উদ্দীপকে বর্ণিত শিবলীর মালিকের দেশের নারীরা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত।যে অধিকার ব্যক্তিকে অভাব ও দারিদ্র থেকে মুক্তি দিয়ে অর্থনৈতিক জীবনের নিরাপত্তা বিধান করে তাকে অর্থনৈতিক অধিকার বলে। কর্মের অধিকার, ন্যায্য মজুরি লাভ, অবকাশ লাভ, শ্রমিক সংঘ বা ইউনিয়ন করার অধিকার, সম্পত্তি ও সামাজিক নিরাপত্তা লাভের অধিকার প্রভৃতি অর্থনৈতিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত। আবার, যে সকল অধিকার একজন নাগরিককে রাষ্ট্রীয় কাজে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেয় তাকে রাজনৈতিক অধিকার বলা হয়। ভোটদান, নির্বাচন করা ও নির্বাচিত হওয়া, সরকারি চাকরি লাভ, সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করা প্রভৃতি রাজনৈতিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত। উদ্দীপকে দেখা যাচ্ছে, শিবলী 'ক' রাষ্ট্রে কাজ করে। ছুটিতে সে তার মালিককে নিয়ে নিজ দেশে বেড়াতে আসে। ঐ সময় দেশের জাতীয় নির্বাচনে মহিলা-পুরুষ লাইনে দাড়িয়ে ভোট দেয়। শিবলী ও তার স্ত্রীও ভোট দেয়। শিবলীর দেশের এ অবস্থা দেখে শিবলীর মালিক আশ্চর্য হয়। সে দেখল শিবলীর দেশের নারীরা যে অধিকার ভোগ করছে তার দেশের নারীদের সে অধিকার ভোগ খুবই সীমিত। এমনকি কর্মক্ষেত্রেও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। শিবলীর মালিকের যে আক্ষেপ তার দ্বারা এটাই বোঝা যায় যে, তার দেশের নারীরা রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত।