শেয়ারFacebookWhatsApp

উক্ত শাসকের সামরিক সফলতার কারণগুলো উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উক্ত শাসক তথা মুহাম্মদ ঘুরীর সামরিক সফলতার কারণগুলো ছিল উন্নত সামরিক কৌশল, শত্রুপক্ষের বিশৃঙ্খলা ও অদম্য সাহস। মুহাম্মদ ঘুরীর আক্রমণের সময়ে ভারতের রাজনৈতিক অবস্থা বিশৃঙ্খল ছিল এবং ভারত সামরিকভাবে দুর্বল ছিল। অপরদিকে, মুহাম্মদ ঘুরীর সেনাবাহিনী সুশৃঙ্খল ছিল, রণকৌশলে দক্ষ ছিল এবং তার সেনাপতিরা সুদক্ষ ছিল। মুহাম্মদ ঘুরীর সামরিক সফলতার কারণ হলো- প্রথমত, এসময় ভারতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজন্যবর্গের মধ্যে চরম দ্বন্দ্ব-কলহ বিরাজমান ছিল। মূলত রাজন্যবর্গের রাজনৈতিক অনৈক্য মুসলিম বাহিনীর সফলতার অন্যতম কারণ। ভি. ডি. মহাজন বলেন, "There was no one paramount power in the country at that time which could fight against the Muslims." দ্বিতীয়ত, মুসলিমদের উন্নত যুদ্ধকৌশল, সামরিক দক্ষতা, নিয়মানুবর্তিতা এবং অপূর্ব শৃঙ্খলা বিজয়ের পথ প্রশস্ত করে। অপরদিকে, হিন্দুদের ত্রুটিপূর্ণ সনাতন যুদ্ধনীতি; সেকেলে যুদ্ধাস্ত্র ও অনুন্নত রণকৌশল তাদেরকে পরাজয়ের দিকে ঠেলে দেয়। তদুপরি তাদের মন্থরগতিসম্পন্নহস্তিবাহিনী মুসলিমদের ক্ষিপ্রগতির অশ্বারোহী বাহিনীর ক্ষিপ্র আক্রমণ প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়। তৃতীয়ত, জাতি ও বর্ণভেদ প্রথা হিন্দুদের মধ্যে চরম বৈষম্য তৈরি করেছিল। অপরদিকে সাম্য, মৈত্রী, ভ্রাতৃত্ব মুসলমানদের মধ্যে সংঘবদ্ধ আক্রমণে অনুপ্রাণিত করে। ফলে মুসলিমরা সহজেই বিজয় অর্জন করতে সক্ষম হন। চতুর্থত, মুসলমানদের মধ্যে কুতুবউদ্দিন আইবেক, বখতিয়ার খলজির মতো বহুসংখ্যক সুদক্ষ সেনাপতির আবির্ভাব ঘটেছিল। যারা যুদ্ধের ময়দানে বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়ে মুসলিম বিজয় ত্বরান্বিত করেছিল। পঞ্চমত, ভারতের অফুরন্ত ধনসম্পদ লাভের আকাঙ্ক্ষা মুসলমানদের ভারত আক্রমণে প্রলুব্ধ করে এবং বিজয় অর্জনে সক্ষম হয়। পরিশেষে বলা যায়, ভারতীয় রাজন্যবর্গের অনৈক্য, সামরিক অস্ত্র, দক্ষতার অভাব, রণকৌশলে দুর্বলতা মুহাম্মদ ঘুরীর সামরিক সফলতার পথকে প্রশস্ত করেছিল।

HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল

উক্ত শাসকের সামরিক সফলতার কারণগুলো উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

সুলতান শাহরিয়ার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পর স্বীয় কর্তৃত্ব সুপ্রতিষ্ঠিত করে পার্শ্ববর্তী রাজাদের বিরুদ্ধে সমর প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। পার্শ্ববর্তী রাজাদের মধ্যে একজন এ আক্রমণ সম্প্রসারণকে তার রাজ্যের প্রতি হুমকিস্বরূপ মনে করেন। সুলতান পার্শ্ববর্তী রাজার বিশাল বাহিনীর নিকট প্রথম যুদ্ধে পরাজিত হলেন। পরের বছর পরাজয়ের গ্লানি মুছে ফেলার উদ্দেশ্যে এবং রাজ্য বিস্তারের আশায় এক বিশাল বাহিনী নিয়ে রণক্ষেত্রে পুনরায় শিবির স্থাপন করেন। প্রতিপক্ষের সৈন্য সংখ্যা অধিক হওয়া সত্ত্বেও অসীম বীরত্ব, উন্নত মানের যুদ্ধ কৌশল এবং সাংগঠনিক ক্ষমতার দ্বারা বিজয়ীর গৌরব অর্জন করেন।

Dinajpur · 2025

উত্তর

মুহাম্মদ ঘুরীর প্রকৃত নাম মুইজউদ্দীন মুহাম্মদ বিন সাম।

উত্তর

ভ্রাতৃদ্বয়ের হত্যার প্রতিশোধ নিতে আলাউদ্দিন গজনি দখল করে -৭ দিন ৭ রাত ধ্বংসযজ্ঞ চালান এজন্য তাকে জাহানসুজ বলা হয়। জাহানসুজ অর্থ পৃথিবী ধ্বংসকারী। ঘুর নেতা আলাউদ্দিন হোসেন ১১৫১ খ্রিস্টাব্দে গজনি আক্রমণ করেন। কেননা গজনির শাসক তার দুই ভাইকে হত্যা করেছিল। তিনি গজনি দখল করে ভ্রাতৃহত্যার প্রতিশোধ গ্রহণের জন্য ৭ দিন ৭ রাত গজনি শহর অগ্নিদগ্ধ করার মাধ্যমে ধ্বংস করেন। যার কারণে তাকে জাহানসুজ বলা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের শাসকের সাথে আমার পঠিত শাসক মুহাম্মদ ঘুরির মিল লক্ষ করা যায়। উদ্দীপকে দেখা যায়, সুলতান শাহরিয়ার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পর স্বীয় কর্তৃত্ব সুপ্রতিষ্ঠিত করে পার্শ্ববর্তী রাজাদের বিরুদ্ধে সমর প্রস্তুতি - গ্রহণ করেন। তিনি পার্শ্ববর্তী রাজ্যকে হুমকিস্বরূপ মনে করে আক্রমণ করেন। তিনি প্রথমবার পরাজিত হলেও পরের বছর পরাজয়ের গ্লানি মুছে ফেলার উদ্দেশ্যে এবং রাজ্য বিস্তারের আশায় পুনরায় আক্রমণ করে বিজয়ী হন। উদ্দীপকের এ ঘটনার সাথে মুহাম্মদ ঘুরীর ভারত অভিযান ও তরাইনের প্রথম যুদ্ধে পরাজয় এবং পরবর্তীতে আবার ভারত অভিযান করে তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে বিজয় অর্জনের ঘটনা সাদৃশ্যপূর্ণ। মুহাম্মদ ঘুরী ১১৯১ খ্রিস্টাব্দে সুলতান, সিন্ধু, গুজরাট ও পাঞ্জাব অধিকার করে দিল্লি দখলের জন্য অগ্রসর হন। এ সংবাদে চৌহান বংশের রাজা পৃথ্বিরাজ উত্তর ভারতের হিন্দু রাজাদের সমন্বয়ে একটি কনফেডারেসি বা ঐক্যজোট গঠন করেন। অতঃপর পৃথ্বিরাজ থানেশ্বরের কাছাকাছি তরাইনের রণক্ষেত্রে সম্মিলিত বাহিনী নিয়ে মুহাম্মদ ঘুরীর মোকাবিলা করেন। এ যুদ্ধ তরাইনের ১ম যুদ্ধ নামে পরিচিত। এ যুদ্ধে মুহাম্মদ ঘুরী পরাজিত ও আহত হয়ে পালিয়ে যান। অতঃপর তিনি প্রথম যুদ্ধে পরাজয়ের গ্লানি মোচনের জন্য ১১৯২ খ্রিষ্টাব্দে ১ লক্ষ ২০ হাজার সৈন্যের বিশাল বাহিনী নিয়ে পুনরায় যুদ্ধ যাত্রা করেন। তাকে মোকাবিলা করার জন্য রাজা পৃথ্বিরাজ ১৫০ জন রাজপুত রাজার সমন্বয়ে ৩ লক্ষ সৈন্যের এক বিশাল বাহিনী গঠন করেন। যার মধ্যে ৩০০ হাতি ও সুসজ্জিত অশ্বারোহী বাহিনী ছিল। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা সত্ত্বেও মুহাম্মদ ঘুরীর উন্নত রণকৌশলের কাছে পৃথ্বিরাজের সম্মিলিত বাহিনীর পরাজয় ঘটে। পৃথ্বিরাজ পালাতে গিয়ে ধরা পড়েন এবং পরে নিহত হন। সুতরাং উদ্দীপকের শাসকের সাথে আমার পঠিত শাসক মুহাম্মদ ঘুরির। মিল লক্ষ করা যায়।

উত্তর

উক্ত শাসক তথা মুহাম্মদ ঘুরীর সামরিক সফলতার কারণগুলো ছিল উন্নত সামরিক কৌশল, শত্রুপক্ষের বিশৃঙ্খলা ও অদম্য সাহস। মুহাম্মদ ঘুরীর আক্রমণের সময়ে ভারতের রাজনৈতিক অবস্থা বিশৃঙ্খল ছিল এবং ভারত সামরিকভাবে দুর্বল ছিল। অপরদিকে, মুহাম্মদ ঘুরীর সেনাবাহিনী সুশৃঙ্খল ছিল, রণকৌশলে দক্ষ ছিল এবং তার সেনাপতিরা সুদক্ষ ছিল। মুহাম্মদ ঘুরীর সামরিক সফলতার কারণ হলো- প্রথমত, এসময় ভারতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজন্যবর্গের মধ্যে চরম দ্বন্দ্ব-কলহ বিরাজমান ছিল। মূলত রাজন্যবর্গের রাজনৈতিক অনৈক্য মুসলিম বাহিনীর সফলতার অন্যতম কারণ। ভি. ডি. মহাজন বলেন, "There was no one paramount power in the country at that time which could fight against the Muslims." দ্বিতীয়ত, মুসলিমদের উন্নত যুদ্ধকৌশল, সামরিক দক্ষতা, নিয়মানুবর্তিতা এবং অপূর্ব শৃঙ্খলা বিজয়ের পথ প্রশস্ত করে। অপরদিকে, হিন্দুদের ত্রুটিপূর্ণ সনাতন যুদ্ধনীতি; সেকেলে যুদ্ধাস্ত্র ও অনুন্নত রণকৌশল তাদেরকে পরাজয়ের দিকে ঠেলে দেয়। তদুপরি তাদের মন্থরগতিসম্পন্নহস্তিবাহিনী মুসলিমদের ক্ষিপ্রগতির অশ্বারোহী বাহিনীর ক্ষিপ্র আক্রমণ প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়। তৃতীয়ত, জাতি ও বর্ণভেদ প্রথা হিন্দুদের মধ্যে চরম বৈষম্য তৈরি করেছিল। অপরদিকে সাম্য, মৈত্রী, ভ্রাতৃত্ব মুসলমানদের মধ্যে সংঘবদ্ধ আক্রমণে অনুপ্রাণিত করে। ফলে মুসলিমরা সহজেই বিজয় অর্জন করতে সক্ষম হন। চতুর্থত, মুসলমানদের মধ্যে কুতুবউদ্দিন আইবেক, বখতিয়ার খলজির মতো বহুসংখ্যক সুদক্ষ সেনাপতির আবির্ভাব ঘটেছিল। যারা যুদ্ধের ময়দানে বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়ে মুসলিম বিজয় ত্বরান্বিত করেছিল। পঞ্চমত, ভারতের অফুরন্ত ধনসম্পদ লাভের আকাঙ্ক্ষা মুসলমানদের ভারত আক্রমণে প্রলুব্ধ করে এবং বিজয় অর্জনে সক্ষম হয়। পরিশেষে বলা যায়, ভারতীয় রাজন্যবর্গের অনৈক্য, সামরিক অস্ত্র, দক্ষতার অভাব, রণকৌশলে দুর্বলতা মুহাম্মদ ঘুরীর সামরিক সফলতার পথকে প্রশস্ত করেছিল।
HSCIslamic History 2nd paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-

Dhaka · 2017

  • রাজস্ব সংস্কারে
  • স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে
  • পুলিশ বিভাগের উন্নয়নে
  • শিক্ষার উন্নয়নে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?

Dhaka · 2017

  • মালিক সুলেমান
  • খিজির খান
  • মুবারক শাহ
  • মুহম্মদ শাহ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2017

  • আর্য
  • দ্রাবিড়
  • শক
  • কুষাণ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?
i. গজনী অধিকার
ii. হিরাত অধিকার
iii. উক্ত নগরী ধ্বংস সাধন নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2018

  • আর্য
  • শক্
  • হুন
  • দ্রাবিড়

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উক্ত আন্দোলনের ফলাফল ছিল-
i. শেখ মুজিবুর রহমান এর কারা মুক্তি
ii. আইয়ুবের পতন
iii. গণতান্ত্রিক শাসন কায়েম নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উদ্দীপকের অনুরূপ ৬৯'র গণঅভুত্থানে নিহতরা-

Dhaka · 2018

  • ড. শাসসুজ্জোহা ও আসাদ
  • তিউর ও বাবুল
  • সার্জেন্ট জহুরুল হক ও ওয়াজিউল্লাহ
  • মনু মিয়া ও মতিউর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?

Dhaka · 2018

  • ২৫ জন
  • ২৮ জন
  • ৩০ জন
  • ৩৫ জন

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

Combined · 2019

  • আগ্রাবাদ
  • কালুরঘাট
  • মুজিবনগর
  • মেহেরপুর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-
i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র
ii. স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা
iii. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.শেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-

Combined · 2019

  • হাসান
  • ইব্রাহিম
  • ফরিদ
  • ফজল

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

Combined · 2019

  • দাক্ষিণাত্য
  • দৌলতাবাদ
  • মুফাস্সরবাদ
  • আফগানপুর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?i. গজনী অধিকারii. হিরাত অধিকারiii. উক্ত ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যানিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যাআগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্রii. স্বাধীনতার দিক নশেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।