রাষ্ট্রের অন্যান্য নাগরিকগণ যদি জনাব মঈনুদ্দীনের মতো দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে তবে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আমি মনে করি।সুশাসন হচ্ছে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ, দায়িত্বশীল, জবাবদিহিমূলক এবং কল্যাণধর্মী শাসনব্যবস্থা। জনগণের সর্বাধিক কল্যাণ সাধনই সুশাসনের লক্ষ্য। তাই জনগণ রাষ্ট্র প্রদত্ত অধিকার ভোগের পাশাপাশি যদি রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্বশীল ও অনুগত থেকে সঠিকভাবে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে, তবে কল্যাণধর্মী রাষ্ট্র ও সুশৃঙ্খল সমাজ গড়ে উঠবে। যা সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্দেশ্য। উদ্দীপকের মঈনুদ্দীন একজন দায়িত্বশীল ও সচেতন নাগরিক। তিনি রাষ্ট্রের প্রতি যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করেন। তার মতো প্রত্যেক নাগরিক যদি সচেতন হন এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন, তবে আদর্শ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে। নাগরিকগণ যদি শৃঙ্খলাপূর্ণ ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকেন, তবে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সহজ হবে। তাছাড়া নিয়মিত কর প্রদান করা, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আত্মনিয়োগ করা, রাষ্ট্রীয় আদেশ নিষেধ মেনে চললে ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ গড়ে ওঠে। যা সুশাসন বিকাশের পথকে মসৃণ করে তোলে। সবার মধ্যে দায়িত্বশীলতা, জবাবদিহিতা সৃষ্টি হলে সহজ ও সাবলীলভাবে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়।পরিশেষে বলা যায়, রাষ্ট্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ ও সক্রিয় ভূমিকা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক। সুতরাং নাগরিকগণ যদি রাষ্ট্রের প্রতি যথাযথভাবে কর্তব্য পালন করে, তবে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং তা অব্যাহত রাখা সম্ভবপর হবে। সুতরাং প্রত্যেক নাগরিকের উচিত মঈনুদ্দীনের মতো কর্তব্য পালন করে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা পালন করা।