শেয়ারFacebookWhatsApp

আলাউদ্দীন হোসেনকে জাহান সুজ বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: ভ্রাতৃদ্বয়ের হত্যার প্রতিশোধ নিতে আলাউদ্দিন গজনি দখল করে ৭ দিন ৭ রাত ধ্বংসযজ্ঞ চালান এজন্য তাকে জাহানসুজ বলা হয়। জাহানসুজ অর্থ পৃথিবী ধ্বংসকারী। ঘুর নেতা আলাউদ্দিন হোসেন ১১৫১ খ্রিষ্টাব্দে গজনি আক্রমণ করেন। কেননা গজনির শাসক তার দুই ভাইকে হত্যা করেছিল। তিনি গজনি দখল করে ভ্রাতৃহত্যার প্রতিশোধ গ্রহণের জন্য ৭ দিন ৭ রাত গজনি শহর অগ্নিদগ্ধ করার মাধ্যমে ধ্বংস করেন। যার কারণে তাকে জাহানসুজ বলা হয়।

HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল

আলাউদ্দীন হোসেনকে জাহান সুজ বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

আহমদ শাহ ১৭৪৮ খ্রিষ্টাব্দে সিরহিন্দ আক্রমণ করেন। কিন্তু সিরহিন্দের শাসক মইন-উল-মূলক মানপুরের প্রথম যুদ্ধে তাকে পরাজিত করেন। আহমদ শাহ ১৭৪৯ খ্রিষ্টাব্দে শক্তিশালী বাহিনী নিয়ে ২য় যুদ্ধে সিরহিন্দের শাসনকর্তাকে পরাজিত করেন। আহমদ শাহ বিজয়ী অঞ্চলে তার সেনাপতিকে দায়িত্ব প্রদান করে রাজধানীতে প্রত্যাবর্তন করেন।

আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল · 2026

উত্তর

মুহাম্মদ ঘুরীর প্রকৃত নাম মুইজউদ্দিন মুহাম্মদ-বিন-সাম।

উত্তর

ভ্রাতৃদ্বয়ের হত্যার প্রতিশোধ নিতে আলাউদ্দিন গজনি দখল করে ৭ দিন ৭ রাত ধ্বংসযজ্ঞ চালান এজন্য তাকে জাহানসুজ বলা হয়। জাহানসুজ অর্থ পৃথিবী ধ্বংসকারী। ঘুর নেতা আলাউদ্দিন হোসেন ১১৫১ খ্রিষ্টাব্দে গজনি আক্রমণ করেন। কেননা গজনির শাসক তার দুই ভাইকে হত্যা করেছিল। তিনি গজনি দখল করে ভ্রাতৃহত্যার প্রতিশোধ গ্রহণের জন্য ৭ দিন ৭ রাত গজনি শহর অগ্নিদগ্ধ করার মাধ্যমে ধ্বংস করেন। যার কারণে তাকে জাহানসুজ বলা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনার সাথে আমার পঠিত মুহাম্মদ ঘুরীর ভারত আক্রমণ এবং তরাইনের প্রথম ও দ্বিতীয় যুদ্ধের মিল রয়েছে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- উদ্দীপকের আহমদ শাহ যেমন সিরহিন্দ আক্রমণ করে মানপুরের প্রথম যুদ্ধে ১৭৪৮ খ্রিষ্টাব্দে পরাজিত হন এবং ১৭৪৯ খ্রিস্টাব্দে মানপুরের দ্বিতীয় যুদ্ধে জয় লাভ করেন। তেমনি ঘটনা মুহাম্মদ ঘুরীর ক্ষেত্রে দেখা যায় মুহাম্মদ ঘুরী ১১৯১ খ্রিষ্টাব্দে মুলতান, সিন্ধু, গুজরাট ও পাঞ্জাব অধিকার করে দিল্লি দখলের জন্য অগ্রসর হন। এ সংবাদে চৌহান বংশের রাজা পৃথ্বিরাজ উত্তর ভারতের হিন্দু রাজাদের সমন্বয়ে একটি কনফেডারেসি বা ঐক্যজোট গঠন করেন। অতঃপর পৃথ্বিরাজ থানেশ্বরের কাছাকাছি তরাইনের রণক্ষেত্রে সম্মিলিত বাহিনী নিয়ে মুহাম্মদ ঘুরীর মোকাবিলা করেন। এ যুদ্ধ তরাইনের ১ম যুদ্ধ নামে পরিচিত। এ যুদ্ধে মুহাম্মদ ঘুরী পরাজিত ও আহত হয়ে পালিয়ে যান। অতঃপর মুহাম্মদ ঘুরী প্রথম যুদ্ধে পরাজয়ের গ্লানি মোচনের জন্য ১১৯২ খ্রিস্টাব্দে ১ লক্ষ ২০ হাজার সৈন্যের বিশাল বাহিনী নিয়ে পুনরায় যুদ্ধ যাত্রা করেন। তাকে মোকাবিলা করার জন্য রাজা পৃথ্বিরাজ ১৫০ জন রাজপুত রাজার সমন্বয়ে ৩ লক্ষ সৈন্যের এক বিশাল বাহিনী গঠন করেন। যার মধ্যে ৩০০ হাতি ও সুসজ্জিত অশ্বারোহী বাহিনী ছিল। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা সত্ত্বেও মুহাম্মদ ঘুরীর উন্নত রণকৌশলের কাছে পৃথ্বিরাজের সম্মিলিত বাহিনীর পরাজয় ঘটে। পথিরাজ পালাতে গিয়ে ধরা পড়েন এবং পরে নিহত হন। এভাবে মুহাম্মদ ঘুরী তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে জয়লাভ করে ভারতে স্থায়ী মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। যা আহমদ শাহের সিরহিন্দ আক্রমণ ও মানপুরের প্রথম ও দ্বিতীয় যুদ্ধের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর

উদ্দীপকের আহমদ শাহের মতো মুহাম্মদ ঘুরীও বিজয়ীর বেশে রাজধানীতে প্রত্যাবর্তন করেন। মন্তব্যটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত। নিচে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তা মূল্যায়ণ করা হলো- মুহাম্মদ ঘুরী ১১৯১ খ্রিস্টাব্দে তরাইনের প্রথম যুদ্ধে পরাজিত হয়েও নতুন উদ্যমে দ্বিতীয়বার ১১৯২ খ্রিষ্টাব্দে ভারত অভিযান করে তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে রাজা পৃথ্বিরাজকে পরাজিত করে ভারতবর্ষে স্থায়ী মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। তরাইনের যুদ্ধ ছিল ভাগ্যনির্ধারণী যুদ্ধ। ঈশ্বরী প্রসাদ বলেন, "He conquered the country and aimed at permanent settlement."১৭ অর্থাৎ, (মুহাম্মদ ঘুরী) বিজিত অঞ্চলে স্থায়ী শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। তরাইনের ২য় যুদ্ধে মুসলিম বাহিনী হিন্দু সামরিক নেতাদের হত্যা করেন। তরাইনের ২য় যুদ্ধে বিজয়ী হওয়ার পর মুসলিম বাহিনী একে একে বিভিন্ন অঞ্চল দখল করেন। তারা হানসি, খুরাম, সামান, আজমির দখল করেন। কুতুবউদ্দিনের নেতৃত্বে ১১৯৩ খ্রিষ্টাব্দ মিরাট, দিল্লি, কোইল (বর্তমান আলীগড়) মুসলমানদের দখলে আসে। কুতুবউদ্দিন দিল্লিতে রাজধানী স্থাপন করেন। ১১৯৪ খ্রিষ্টাব্দে মুহাম্মদ ঘুরী চান্দেয়ার যুদ্ধে কনৌজের রাজা জয়চন্দ্রকে পরাজিত করেন। একটি তীর জয়চন্দ্রের চোখে লাগে। এ আঘাতে তিনি মারা যান। অশনি (Asni) দুর্গে রক্ষিত জয়চন্দ্রের ধনসম্পদ মুহাম্মদ ঘুরী নিজে হস্তগত করেন। এরপর তিনি বেনারস দখল করেন। ভি. ডি. মহাজনের বর্ণনামতে, ১৪,০০০ উট ভর্তি ধনসম্পদ মুহাম্মদ ঘুরী অর্জন করেন। ১১৯৭ খ্রিষ্টাব্দে বদাউন, গুজরাট, মালব এবং ১২০২-০৩ খ্রিষ্টাব্দে কালিঞ্জর মুসলমানদের দখলে আসে। এভাবে ভারতের একটি বৃহৎ অংশ মুসলমানদের দখলে আসে। মুহাম্মদ ঘুরী ভারতবর্ষ শাসন পরিচালনার জন্য কুতুবউদ্দিন আইবেকের ওপর দায়িত্ব দিয়ে গজনিতে ফিরে যান। যার ফলে ভারতের রাজনৈতিক দিগন্তে আমূল পরিবর্তন সূচিত হয়। এভাবে ভারতে বিজয়ী হয়ে মুহাম্মদ ঘুরী তার সেনাপতি কুতুবউদ্দিন আইবেকের নিকট ভারতের শাসনভার অর্পণ করে স্বীয় রাজধানী গজনিতে ফিরে যান।
HSCIslamic History 2nd paperআইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল 2026
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?
i. গজনী অধিকার
ii. হিরাত অধিকার
iii. উক্ত নগরী ধ্বংস সাধন নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উক্ত আন্দোলনের ফলাফল ছিল-
i. শেখ মুজিবুর রহমান এর কারা মুক্তি
ii. আইয়ুবের পতন
iii. গণতান্ত্রিক শাসন কায়েম নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উদ্দীপকের অনুরূপ ৬৯'র গণঅভুত্থানে নিহতরা-

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-
i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র
ii. স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা
iii. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.শেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?i. গজনী অধিকারii. হিরাত অধিকারiii. উক্ত ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যানিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যাআগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্রii. স্বাধীনতার দিক নশেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।