শেয়ারFacebookWhatsApp

“মাহমুদ শাহ” – এর ধর্মীয় দর্শন এবং তার রাজনীতি ভারতের সাম্প্রদায়িক সম্পর্কের উপর কী ধরনের প্রভাব ফেলেছিল?

উত্তর: মাহমুদ শাহের সাদৃশ্যপূর্ণ সম্রাট আকবরের ধর্মনীতি বা ধর্মীয় দর্শন তার রাজনীতি ভারতের সাম্প্রদায়িক সম্পর্কে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল।ধর্মীয় দর্শন 'ধর্ম হিসেবে দীন-ই-ইলাহির সফলতা বা ব্যর্থতা তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ মঙ্গলজনক ফলাফল এনেছিল'। মুঘল সম্রাট জালালউদ্দিন মোহাম্মদ আকবর তার ক্ষমতাকে সুসংহত করার জন্যই নতুন ধর্মমতের প্রবর্তন করেন। যদিও আকবরের দ্বীন-ই-ইলাহির প্রবর্তনের নেপথ্যে বংশীয় ও পারিবারিক প্রভাব, গৃহশিক্ষকের প্রভাব, সুফিবাদের প্রভাব, রাজপুত স্ত্রীদের প্রভাব, জৈনধর্মের প্রভাব, যুগ ধর্মের প্রভাব, মাহদি ও রাসনি মতের প্রভাব বিদ্যমান। তবুও একথা বলতে হয় যে, আকবরের দ্বীন-ই-ইলাহির প্রবর্তনের উদ্দেশ্য ছিল প্রধানত রাজনৈতিক, ধর্মীয় নয়। ভারতে মুঘল শক্তির স্থায়িত্ব বিধানের স্বার্থে হিন্দু-মুসলিম নাগরিকদের মধ্যে একটি ঐক্য ও প্রীতির বন্ধন গড়ে তোলার উদ্দেশ্যেই সম্রাট ধর্মীয় ক্ষেত্রে উদার নীতি ও দ্বীন-ই-ইলাহি প্রবর্তন করেছিলেন। তিনি নিজে নিষ্ঠাবান মুসলমান হওয়া সত্ত্বেও অন্য ধর্মমতের প্রতি সহিষ্ণু ছিলেন। তার রাজ্যে বসবাসকারী বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীগণের অনুষ্ঠান ভিত্তিক ধর্মীয় আচরণের মত পার্থক্য, দূর করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করেন। শাসন পরিচালনায় অন্যান্য ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের সাহায্য লাভের উদ্দেশ্যেই সার্বজীন ধর্মমত দ্বীন-ই-ইলাহির প্রবর্তন করেন। সুতরাং বলতে পারি তার এই আন্তঃধর্মীয় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার জন্যই তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাসকের মর্যাদা অর্জনে সক্ষম হয়েছিলেন।পরিশেষে বলা যায়, আকবরের ধর্মীয় দর্শন দ্বীন-ই-ইলাহি ব্যর্থ হলেও রাজনেতিক ক্ষেত্রে এর প্রভাব মঙ্গলজনক ছিল।

HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল

“মাহমুদ শাহ” – এর ধর্মীয় দর্শন এবং তার রাজনীতি ভারতের সাম্প্রদায়িক …

উদ্দীপক

সম্রাট 'মাহমুদ শাহ' তার শাসনকালে ধর্মীয় ভেদাভেদ ও সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ দূর করতে একটি অনন্য ধর্মীয় দর্শন প্রবর্তন করেন। তিনি রাজকীয় শাসনব্যবস্থার ধর্মীয় সহনশীলতা ও সাংস্কৃতিক সমন্বয়ের প্রতি গুরুত্ব দেয়। তার এই দর্শন ছিল মূলত বিভিন্ন ধর্মের মধ্যে শান্তি ও সহযোগিতা স্থাপন এবং জনগণের মধ্যে একতা বজায় রাখা। মাহমুদ শাহ মুঘল রাজত্বের জন্য নতুন একটি ধর্মীয় আদর্শ তৈরি করেন, যেখানে তিনি হিন্দু, মুসলিম, জৈন এবং অন্যান্য ধর্মের প্রতি সমান শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতেন। তার শাসনামলে বিভিন্ন ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তিনি একটি সমন্বিত সমাজ গঠনের চেষ্টা করেন।

বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ · 2025

উত্তর

শেষ মুঘল সম্রাটের নাম দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ।

উত্তর

আফগান শাসক শেরশাহের সময়ে নির্মিত একটি ঐতিহাসিক মহাসড়ক এর নাম হলো গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড। শেরশাহ বহু সুন্দর ও প্রশস্ত রাস্তা নির্মাণ করেছিলেন। তার নির্মিত রাস্তাসমূহের মধ্যে প্রধান ছিলেন 'সড়ক-ই-আযম' বা গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড। এটি ছিল প্রায় ১৫০০ মাইল দীর্ঘ। এই রাস্তাটি পূর্ববঙ্গের সোনারগাঁও থেকে সিন্ধু নদ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। সাধারণ পথিককে সূর্যের উত্তাপ থেকে রক্ষার জন্য রাস্তার দু'ধারে ছায়াপ্রদ ও ফলদ গাছ লাগানো হয়েছিল। এছাড়া দু'ক্রোশ অন্তর মুসাফিরখানা ছিল।

উত্তর

মাহমুদ শাহ-এর ধর্মীয় দর্শন কী ছিল দ্বীন-ই-ইলাহি। তার শাসনামলে এটি বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয় কিন্তু তার প্রচেষ্টা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।উদ্দীপকের সম্রাট 'মাহমুদ শাহ' তার শাসনকালে ধর্মীয় ভেদাভেদ ও সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ দূর করতে একটি অনন্য ধর্মীয় দর্শন প্রবর্তন করেন। তিনি রাজকীয় শাসনব্যবস্থার ধর্মীয় সহনশীলতা ও সাংস্কৃতিক সমন্বয়ের প্রতি গুরুত্ব দেয়। তদ্রুপ মুঘল সম্রাট আকবরও 'দ্বীন-ই-ইলাহি' নামক নতুন ধর্মমত প্রচলন করে সকলকে এক ধর্মের ছায়ায় আনতে চেয়েছিলেন। মুঘল সম্রাট আকবর পারিপার্শ্বিক প্রভাবে প্রভাবান্বিত হয়ে ১৫৮২ খ্রিষ্টাব্দে 'দ্বীন-ই-ইলাহি' নামক একটি নতুন ধর্মমতের প্রচলন করেন। সম্রাট আকবর সর্বপ্রথম রাষ্ট্রনীতিকে ইসলাম তথা উলেমাদের প্রভাবমুক্ত করে হিন্দু-মুসলমান মিলনের ভিত্তিতে ভারতীয় জাতীয়তা প্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হন। মুঘল সম্রাট আকবর চেয়েছিলেন সকল ধর্ম মিলে একটি ধর্ম প্রতিষ্ঠা করা এবং ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল ভারতবাসীকে একটি ধর্মীয় ছাতার নিচে সমাবেশ করা। জেসুইট ধর্মযাজক রিডেলফো আকুয়ভিভ ও ফাদার মানসারেট, পার্সি অগ্নি উপাসক দস্তুর মেহেরজী রানা, হিন্দু ব্রাহ্মণ পণ্ডিত দেবী ও পুরুষোত্তম, জৈন তির্থংকর হীরা ভিজয় সুরী বিজয় সেন প্রমুখ। এসব আলোচনায় ধর্মে ধর্মে পারস্পরিক বিদ্বেষ, হানাহানি এবং বিপরীত চিন্তা আকবরকে ব্যথিত করে তোলে। তিনি এ থেকে উত্তরণের জন্য সব ধর্মকে একসূত্রে গাঁথার উপায় খুঁজতে থাকে। এ লক্ষ্যে ধর্মক্ষেত্রে উলেমাদের একাধিপত্য খর্ব করার জন্য সম্রাট ১৫৭৯ খ্রিষ্টাব্দের জুন মাসে, একটি ডিক্রি জারি করেন। অতঃপর ১৫৮২ সালে সম্রাট আকবর 'দ্বীন-ই-ইলাহি' করেন। পরিশেষে বলা যায়, সম্রাট মাহমুদ শাহেব ধর্মীয় দর্শনের সাথে মুঘল সম্রাট আকবরের ধর্মমত প্রবর্তনের মিল পাওয়া যায়।

উত্তর

মাহমুদ শাহের সাদৃশ্যপূর্ণ সম্রাট আকবরের ধর্মনীতি বা ধর্মীয় দর্শন তার রাজনীতি ভারতের সাম্প্রদায়িক সম্পর্কে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল।ধর্মীয় দর্শন 'ধর্ম হিসেবে দীন-ই-ইলাহির সফলতা বা ব্যর্থতা তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ মঙ্গলজনক ফলাফল এনেছিল'। মুঘল সম্রাট জালালউদ্দিন মোহাম্মদ আকবর তার ক্ষমতাকে সুসংহত করার জন্যই নতুন ধর্মমতের প্রবর্তন করেন। যদিও আকবরের দ্বীন-ই-ইলাহির প্রবর্তনের নেপথ্যে বংশীয় ও পারিবারিক প্রভাব, গৃহশিক্ষকের প্রভাব, সুফিবাদের প্রভাব, রাজপুত স্ত্রীদের প্রভাব, জৈনধর্মের প্রভাব, যুগ ধর্মের প্রভাব, মাহদি ও রাসনি মতের প্রভাব বিদ্যমান। তবুও একথা বলতে হয় যে, আকবরের দ্বীন-ই-ইলাহির প্রবর্তনের উদ্দেশ্য ছিল প্রধানত রাজনৈতিক, ধর্মীয় নয়। ভারতে মুঘল শক্তির স্থায়িত্ব বিধানের স্বার্থে হিন্দু-মুসলিম নাগরিকদের মধ্যে একটি ঐক্য ও প্রীতির বন্ধন গড়ে তোলার উদ্দেশ্যেই সম্রাট ধর্মীয় ক্ষেত্রে উদার নীতি ও দ্বীন-ই-ইলাহি প্রবর্তন করেছিলেন। তিনি নিজে নিষ্ঠাবান মুসলমান হওয়া সত্ত্বেও অন্য ধর্মমতের প্রতি সহিষ্ণু ছিলেন। তার রাজ্যে বসবাসকারী বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীগণের অনুষ্ঠান ভিত্তিক ধর্মীয় আচরণের মত পার্থক্য, দূর করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করেন। শাসন পরিচালনায় অন্যান্য ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের সাহায্য লাভের উদ্দেশ্যেই সার্বজীন ধর্মমত দ্বীন-ই-ইলাহির প্রবর্তন করেন। সুতরাং বলতে পারি তার এই আন্তঃধর্মীয় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার জন্যই তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাসকের মর্যাদা অর্জনে সক্ষম হয়েছিলেন।পরিশেষে বলা যায়, আকবরের ধর্মীয় দর্শন দ্বীন-ই-ইলাহি ব্যর্থ হলেও রাজনেতিক ক্ষেত্রে এর প্রভাব মঙ্গলজনক ছিল।
HSCIslamic History 2nd paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-

Dhaka · 2017

  • রাজস্ব সংস্কারে
  • স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে
  • পুলিশ বিভাগের উন্নয়নে
  • শিক্ষার উন্নয়নে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?

Dhaka · 2017

  • মালিক সুলেমান
  • খিজির খান
  • মুবারক শাহ
  • মুহম্মদ শাহ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2017

  • আর্য
  • দ্রাবিড়
  • শক
  • কুষাণ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?
i. গজনী অধিকার
ii. হিরাত অধিকার
iii. উক্ত নগরী ধ্বংস সাধন নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2018

  • আর্য
  • শক্
  • হুন
  • দ্রাবিড়

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উক্ত আন্দোলনের ফলাফল ছিল-
i. শেখ মুজিবুর রহমান এর কারা মুক্তি
ii. আইয়ুবের পতন
iii. গণতান্ত্রিক শাসন কায়েম নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উদ্দীপকের অনুরূপ ৬৯'র গণঅভুত্থানে নিহতরা-

Dhaka · 2018

  • ড. শাসসুজ্জোহা ও আসাদ
  • তিউর ও বাবুল
  • সার্জেন্ট জহুরুল হক ও ওয়াজিউল্লাহ
  • মনু মিয়া ও মতিউর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?

Dhaka · 2018

  • ২৫ জন
  • ২৮ জন
  • ৩০ জন
  • ৩৫ জন

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

Combined · 2019

  • আগ্রাবাদ
  • কালুরঘাট
  • মুজিবনগর
  • মেহেরপুর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-
i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র
ii. স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা
iii. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.শেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-

Combined · 2019

  • হাসান
  • ইব্রাহিম
  • ফরিদ
  • ফজল

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

Combined · 2019

  • দাক্ষিণাত্য
  • দৌলতাবাদ
  • মুফাস্সরবাদ
  • আফগানপুর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?i. গজনী অধিকারii. হিরাত অধিকারiii. উক্ত ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যানিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যাআগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্রii. স্বাধীনতার দিক নশেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।