উক্ত শাসক রাজ্য বিজয়ে ছিলেন অনেকটাই সফল মূল্যায়ন 'কর।
উত্তর: ছবির শাসক হলেন আলাউদ্দিন খলজি। তিনি রাজ্য বিজয়ে অনেকটাই সফল ছিলেন। আলাউদ্দিন খলজি একজন উচ্চাভিলাষী, যুদ্ধপ্রিয় ও সাম্রাজ্যবাদী শাসক ছিলেন। তিনি নিজেকে দ্বিতীয় আলেকজান্ডার ভাবতেন। গুজরাট ছিল অত্যন্ত সমৃদ্ধিশালী অঞ্চল। বিখ্যাত সোমনাথ মন্দির গুজরাটে অবস্থিত। বাখেলা রাজপুত বংশীয় কর্ণদেব বা রায়করণ ছিলেন গুজরাটের রাজা। সুলতান স্বীয় ভাই উলুঘ খান ও মন্ত্রী নুসরাত খানের অধীনে গুজরাটে একটি বাহিনী প্রেরণ করেন। যুদ্ধে গুজরাট রাজ রায়কর্ণদের পরাজিত হন। রাখি কমলাদেবী বন্দি হন এবং আলাউদ্দিন কমলা দেবীকে বিবাহ করেন। ফলে গুজরাট দিল্লি সম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হন। রণথম্ভোর ছিল রাজস্থানের অন্তর্গত এবং সামরিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। চৌহান বংশীয় রাজা তৃতীয় পৃথ্বীরাজের বংশধর হামিরদেব ছিলেন রণথম্ভোরের রাজা। সুলতান রণথম্ভোর অবরোধ করেন। সুলতান হামিদেবের সেনাপতি রণমলের বিশ্বাসঘাতকতায় রণথম্ভোর দখল করতে সক্ষম হন। উলুঘ খানের ওপর রণথম্ভোরের শাসন ভার দেওয়া হয়। মেবার রাজ্যের রাজধানী ছিল চিতোর। মেবারের রাজা ছিলেন রতন সিংহ। আলাউদ্দিন খলজি মেবারে দিল্লির প্রভুত্ব স্থাপনের উদ্দেশ্যে চিতোর দখল অভিযান প্রেরণ করেন এবং দখল করেন। আলাউদ্দিন খলজি মালবকে দিল্লি সাম্রাজ্যভুক্ত করার জন্য সামরিক অভিযান প্রেরণ করেন। আইন-উল- মুলক ছিলেন মুসলিম বাহিনীর প্রধান। এ বাহিনীতে দশ হাজার সৈন্য ছিল। মালবের রাজা ছিলেন রায় মাহলাকদেব। রাজস্থানের অন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য ছিল মারওয়ার সুলতান নিজে এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন। এ রাজ্যের বিখ্যাত দুর্গ ছিল সিওয়ানা দুর্গ। সিওয়ানা দুর্গ প্রধান সাতালদের খলজির বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলে। কিন্তু শেষ পর্যায়ে পরাজিত হয়। জালোর ছিল রাজস্থানের অন্তর্গত মারওয়ারের প্রতিবেশী রাজ্য। জালোরের রাজা ছিলেন কানহোরদেব। তিনি সুলতানের বশ্যতা স্বীকার করতে অস্বীকার করেন। সলাতান একটি সামরিক বাহিনী প্রেরণ করে। এ বাহিনীর নিকট জালোর রাজা পরাজিত ও নিহত হয়। জালোর পতনের সাথে সাথে ছোটখাটো রাজপুত রাজ্যগুলো সুলতানের নিকট আনুগত্য প্রকাশ করে। এর সাথে সুলতানের উত্তর ভারতমুখি অভিযানের পরিসমাপ্তি ঘটে।
HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল
উক্ত শাসক রাজ্য বিজয়ে ছিলেন অনেকটাই সফল মূল্যায়ন 'কর।
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর