উদ্দীপকে উল্লেখিত মানবাধিকারের বিষয়টি নিশ্চিত ভূমিকা তাৎপর্যপূর্ণ । সুশাসন প্রতিষ্ঠার পূর্ব শর্ত হচ্ছে মানবাধিকার বাস্তবায়ন। সুশাসন অর্থ হলো স্বচ্ছ, জবাবদিহি, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল শাসন ব্যবস্থা। মানবাধিকার বাস্তবায়নের সুশাসনের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। যেসব রাষ্ট্র সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছে সেসব রাষ্ট্রই বর্তমানে মানবাধিকার বাস্তবায়নের তৎপর হয়েছে। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় তাই সুশাসন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সুশাসন মানুষের চাহিদা পূরণের মাধ্যমে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন হয় অনুকুল সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশ। সুশাসন অনুরূপ অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করে। সুশাসন দুর্নীতির রোধের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করে। সুশাসনের এসব পদক্ষেপ মানব অধিকার প্রতিষ্ঠায় সহায়ক। সুশাসন ও মানবাধিকার উভয়ের লক্ষ্যে জনসেবা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও খাদ্যের অধিকার নিশ্চিত করে ইত্যাদি সেবার মাধ্যমে সুশাসন মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কতগুলো বিষয় প্রয়োজন যেমন - আইনগত কাঠামোর উন্নয়ন, জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ, সরকারের স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণে তথ্য অধিকার আইনের প্রয়োগ, কর্মকর্তাদের দক্ষতা ও জবাবদিহিতা জোরদার করুন - এ বিষয়গুলো সুশাসনেরই অংশ। অতএব উপরে উক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সুশাসনের গুরুত্ব অপরিসীম।