শেয়ারFacebookWhatsApp

চিত্রের মুদ্রাগুলো যে সুলতান প্রচলন করেছিলেন তার অভ্যন্তরীণ শান্তিশৃঙ্খলা স্থাপনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: চিত্রে যে মুদ্রাগুলো দেওয়া হয়েছে সে মুদ্রাগুলো প্রচলন করেছিলেন সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবন। মেওয়াটের পার্বত্য অধিবাসী রাজপুতরা আইনশৃঙ্খলার মারাত্মক অবনতি ঘটায়। তারা প্রকাশ্যে দিবালোকে পথিকের সর্বস্ব ছিনতাই করত। পল্লিগ্রামে আকস্মিকভাবে আক্রমণ করত। এমনকি দিল্লির উপকণ্ঠেও জনসাধারণের জানমালের স্বাভাবিক নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়। বলবন তাদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান প্রেরণ করে তাদের শোচনীয়ভাবে পরাস্ত ও পর্যুদস্ত করে দেন। প্রত্যেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তিনি পুলিশ ফাঁড়ির ব্যবস্থা করেন। গিয়াসউদ্দিন বলবন ১২৬৭ খ্রিষ্টাব্দে সামরিক অভিযান প্রেরণ করে কাম্পিল, পাতিয়ালা ও ভোজপুরে অবস্থিত শত্রুদের ঘাঁটিগুলো দখল করেন। এ ঘাঁটিগুলো দখলের মাধ্যমে অনেক বিদ্রোহী নিহত ও গ্রেফতার হয়। দোয়াব অঞ্চলের বিদ্রোহীদের সাথে রোহিলাখণ্ডে বা কাথিয়ারের বিদ্রোহীরাও বিদ্রোহ ঘোষণা করে। তাদের অত্যাচারে এ অঞ্চলের ওপর সুলতানের নিয়ন্ত্রণ শূন্যের কোঠায় চলে আসে। সুলতান ১২৬৭ সালে সেনাবাহিনীর সহায়তায় বিদ্রোহীদের কঠোরভাবে দমন করেন। বলবনের মোঙ্গল নীতিগুলো হলো- ১. রাজধানী শত্রু কর্তৃক দখল হওয়ার আশঙ্কায় বলবন রাজধানী ত্যাগের সিদ্ধান্ত যথাসম্ভব মেনে চলেন। ২. কর্মক্ষম ও সৈনিক বাছাই করে বিভিন্ন সেনানিবাসে মোতায়েন করেন। ৩. পুরনো দুর্গ বা সেনানিবাসগুলো সংস্কার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নতুন সেনানিবাস স্থাপন করেন। ৪. সামানা, মুলতান ও দিপালপুর সীমান্তবর্তী প্রদেশ হিসেবে ঘোষিত হয় এবং সুযোগ্য ও দক্ষ শাসনকর্তার ওপর এসব প্রদেশের ভার ন্যস্ত করেন।

HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল

চিত্রের মুদ্রাগুলো যে সুলতান প্রচলন করেছিলেন তার অভ্যন্তরীণ শান্তিশ…

উদ্দীপক

চিত্রটি লক্ষ কর এবং নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।

উত্তর

সুলতান রাজিয়া ১২৪০ খ্রিষ্টাব্দে নিহত হন

উত্তর

দিল্লি তুর্কি আমিরদের নেতা আইতেগিন বা ইতিগিনের যোগসাজশে আলতুনিয়া সুলতান রাজিয়ার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। এ বিদ্রোহ রাজিয়ার সিংহাসনকে প্রবলভাবে নাড়া দিয়েছিল। সুলতান রাজিয়া ইয়াকুতসহ সসৈন্যে আলতুনিয়াকে দমন করতে দিল্লি থেকে রওয়ানা দেন। উভয়ের মাঝে সংঘর্ষ হলে ইয়াকুত নিহত হয় এবং সুলতান রাজিয়া কারারুদ্ধ হন। মুক্তিলাভের এবং সিংহাসন সংশ্লিষ্ট বিপদাপদ হতে নিরাপদ থাকার আশায় রাজিয়া আলতুনিয়াকে বিবাহ করা শ্রেয় মনে করেন এবং তাকে বিবাহ করেন। দিল্লিতে সুলতান রাজিয়ার অনুপস্থিতির সুযোগে ষড়যন্ত্রকারী অভিজাতগণ ইলতুৎমিশের পুত্র মুইজউদ্দিন বারাম শাহকে সুলতানরূপে সিংহাসনে বসান।

উত্তর

চিত্রে যে মুদ্রাগুলো দেওয়া হয়েছে সে মুদ্রাগুলো প্রচলন করেছিলেন সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবন। মেওয়াটের পার্বত্য অধিবাসী রাজপুতরা আইনশৃঙ্খলার মারাত্মক অবনতি ঘটায়। তারা প্রকাশ্যে দিবালোকে পথিকের সর্বস্ব ছিনতাই করত। পল্লিগ্রামে আকস্মিকভাবে আক্রমণ করত। এমনকি দিল্লির উপকণ্ঠেও জনসাধারণের জানমালের স্বাভাবিক নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়। বলবন তাদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান প্রেরণ করে তাদের শোচনীয়ভাবে পরাস্ত ও পর্যুদস্ত করে দেন। প্রত্যেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তিনি পুলিশ ফাঁড়ির ব্যবস্থা করেন। গিয়াসউদ্দিন বলবন ১২৬৭ খ্রিষ্টাব্দে সামরিক অভিযান প্রেরণ করে কাম্পিল, পাতিয়ালা ও ভোজপুরে অবস্থিত শত্রুদের ঘাঁটিগুলো দখল করেন। এ ঘাঁটিগুলো দখলের মাধ্যমে অনেক বিদ্রোহী নিহত ও গ্রেফতার হয়। দোয়াব অঞ্চলের বিদ্রোহীদের সাথে রোহিলাখণ্ডে বা কাথিয়ারের বিদ্রোহীরাও বিদ্রোহ ঘোষণা করে। তাদের অত্যাচারে এ অঞ্চলের ওপর সুলতানের নিয়ন্ত্রণ শূন্যের কোঠায় চলে আসে। সুলতান ১২৬৭ সালে সেনাবাহিনীর সহায়তায় বিদ্রোহীদের কঠোরভাবে দমন করেন। বলবনের মোঙ্গল নীতিগুলো হলো- ১. রাজধানী শত্রু কর্তৃক দখল হওয়ার আশঙ্কায় বলবন রাজধানী ত্যাগের সিদ্ধান্ত যথাসম্ভব মেনে চলেন। ২. কর্মক্ষম ও সৈনিক বাছাই করে বিভিন্ন সেনানিবাসে মোতায়েন করেন। ৩. পুরনো দুর্গ বা সেনানিবাসগুলো সংস্কার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নতুন সেনানিবাস স্থাপন করেন। ৪. সামানা, মুলতান ও দিপালপুর সীমান্তবর্তী প্রদেশ হিসেবে ঘোষিত হয় এবং সুযোগ্য ও দক্ষ শাসনকর্তার ওপর এসব প্রদেশের ভার ন্যস্ত করেন।

উত্তর

উক্ত মুদ্রাগুলো প্রচলনকারী শাসক হলেন সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবন। তিনি জায়গির প্রথা ও গুপ্তচর প্রথা বাতিল করেছিলেন। কুতুবউদ্দিন আইবেকের সময় হতে সৈন্যদের বেতনের পরিবর্তে জমি জায়গির দেওয়ার প্রথা চালু ছিল। বলবন কর্মরত সেনাদের বেতন হিসেবে জমির পরিবর্তে নগদ অর্থ দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। কেন্দ্রীয় সরকার সেনাদের মধ্যে বিতরণকৃত জমিগুলো থেকে রাজস্ব আদায় করে তা থেকে সেনাবাহিনীর বেতন দেওয়ার ব্যবস্থা করে। সালতানাতের অভ্যন্তরীণ রক্ষা ও বহিরাক্রমণ প্রতিহত করার উদ্দেশ্যে বলবন সামরিক বাহিনীকে পুনর্গঠন করেন। শৃঙ্খলা ও নৈতিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত কুচকাওয়াজের ব্যবস্থা করা হয়। এ সামরিক মহড়া হিসেবে সৈন্যবাহিনীকে অনেক দুর্গম অঞ্চলে যেতে হতো। গিয়াসউদ্দিন বলবনের শাসনামলে সৈন্যসংখ্যা পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। সেনাপতি ও সৈন্যদের বেতন-ভাতা ও মর্যাদা অনেক বৃদ্ধি করা হয়। এভাবে সামরিক বাহিনীকে পুনর্গঠন করে সুলতান নিজের ও সালতানাতের শক্তি ও মর্যাদা বহুগুণে বৃদ্ধি করতে সক্ষম হন। বলবন তার স্বৈরশাসন নীতি সফলভাবে চালিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে গুপ্তচর ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন। রাজধানী ও প্রদেশের কর্মকর্তা ও উচ্চাভিলাষী অভিজাতদের গোপন কার্যক্রম জানার উদ্দেশ্যে তিনি এ ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রচুর সময় ও অর্থ ব্যয় করেন। গুপ্তচর বা গোপন সংবাদ লেখকদের আকর্ষণীয় বেতন-ভাতা দেওয়া হতো। দায়িত্ব পালনে অবহেলার কারণে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা ছিল।
HSCIslamic History 2nd paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?
i. গজনী অধিকার
ii. হিরাত অধিকার
iii. উক্ত নগরী ধ্বংস সাধন নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উক্ত আন্দোলনের ফলাফল ছিল-
i. শেখ মুজিবুর রহমান এর কারা মুক্তি
ii. আইয়ুবের পতন
iii. গণতান্ত্রিক শাসন কায়েম নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উদ্দীপকের অনুরূপ ৬৯'র গণঅভুত্থানে নিহতরা-

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-
i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র
ii. স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা
iii. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.শেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?i. গজনী অধিকারii. হিরাত অধিকারiii. উক্ত ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যানিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যাআগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্রii. স্বাধীনতার দিক নশেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।