শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের আলোকে উক্ত শাসকের সংস্কার কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন করো।

উত্তর: সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলকের সংস্কার কার্যক্রম সাময়িকভাবে প্রজাদের জন্য কল্যাণকর হলেও তা পরবর্তী সময়ে দিল্লি সালতানাতের জন্য ক্ষতিকর হয়েছিল। প্রজাহিতৈষী শাসক ফিরোজ শাহ তুঘলক শাসনক্ষমতা লাভের পর দরিদ্র ও অনাথদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা, দরিদ্র পরিবারের মেয়েদের বিয়ের ব্যবস্থা, অনাথ ও বিধবাদের ভরণপোষণ, পথিক এবং গরিবদের জন্য সরাইখানা চালু ও নলকূপ স্থাপন করে পানীয় জলের ব্যবস্থা করেন। তবে ফিরোজ শাহের এসব কার্যক্রমে রাজকোষে অর্থের সংকট দেখা দেয়, যা দিল্লি সালতানাতের পতনের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হয়। সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলকের ১,৮০,০০০ ক্রীতদাস ছিল। এদের লালন- পালনে প্রচুর অর্থের অপচয় হতো। সুলতান দাসদের কল্যাণের জন্য দেওয়ান-ই-বন্দেগান নামে একটি বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন। এই দাসরা পরবর্তী সময়ে নানা ধরনের অপকর্ম এবং ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে তুঘলক বংশের পতন ত্বরান্বিত করে। ফিরোজ শাহের আরেকটি বড় ভুল ছিল জায়গিরদারি প্রথার পুনঃপ্রবর্তন। এর ফলে অভিজাতশ্রেণি ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠে এবং কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ শিথিল হয়ে পড়ে। সুলতান সেনাবাহিনীতে বংশানুক্রমিক চাকরি লাভের অধিকার দেন। এর ফলে যোগ্য সৈনিকের অভাবে সেনাবাহিনী দুর্বল হয়ে পড়ে। সুলতান যুদ্ধনীতি পরিহার করায় বাংলাসহ সাম্রাজ্যের কয়েকটি প্রদেশ স্বাধীন হয়ে যায়। তিনি শাসনকাজে সুন্নি উলামাদের প্রাধান্য দেওয়ায় শিয়া মুসলমান ও হিন্দু সম্প্রদায়ের রোষাণলে পড়েন। তার সময়ে অপরাধীদের কঠিন শাস্তি দেওয়া বন্ধ করার ফলে দুর্নীতি বেড়ে যায় এবং দুর্নীতিপরায়ণ কর্মচারীরা সরকারি অর্থ-সম্পদ লুট করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আর এ সব কর্মকাণ্ড তুঘলক বংশকে পতনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেয়। উদ্দীপকে বর্ণিত শাসক জনাব আলিমের জনহিতকর কার্যক্রমের ফলে রাজকোষ শূন্য হয়ে পড়ে। ঠিক একইভাবে ফিরোজ শাহ তুঘলকের শাসননীতি ও কার্যাবলির জন্য প্রচুর অর্থ খরচ হয়। ফলে অর্থের অভাবে সেনাবাহিনী দুর্বল হয়ে পড়ে, যা তুঘলক বংশের পতন এমনকি দিল্লি সালতানাতের পতনের পথকে সুগম করে। সুতরাং বলা যায়, ফিরোজ শাহ তুঘলকের সংস্কার কার্যক্রম দিল্লি সালতানাতের জন্য সুফল নিয়ে আসেনি।

HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকের আলোকে উক্ত শাসকের সংস্কার কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন করো।

উদ্দীপক

জনাব আলিম এক সংকটাপন্ন অবস্থায় অনিচ্ছা সত্ত্বেও দেশের শাসন ক্ষমতা গ্রহণ করেন। তিনি কর আদায়ে উদারতা ও যুদ্ধ অপেক্ষা শান্তিতে বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি কর্মসংস্থান এবং কন্যাদায়গ্রস্ত পিতাদের সহায়তাদানসহ বহু জনহিতকর কাজ সম্পাদন করেন। এতে রাজকোষের ঘাটতি দেখা দিলেও একজন প্রজাহিতৈষী শাসক হিসেবে তিনি স্মরণীয় হয়ে আছেন।

Combined · 2018

উত্তর

কবি আমির খসরুকে 'ভারতের তোতাপাখি' বলা হয়।

উত্তর

সুলতান আলাউদ্দিন খলজির সময় (১২৯৬-১৩১৬ খ্রি.) দাক্ষিণাত্য বিজয়ের জন্য মালিক কাফুর বিশেষ খ্যাতি লাভ করেন। মালিক কাফুর ছিলেন একজন খোজা হিন্দু। সুলতান আলাউদ্দিন খলজির গুজরাট অভিযানের সময় (১২৯৭ খ্রি.) তিনি বন্দি হয়ে দিল্লিতে আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং নিজের যোগ্যতার কারণে সুলতানের প্রধান সেনাপতি হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন। সুলতান ভারতবর্ষের দক্ষিণাঞ্চলে অভিযান পরিচালনার জন্য মালিক কাফুরকে পাঠান। ১৩০৬ খ্রিষ্টাব্দে দেবগিরির রাজা রামচন্দ্রকে পরাজিত করার মধ্য দিয়ে মালিক কাফুর দাক্ষিণাত্যে অভিযান শুরু করেন। পরে তিনি বরঙ্গল, দ্বারসমুদ্র, হোয়াসল, পাণ্ড্যরাজ্য প্রভৃতি জয় করে পুরো দাক্ষিণাত্যে সুলতান আলাউদ্দিন খলজির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন। দাক্ষিণাত্যে সফল অভিযানের কারণে মালিক কাফুর ব্যাপক খ্যাতি লাভ করেন।

উত্তর

উদ্দীপকের শাসকের সাথে তুঘলক বংশের শাসক ফিরোজ শাহ তুঘলকের সাদৃশ্য রয়েছে। দিল্লির সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলক ছিলেন একজন দয়ালু, উদার, ধার্মিক ও প্রজাকল্যাণকামী শাসক। তিনি অযথা রক্তপাত না করার নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন। তাই রাজ্য বিজয়ের পরিবর্তে প্রজাদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ নানা রকমের মানবকল্যাণমূলক কাজে ফিরোজ শাহ বিশেষ মনোযোগ দিয়েছিলেন। উদ্দীপকে বর্ণিত শাসক জনাব আলিমের ক্ষেত্রেও এরূপ বিষয় দেখা যায়। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, জনাব আলিমের শাসক হওয়ার কোনো ইচ্ছে ছিল না। তবে দেশের এক সংকটময় মুহূর্তে তিনি বাধ্য হয়ে শাসনভার গ্রহণ করেন। জনাব আলিম যুদ্ধের পরিবর্তে শান্তিপূর্ণ নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন এবং কর আদায়ের ক্ষেত্রে উদারতা দেখান। অনুরূপভাবে ১৩৫১ খ্রিষ্টাব্দে দিল্লির সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলকের মৃত্যুর পর সাম্রাজ্যে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। এ অবস্থায় ফিরোজ শাহ তুঘলক অনিচ্ছা সত্ত্বেও আমির-ওমরাদের 'অনুরোধে সালতানাতের শাসনভার গ্রহণ করেন। সুলতান হয়ে ফিরোজ শাহ প্রজাদের সুবিধার জন্য ২৩ প্রকার কর রহিত করেন। তিনি শান্তির নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন বলে যুদ্ধ-বিগ্রহ পছন্দ করতেন না। এ সময় দাক্ষিণাত্যের কয়েকটি রাজ্য স্বাধীন হয়ে যায়। সুলতান সেগুলো পুনরুদ্ধারের চেষ্টা না করে প্রজাকল্যাণে নানা উদ্যোগ নেন। তিনি দরিদ্র প্রজাদের সাহায্য ও তাদের কন্যাদের বিবাহদান এবং অনাথ ও বিধবাদের ভরণপোষণের জন্য 'দেওয়ান-ই-খয়রাত' বিভাগ স্থাপন করেন। তার মানবকল্যাণমূলক কাজগুলো ইতিহাসে 'মাতামহী সুলভব্যবস্থা' নামে, পরিচিত। উদ্দীপকের জনাব আলিমও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা এবং কন্যাদায়গ্রস্ত পিতাদের সহায়তাদানসহ বহু জনহিতকর কাজ সম্পাদন করেন। সুতরাং বলা যায়, জনাব আলিমের সাথে তুঘলক বংশের শাসক ফিরোজ শাহ তুঘলকের সাদৃশ্য রয়েছে।

উত্তর

সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলকের সংস্কার কার্যক্রম সাময়িকভাবে প্রজাদের জন্য কল্যাণকর হলেও তা পরবর্তী সময়ে দিল্লি সালতানাতের জন্য ক্ষতিকর হয়েছিল। প্রজাহিতৈষী শাসক ফিরোজ শাহ তুঘলক শাসনক্ষমতা লাভের পর দরিদ্র ও অনাথদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা, দরিদ্র পরিবারের মেয়েদের বিয়ের ব্যবস্থা, অনাথ ও বিধবাদের ভরণপোষণ, পথিক এবং গরিবদের জন্য সরাইখানা চালু ও নলকূপ স্থাপন করে পানীয় জলের ব্যবস্থা করেন। তবে ফিরোজ শাহের এসব কার্যক্রমে রাজকোষে অর্থের সংকট দেখা দেয়, যা দিল্লি সালতানাতের পতনের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হয়। সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলকের ১,৮০,০০০ ক্রীতদাস ছিল। এদের লালন- পালনে প্রচুর অর্থের অপচয় হতো। সুলতান দাসদের কল্যাণের জন্য দেওয়ান-ই-বন্দেগান নামে একটি বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন। এই দাসরা পরবর্তী সময়ে নানা ধরনের অপকর্ম এবং ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে তুঘলক বংশের পতন ত্বরান্বিত করে। ফিরোজ শাহের আরেকটি বড় ভুল ছিল জায়গিরদারি প্রথার পুনঃপ্রবর্তন। এর ফলে অভিজাতশ্রেণি ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠে এবং কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ শিথিল হয়ে পড়ে। সুলতান সেনাবাহিনীতে বংশানুক্রমিক চাকরি লাভের অধিকার দেন। এর ফলে যোগ্য সৈনিকের অভাবে সেনাবাহিনী দুর্বল হয়ে পড়ে। সুলতান যুদ্ধনীতি পরিহার করায় বাংলাসহ সাম্রাজ্যের কয়েকটি প্রদেশ স্বাধীন হয়ে যায়। তিনি শাসনকাজে সুন্নি উলামাদের প্রাধান্য দেওয়ায় শিয়া মুসলমান ও হিন্দু সম্প্রদায়ের রোষাণলে পড়েন। তার সময়ে অপরাধীদের কঠিন শাস্তি দেওয়া বন্ধ করার ফলে দুর্নীতি বেড়ে যায় এবং দুর্নীতিপরায়ণ কর্মচারীরা সরকারি অর্থ-সম্পদ লুট করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আর এ সব কর্মকাণ্ড তুঘলক বংশকে পতনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেয়। উদ্দীপকে বর্ণিত শাসক জনাব আলিমের জনহিতকর কার্যক্রমের ফলে রাজকোষ শূন্য হয়ে পড়ে। ঠিক একইভাবে ফিরোজ শাহ তুঘলকের শাসননীতি ও কার্যাবলির জন্য প্রচুর অর্থ খরচ হয়। ফলে অর্থের অভাবে সেনাবাহিনী দুর্বল হয়ে পড়ে, যা তুঘলক বংশের পতন এমনকি দিল্লি সালতানাতের পতনের পথকে সুগম করে। সুতরাং বলা যায়, ফিরোজ শাহ তুঘলকের সংস্কার কার্যক্রম দিল্লি সালতানাতের জন্য সুফল নিয়ে আসেনি।
HSCIslamic History 2nd paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?
i. গজনী অধিকার
ii. হিরাত অধিকার
iii. উক্ত নগরী ধ্বংস সাধন নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উক্ত আন্দোলনের ফলাফল ছিল-
i. শেখ মুজিবুর রহমান এর কারা মুক্তি
ii. আইয়ুবের পতন
iii. গণতান্ত্রিক শাসন কায়েম নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উদ্দীপকের অনুরূপ ৬৯'র গণঅভুত্থানে নিহতরা-

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-
i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র
ii. স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা
iii. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.শেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?i. গজনী অধিকারii. হিরাত অধিকারiii. উক্ত ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যানিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যাআগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্রii. স্বাধীনতার দিক নশেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।