বিলকিছ যে ধরনের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে তা হলো অর্থনৈতিক অধিকার। আইনের সুষ্ঠু ও যথাযথ প্রয়োগ এবং সাম্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই বিলকিছের সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে আমি মনে করি। যে অধিকার ব্যাক্তিকে অভাব ও দরিদ্র থেকে মুক্তি দিয়ে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বিধান করে তাকে অর্থনৈতিক অধিকার বলে। উদ্দীপকের লক্ষণীয় যে, মেজবাহ ও বিলকিছ চাচাতো ভাই বোন এবং তারা একই অফিসে কাজ করে। কিন্তু তাদের কাজের ধরন এক হওয়া মেজবাহের মজুর বিলকিছের এর চেয়ে বেশি। অর্থাৎ বিলকিছ অর্থনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। তার এরূপ অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বা রক্ষার জন্য সর্বাগ্নে যথাযথ আইনের বাস্তবায়ন প্রয়োজন। আইনের সুষ্ঠু ও যথাযথ নিজের দ্বারা রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অধিকার রক্ষা করা সম্ভব। এ অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন আইনের অনুশাসন। আইনের অনুশাসনের অর্থ হলো সর্বক্ষেত্র আইনের প্রাধান্য। আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান। এখানে নারী-পুরুষ ধনী-গরিব কোন ভেদাভেদ নেই। জনগণ যদি তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয় তাহলে অন্য কেউ তা খর্ব করতে পারবেনা। আর সমাজের সাম্য প্রতিষ্ঠান পেলে নারী পুরুষ উভয় তাদের ন্যায্য সমতা ভোগ করতে পারবে। যা সমাজে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নারী পুরুষের এ ধরনের বৈষম্য দূর করতে সহায়তা করবে। পরিশেষে বলা যায়, নারীর ক্ষমতায়ন,সমমর্যাদা, সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিলকিছ এর মতো নারীদের সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।