষমতাপ্রাপ্ত
ii. ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির অনুপস্থিত
iii. জনগণ রাষ্ট্রের করণীয় নির্ধারণ করে নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বাংলাদেশের সরকার প্রধান কে?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.ব্যক্তি স্বাধীনতা বলতে বুঝায়-
i. চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা
ii. জীবনধারণের স্বাধীনতা
iii. চলাফেরার স্বাধীনতা নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছে যেখানে সংবিধান অনুযায়ী সরকারের সকল অঙ্গ পৃথক। তবে কখনও কখনও সরকারের ভারসাম্য রক্ষার জন্য একটি অঙ্গ অন্যটির ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারে।Q. উদ্দীপকে যে নীতির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে তার নাম কী?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছে যেখানে সংবিধান অনুযায়ী সরকারের সকল অঙ্গ পৃথক। তবে কখনও কখনও সরকারের ভারসাম্য রক্ষার জন্য একটি অঙ্গ অন্যটির ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারে।Q. কোন রাষ্ট্রে এ ধরনের ব্যবস্থা বিদ্যমান?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12."An Introduction to the Law of the Constitutions" গ্রন্থটির লেখক কে?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

ISP এর পূর্ণরূপ কী?কোনটি জনমতের প্রাথমিক মাধ্যম?রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন হলো সকল আইনের উৎস। পার্লামেন্ট এই আইনের বিধান অনুযায়ী আইনG < C অর্থ-কোনটি সরকারি আইন নয়?হ্যাকাররা ডিসেম্বর ২০১৬-এ রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ৩১.৩ মিলিয়ন ডলার এবং ফেব্রাজনৈতিক সরকারের বৈশিষ্ট্যগুলো কী?i. রাষ্ট্রপ্রধান উত্তরাধিকার সূত্রে ক্ষমতাপ্রাবাংলাদেশের সরকার প্রধান কে?ব্যক্তি স্বাধীনতা বলতে বুঝায়-i. চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতাii. জীবনধারণের স্বাধীনউদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছেউদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছে"An Introduction to the Law of the Constitutions" গ্রন্থটির লেখক কে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।