মি 'ক'- এর কর্তব্য ধরনটি হলো নৈতিক কর্তব্য। ব্যক্তি ও সমাজের নীতির থেকে যে কর্তব্য জন্ম নেয় এবং যা নাগরিক স্বেচ্ছায়, স্বতঃস্ফূর্তভাবে পালন করে থাকে তাকে নৈতিক কর্তব্য বলে। নৈতিক কর্তব্য মানুষের বিবেক এবং সামাজিক নৈতিকতা ও ন্যায়বোধ থেকে আসে। যেমন - বাবা -মা ও শিক্ষককে শ্রদ্ধা করা, ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেওয়া, দরিদ্রকে সাহায্য করা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা, দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য রাষ্ট্রীয় ত্রাণ তহবিলে অর্থ দান করা ইত্যাদি। আবার সন্তানদের শিক্ষা প্রদান করা, রাষ্ট্রের সেবা করা, বিশ্বমানবতার প্রতি কর্তব্য পালন করা ও নৈতিক কর্তব্যর আওতাভুক্ত। সর্বোপরি, নৈতিক কর্তব্য বলতে নাগরিকের যেসব দায়িত্ব পালন করাকে বোঝায়, যেগুলো ব্যক্তি বা সমাজের নীতিরোধ ও বিবেকবোধের উপর নির্ভরশীল। উদ্দীপকে দেখা যায় মি 'ক' সচেতন নাগরিক হিসেবে বিভিন্ন প্রকৃতিক দুর্যোগের সময় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে নিজ উদ্যোগে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করে। মি 'ক'-এর এসব কাজ নাগরিকের নৈতিক কর্তব্য সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। মি 'ক' এসব কাজ নীতিরোধ ও বিবেকবোধ থেকে করে থাকেন। এখানে আইনের বাধ্যবাধকতা নেই।সুতরাং উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, মি. 'ক'-এর কর্তব্যর ধরন হলো নৈতিক কর্তব্য।