শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে শাসকের পাঞ্জাব ও সিন্ধু অভিযানের বর্ণনা দাও।

উত্তর: উদ্দীপকের রিমনের বাবা যে শাসকের কথা বলেছেন তিনি হলেন মুহাম্মদ ঘুরী। তিনি সিন্ধু ও পাঞ্জাব দখল করেন।পাঞ্জাব দখল: পাঞ্জাব ছিল তৎকালীন ভারতের প্রবেশদ্বার। গজনির রাজারা নিজ দেশে হতে বিতাড়িত হয়ে এসে পাঞ্জাব শাসন করতেন। ১১৭৯ খ্রি. মুহাম্মদ ঘুরী পাঞ্জাবের শাসনাধীন পেশোয়ার দখল করেন। ১১৮১ খ্রি. তিনি খসরু মালিকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেন। ১১৮৫ খ্রি. মুহাম্মদ ঘুরী পুনরায় পাঞ্জাব আক্রমণ এবং লুঠতরাজ করেন। এ অভিযানে তিনি শিয়ালকোট দখল করেন। ১১৮৬ খ্রি. জম্মুর রাজা চক্রদেবের সহায়তায় মুহাম্মদ ঘুরী খসরু মালিককে গ্রেফতার করেন এবং! কারাগারে নিক্ষেপ করেন। বন্দি অবস্থায় খসরু মালিক মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর সাথে গজনি বা ইয়ামেনি বংশের শাসন সমাপ্ত হয়।সিন্ধু দখল: ঘুরীর অভিযানের প্রাক্কালে মূলতান কারামাতীয়গণ শাসন করত। কারামাতীয়রা ছিল। ইসমালীয় সম্প্রদায়ের একটি শাখার নাম। ১১৭৪ খ্রি. বা ১১৭৫ খ্রি. মুহাম্মদ ঘুরী কারামাতীয় শাসককে পরাজিত করে মুলতান দখল করেন। তিনি নিজের মনোনীত একজনকে মুলতানের শাসক হিসেবে নিয়োগ দেন। তৎকালীন সিন্ধু দুভাগে বিভক্ত ছিল। আপার সিন্ধু ও লোয়ার সিন্ধু। আপার সিন্ধুর উচের রাজপুত রাজা ভাটির সাথে রানির সম্পর্ক ভালো ছিল না। প্রচলিত কাহিনি মতে, ১১৭৪ খ্রি. রানির সাথে আঁতাত করে মুহাম্মদ ঘুরী রাজা ভাটিকে হত্যা করেন। ১১৮২ খ্রি. তিনি লোয়ার সিন্ধু দখল করেন।

HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকে শাসকের পাঞ্জাব ও সিন্ধু অভিযানের বর্ণনা দাও।

উদ্দীপক

রিমনের মন খুবই কৌতূহলী। সে বিভিন্ন বিষয় জানার পাশাপাশি তার বাবাকে ভারতবর্ষ আক্রমণের বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন ভারত আক্রমণকারী ছিলেন একজন একনিষ্ঠ মুসলমান। তাঁর উপাধি ছিল মুইজউদ্দীন ও শিহাবউদ্দীন। শিহাবউদ্দীন অর্থ ধর্মের অগ্নিশিখা।

নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজ, রাজশাহী · 2025

উত্তর

করাজা দাহির ছিলেন মুসলিম বিজয়ের সময়ে সিন্ধুর রাজা।

উত্তর

সুলতান মাহমুদের ভারত অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল অর্থনৈতিক। কারণ সে যুগে একটি সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করা, সাম্রাজ্যে 'একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা, বিশাল সেনাবাহিনীকে বেতন-ভাতাদি দেওয়া, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্পকলার পৃষ্ঠপোষকতা করা ইত্যাদি বিষয়ে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন ছিল। আর ভারত ছিল অফুরন্ত ধনসম্পদে পরিপূর্ণ। অথচ এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল অত্যন্ত দুর্বল। এজন্য ধনসম্পদে পরিপূর্ণ, ভারত থেকে অর্থ ও রত্নভান্ডার লুণ্ঠন করাই ছিল সুলতান মাহমুদের ভারত আক্রমণের মূল উদ্দেশ্য। তবে তিনি রাজনেতিক, অর্থনৈতিক ও ধর্মীয় কারণে ভারত অভিযান করেন।

উত্তর

উদ্দীপকের রিমনের বাবা যে শাসকের কথা বলেছেন তিনি হলেন মুহাম্মদ ঘুরী। তিনি সিন্ধু ও পাঞ্জাব দখল করেন।পাঞ্জাব দখল: পাঞ্জাব ছিল তৎকালীন ভারতের প্রবেশদ্বার। গজনির রাজারা নিজ দেশে হতে বিতাড়িত হয়ে এসে পাঞ্জাব শাসন করতেন। ১১৭৯ খ্রি. মুহাম্মদ ঘুরী পাঞ্জাবের শাসনাধীন পেশোয়ার দখল করেন। ১১৮১ খ্রি. তিনি খসরু মালিকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেন। ১১৮৫ খ্রি. মুহাম্মদ ঘুরী পুনরায় পাঞ্জাব আক্রমণ এবং লুঠতরাজ করেন। এ অভিযানে তিনি শিয়ালকোট দখল করেন। ১১৮৬ খ্রি. জম্মুর রাজা চক্রদেবের সহায়তায় মুহাম্মদ ঘুরী খসরু মালিককে গ্রেফতার করেন এবং! কারাগারে নিক্ষেপ করেন। বন্দি অবস্থায় খসরু মালিক মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর সাথে গজনি বা ইয়ামেনি বংশের শাসন সমাপ্ত হয়।সিন্ধু দখল: ঘুরীর অভিযানের প্রাক্কালে মূলতান কারামাতীয়গণ শাসন করত। কারামাতীয়রা ছিল। ইসমালীয় সম্প্রদায়ের একটি শাখার নাম। ১১৭৪ খ্রি. বা ১১৭৫ খ্রি. মুহাম্মদ ঘুরী কারামাতীয় শাসককে পরাজিত করে মুলতান দখল করেন। তিনি নিজের মনোনীত একজনকে মুলতানের শাসক হিসেবে নিয়োগ দেন। তৎকালীন সিন্ধু দুভাগে বিভক্ত ছিল। আপার সিন্ধু ও লোয়ার সিন্ধু। আপার সিন্ধুর উচের রাজপুত রাজা ভাটির সাথে রানির সম্পর্ক ভালো ছিল না। প্রচলিত কাহিনি মতে, ১১৭৪ খ্রি. রানির সাথে আঁতাত করে মুহাম্মদ ঘুরী রাজা ভাটিকে হত্যা করেন। ১১৮২ খ্রি. তিনি লোয়ার সিন্ধু দখল করেন।

উত্তর

উদ্দীপকের উল্লিখিত শাসক হলেন মুহাম্মদ ঘুরী। তিনি পৃথ্বিরাজের সাথে তরাইনের প্রথম ও দ্বিতীয় যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। তরাইনের প্রথম যুদ্ধ: তরাইন একটি গ্রামের নাম। এটি থানেশ্বর হতে ২২.৫৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ১১৯১ খ্রি. এখানে মুহাম্মদ ঘুরী ও পৃথ্বিরাজের নেতৃত্বে গঠিত জোট বাহিনীর যুদ্ধ হয়। ঐতিহাসিক আবুল কাশেম ফিরিস্তার বর্ণনা মতে, জোট বাহিনীতে ২ লাখ অশ্বারোহী এবং ৩০০০ হস্তি ছিল। মুহাম্মদ ঘুরী তার সৈন্যবাহিনীকে ডান, বাম ও মধ্য এ তিন ভাগে বিভক্ত করেন। তিনি নিজে মধ্যভাগের নেতৃত্ব দেন। : জোটবাহিনী মুসলিম বাহিনীর ডান ও বাম অংশকে আক্রমণ করে এবং পৃথ্বিরাজের ভাই গোবিন্দরাজ ছিলেন, মধ্যভাগে। গোবিন্দরাজের আঘাতে মুহাম্মদ ঘুরী মারাত্মক আহত হন। বিশ্বস্ত খলজি সৈনিকের সহায়তায় মুহাম্মদ ঘুরী প্রাণে রক্ষা পান এবং নিজ রাজ্যে ফিরে যান। তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ: ১১৯২ সালে একই স্থানে মুহাম্মদ ঘুরী ও পৃথ্বিরাজের নেতৃত্বে গঠিত জোটবাহিনীর সাথে যুদ্ধ হয়। যা তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ নামে পরিচিত। এ যুদ্ধে ঘুরীর ১,২০,০০০ সৈন্যের মধ্যে সুসজ্জিত, প্রশিক্ষিত ও সুশৃঙ্খলিত অশ্বারোহীর এক বাহিনী ছিল। ১০,০০০ তীরন্দাজ। ঘুরী ১০,০০০ সৈন্য দিয়ে ৪টি বাহিনী গঠন করেছিলেন। ১২,০০০ অশ্বারোহী দিয়ে তিনি আলাদা একটি বাহিনী গঠন করেন। এ বাহিনী ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী ও দুর্ধর্ষ। অপরদিকে পৃথ্বিরাজের ৩,০০,০০০ সৈন্যের মধ্যে সুসজ্জিত অশ্বারোহীর বাহিনী ছিল। ১৫০ রাজন্যবর্গ নিয়ে পৃথ্বিরাজের জোটবাহিনী গঠিত ছিল। উভয় বাহিনীর মধ্যে তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চলতে থাকে। হিন্দুবাহিনী যখন রণক্লান্ত, তখন ১২,০০০ অশ্বারোহী বাহিনী বেপরোয়াভাবে শত্রু নিধনে লিপ্ত হয়। তীরন্দাজ, অশ্বারোহী এ বাহিনীর আক্রমণে শত্রুপক্ষ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। যুদ্ধক্ষেত্র হতে পালিয়ে যাওয়ার পথে পৃথ্বিরাজকে বন্দি করা হয় এবং পরে হত্যা করা হয়।
HSCIslamic History 2nd paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?
i. গজনী অধিকার
ii. হিরাত অধিকার
iii. উক্ত নগরী ধ্বংস সাধন নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উক্ত আন্দোলনের ফলাফল ছিল-
i. শেখ মুজিবুর রহমান এর কারা মুক্তি
ii. আইয়ুবের পতন
iii. গণতান্ত্রিক শাসন কায়েম নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উদ্দীপকের অনুরূপ ৬৯'র গণঅভুত্থানে নিহতরা-

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-
i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র
ii. স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা
iii. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.শেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?i. গজনী অধিকারii. হিরাত অধিকারiii. উক্ত ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যানিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যাআগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্রii. স্বাধীনতার দিক নশেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।