শেয়ারFacebookWhatsApp

“উক্ত শাসক ভারতবর্ষে স্থায়ী মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠায় অনন্য অবদান রেখেছেন”— উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো ।

উত্তর: ভারতে স্থায়ীভাবে মুসলিম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠায় মুহাম্মদ ঘুরির অবদান অতুলনীয়। মুহাম্মদ ঘুরি নিজ দক্ষতায় গজনি সাম্রাজ্যের ধ্বংসস্তূপের ওপর ঘুর সাম্রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করেন। তিনি ছিলেন একজন বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ, দক্ষ সমরবিদ ও দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক। অদম্য সাহস, অসীম ধৈর্য এবং অভিনব ও উন্নত যুদ্ধ কৌশলের সাহায্যে তিনি আফগানিস্তান থেকে বাংলা পর্যন্ত একটি সুবৃহৎ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। মুহাম্মদ ঘুরির ভারত অভিযান ও রাজ্যবিস্তার তার পূর্ব পরিকল্পনাপ্রসূত ছিল। কারণ তিনি স্থায়ী মুসলিম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যেই ভারত অভিমুখে অগ্রসর হয়েছিলেন। ভারতের বিশৃঙ্খল রাজনৈতিক পরিস্থিতির পূর্ণ সুযোগ নিয়ে মুহাম্মদ ঘুরি লক্ষ্য অর্জনে প্রচেষ্টা চালান। সুযোগ্য ক্রীতদাস সেনাপতি কুতুবউদ্দিন আইবেক, ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির সহায়তায় তিনি ভারত অভিযানে সফল হন। বস্তুত ঘুরির ভারত অভিযানের পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে ভারতে মুসলিম রাজ্য বিজয় এবং রাজত্বকালের সূচনা হয়। তার আগে মুহাম্মদ বিন কাসিম এবং সুলতান মাহমুদ ভারতে অভিযান পরিচালনা করলেও তারা সেখানে স্থায়ীভাবে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেননি। ঘুরির আক্রমণের ফলেই উত্তর ভারতের এক বিস্তীর্ণ অংশে মুসলিম আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। সেনাপতি কুতুবউদ্দিন আইবেককে বিজিত অঞ্চলের শাসক নিযুক্ত করে তিনি এসব অঞ্চলে মুসলিম সাম্রাজ্যের স্থায়িত্ব সুনিশ্চিত করেন। ঘুরি ভারতে যে মুসলিম সাম্রাজ্যের গোড়াপত্তন করেন, তা প্রায় ৭০০ বছর স্থায়ী হয়েছিল। তাই ভারত উপমহাদেশে মুসলিম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠায় ঘুরির নাম চিরস্মরণীয় হয়ে রয়েছে। সার্বিক আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, মুহাম্মদ ঘুরি ভারতীয় হিন্দু রাজাগণকে পরাভূত করে ভারতের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিলেন। তাই তাকেই ভারতে মুসলিম সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়।

HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল

“উক্ত শাসক ভারতবর্ষে স্থায়ী মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠায় অনন্য অবদান রে…

উদ্দীপক

পারস্যের রাজা সিংহাসনে আরোহণ করে বেশ কয়েকবার রাজস্থানে অভিযান পরিচালনা করে ব্যর্থ হন। এ কারণে তিনি রাজস্থান বাদ দিয়ে কনৌজে আক্রমণ চালান। প্রথমবার তিনি কনৌজ জয়ে ব্যর্থ হলেও দ্বিতীয়বার কনৌজের রাজাকে পরাজিত করে সেখানে স্থায়ী শাসন প্রতিষ্ঠা করেন

বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ · 2024

উত্তর

মহাকবি আবুল কাসেম ফেরদৌসি শাহনামা রচনা করেন।

উত্তর

রাজা জয়চাদের সাথে পৃথ্বিরাজের দ্বন্দ্বের মূল কারণ হলো জয়চাঁদের মেয়ে সংযুক্তা। চৌহান বংশের রাজপুত রাজা পৃথ্বিরাজ দিল্লি ও আজমিরের শাসক ছিলেন। আর কনৌজের রাজা ছিলেন জয়চাঁদ। জয়চাঁদের মেয়ের অসাধারণ রূপ-লাবণ্যে মুগ্ধ হয়ে পৃথ্বিরাজ তার প্রেমে পড়েন। আর পৃথ্বিরাজের অসাধারণ বীরত্বের কথা শুনে সংযুক্তাও তাকে ভালোবাসেন। কিন্তু রাজা জয়চাদ তাদের সম্পর্ক মেনে নিতে রাজি ছিলেন না। তিনি তড়িঘড়ি করে রাজকন্যার স্বয়ংবর সভার আয়োজন করেন। এ সভার আগে তিনি বিশাল এক রাজকীয় যজ্ঞের আয়োজন করেন। এ যজ্ঞস্থল থেকে রাজা পৃথ্বিরাজ সংযুক্তাকে নিয়ে যান। এ কারণে রাজা জয়চাদের সাথে পৃথ্বিরাজের যুদ্ধ বাধে।

উত্তর

উদ্দীপকের পারস্যের রাজার অভিযানের সাথে মুহাম্মদ ঘুরির তরাইনের প্রথম ও দ্বিতীয় যুদ্ধের মিল রয়েছে। মুহাম্মদ ঘুরির উদ্দেশ্য ছিল ভারতে একটি স্থায়ী মুসলিম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা। এ উদ্দেশ্যে তিনি সিন্ধু, মুলতান ও পাঞ্জাব অধিকার করে দিল্লি ও আজমিরের শাসক পৃথ্বিরাজের মুখোমুখি হন। এ পর্যায়ে তিনি যে যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন উদ্দীপকের অভিযানের মাধ্যমে তার প্রতিই ইঙ্গিত করা হয়েছে। উদ্দীপকের পারস্যের রাজা রাজস্থানে বেশ কয়েকবার অভিযান পরিচালনা করে ব্যর্থ হন। পরে তিনি কনৌজ আক্রমণ করেও ব্যর্থ হন। কিন্তু দ্বিতীয়বার অভিযান পরিচালনা করে মুহাম্মদ ঘুরির ক্ষেত্রেও এমনটি দেখা যায়। ১১৮৯ খ্রিষ্টাব্দে ভাতিন্দা দখল করে মুহাম্মদ ঘুরি চৌহান রাজ্যের বিরুদ্ধে অগ্রসর হলে তাকে মোকাবিলার উদ্দেশ্যে পৃথ্বিরাজ উত্তর ভারতের হিন্দু রাজাদের সমন্বয়ে একটি 'কনফেডারেসি' বা ঐক্যজোট গঠন করেন । কনৌজ রাজা জয়চাঁদ ছাড়া প্রায় সব হিন্দু রাজন্য এতে যোগ দেন। ১১৯১ খ্রিষ্টাব্দে থানেশ্বরের কাছাকাছি তরাইনের রণক্ষেত্রে সম্মিলিত বাহিনী s মুহাম্মদ ঘুরির বাহিনীর মধ্যে তুমুল যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে মুসলিম বাহিনী পরাজিত হয় এবং মুহাম্মদ ঘুরি আহত হয়ে পালিয়ে যান। তরাইনের প্রথম যুদ্ধে পরাজয়ের গ্লানি মুহাম্মদ ঘুরিকে প্রতিশোধ স্পৃহায় উদ্দীপ্ত করে তোলে। এ অবস্থায় ১১৯২ খ্রিস্টাব্দে ১,২০,০০০ সৈন্যের এক বিশাল বাহিনী নিয়ে তিনি পুনরায় যুদ্ধযাত্রা করেন। মুসলিম বাহিনীর মোকাবিলায় পৃথ্বিরাজ তিন লক্ষ সৈন্যের এক বিশাল বাহিনী সংগঠিত করেন। তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্রায় দেড়শ রাজপুত রাজা পৃথ্বিরাজের পতাকাতলে সমবেত হয়েছিলেন বলে ঐতিহাসিক ঈশ্বরী প্রসাদ উল্লেখ করেছেন। তরাইন প্রান্তরে উভয় বাহিনী মুখোমুখি হয়। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা সত্ত্বেও মুহাম্মদ ঘুরির উন্নত রণকৌশলের কাছে সম্মিলিত রাজপুত বাহিনী শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়। পালিয়ে যাওয়ার সময় রাজা পৃথ্বিরাজ ধরা পড়েন ও পরে নিহত হন। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের অভিযানের সাথে মুহাম্মদ ঘুরির তরাইনের যুদ্ধের মিল রয়েছে।

উত্তর

ভারতে স্থায়ীভাবে মুসলিম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠায় মুহাম্মদ ঘুরির অবদান অতুলনীয়। মুহাম্মদ ঘুরি নিজ দক্ষতায় গজনি সাম্রাজ্যের ধ্বংসস্তূপের ওপর ঘুর সাম্রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করেন। তিনি ছিলেন একজন বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ, দক্ষ সমরবিদ ও দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক। অদম্য সাহস, অসীম ধৈর্য এবং অভিনব ও উন্নত যুদ্ধ কৌশলের সাহায্যে তিনি আফগানিস্তান থেকে বাংলা পর্যন্ত একটি সুবৃহৎ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। মুহাম্মদ ঘুরির ভারত অভিযান ও রাজ্যবিস্তার তার পূর্ব পরিকল্পনাপ্রসূত ছিল। কারণ তিনি স্থায়ী মুসলিম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যেই ভারত অভিমুখে অগ্রসর হয়েছিলেন। ভারতের বিশৃঙ্খল রাজনৈতিক পরিস্থিতির পূর্ণ সুযোগ নিয়ে মুহাম্মদ ঘুরি লক্ষ্য অর্জনে প্রচেষ্টা চালান। সুযোগ্য ক্রীতদাস সেনাপতি কুতুবউদ্দিন আইবেক, ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির সহায়তায় তিনি ভারত অভিযানে সফল হন। বস্তুত ঘুরির ভারত অভিযানের পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে ভারতে মুসলিম রাজ্য বিজয় এবং রাজত্বকালের সূচনা হয়। তার আগে মুহাম্মদ বিন কাসিম এবং সুলতান মাহমুদ ভারতে অভিযান পরিচালনা করলেও তারা সেখানে স্থায়ীভাবে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেননি। ঘুরির আক্রমণের ফলেই উত্তর ভারতের এক বিস্তীর্ণ অংশে মুসলিম আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। সেনাপতি কুতুবউদ্দিন আইবেককে বিজিত অঞ্চলের শাসক নিযুক্ত করে তিনি এসব অঞ্চলে মুসলিম সাম্রাজ্যের স্থায়িত্ব সুনিশ্চিত করেন। ঘুরি ভারতে যে মুসলিম সাম্রাজ্যের গোড়াপত্তন করেন, তা প্রায় ৭০০ বছর স্থায়ী হয়েছিল। তাই ভারত উপমহাদেশে মুসলিম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠায় ঘুরির নাম চিরস্মরণীয় হয়ে রয়েছে। সার্বিক আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, মুহাম্মদ ঘুরি ভারতীয় হিন্দু রাজাগণকে পরাভূত করে ভারতের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিলেন। তাই তাকেই ভারতে মুসলিম সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়।
HSCIslamic History 2nd paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-

Dhaka · 2017

  • রাজস্ব সংস্কারে
  • স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে
  • পুলিশ বিভাগের উন্নয়নে
  • শিক্ষার উন্নয়নে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?

Dhaka · 2017

  • মালিক সুলেমান
  • খিজির খান
  • মুবারক শাহ
  • মুহম্মদ শাহ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2017

  • আর্য
  • দ্রাবিড়
  • শক
  • কুষাণ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?
i. গজনী অধিকার
ii. হিরাত অধিকার
iii. উক্ত নগরী ধ্বংস সাধন নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2018

  • আর্য
  • শক্
  • হুন
  • দ্রাবিড়

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উক্ত আন্দোলনের ফলাফল ছিল-
i. শেখ মুজিবুর রহমান এর কারা মুক্তি
ii. আইয়ুবের পতন
iii. গণতান্ত্রিক শাসন কায়েম নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উদ্দীপকের অনুরূপ ৬৯'র গণঅভুত্থানে নিহতরা-

Dhaka · 2018

  • ড. শাসসুজ্জোহা ও আসাদ
  • তিউর ও বাবুল
  • সার্জেন্ট জহুরুল হক ও ওয়াজিউল্লাহ
  • মনু মিয়া ও মতিউর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?

Dhaka · 2018

  • ২৫ জন
  • ২৮ জন
  • ৩০ জন
  • ৩৫ জন

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

Combined · 2019

  • আগ্রাবাদ
  • কালুরঘাট
  • মুজিবনগর
  • মেহেরপুর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-
i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র
ii. স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা
iii. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.শেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-

Combined · 2019

  • হাসান
  • ইব্রাহিম
  • ফরিদ
  • ফজল

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

Combined · 2019

  • দাক্ষিণাত্য
  • দৌলতাবাদ
  • মুফাস্সরবাদ
  • আফগানপুর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?i. গজনী অধিকারii. হিরাত অধিকারiii. উক্ত ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যানিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যাআগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্রii. স্বাধীনতার দিক নশেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।