শেয়ারFacebookWhatsApp

তুমি কি মনে কর, উক্ত কারণগুলোর ফলেই মুঘল সাম্রাজ্যের পতন ঘটেছিল? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর: না, আমি মনে করি উক্ত কারণগুলোর ফলেই মুঘল সাম্রাজ্যের পতন ঘটেনি। তাদের পতনের পিছনে আরও কারণ ছিল।মুঘলদের পতনের প্রাকৃতিক কারণ সম্প্রদয়ের বিশালতা, হিন্দুদের বিরোধিতা ও বাহ্যিক আক্রমণ অত্যতম কারণ ছিল। ভাঙাগড়া পৃথিবীর চিরন্তন রীতি। কোনোকিছু গড়ার সময় যেরূপ অদম্য উৎসাহ-উদ্দীপনা থাকে, অবক্ষয়ের যুগে তা সেরূপ থাকে না। মুঘল সাম্রাজ্যের প্রথম ছয় জন শাসকের কর্মনিষ্ঠ, অদম্য উৎসাহ, পরিশ্রম করার মানসিকতা ইত্যাদি ইতিবাচক গুণগুলো যে পরিমাণ ছিল পরবর্তী শাসকদের তার কিছুই ছিল না। ফলে স্বাভাবিক কারণেই মুঘল সাম্রাজ্যের ভিত দুর্বল হয়ে পড়ে। উত্তরে আফগানিস্তান, পূর্বে আসাম, পশ্চিমের কাশ্মীর ও দক্ষিণে মহীশূর পর্যন্ত মুঘল সাম্রাজ্য বিস্তৃত ছিল। মধ্যযুগে বিশাল সাম্রাজ্য একজন শাসকের পক্ষে শাসন করা ছিল খুব কষ্টকর। সাম্রাজ্যের বিশালতার সুযোগে বিদ্রোহিগণ বিদ্রোহ করতে উৎসাহবোধ করত। এতে করে মুঘল সাম্রাজ্যের পতন হয়। এছাড়া সৈন্যবাহিনীর, নৈতিক অধঃপতনও মুঘলদের পতনে ভূমিকা রাখে। তাছাড়া শাহজাহানের অমিত ব্যয় এবং আওরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য অভিযানের ব্যয়ে রাজকোষে আর্থিক সংকট দেখা দেয়। পরবর্তী শাসকদের আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি হতো, ফলে চরম আর্থিক সংকটে পতিত হয়ে এ সাম্রাজ্যের পতন ঘটে। মুঘল শাসনামলের শেষদিকে হিন্দু জাতীয়তাবাদী আন্দোলন, বিশেষ করে মারাঠা, শিখ ও রাজপুত তথা গোটা হিন্দু জাতির পুনর্জাগরণ, প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ড এবং তাদের বিদ্রোহ মুঘল শক্তি বিনষ্ট করে দেয়। এ অবস্থায় নাদির শহরে আক্রমণ, আহমদ শাহ আবদালির আক্রমণ, ইউরোপীয়দের আগমন এবং সর্বোপরি ১৮৫৭ সালে সিপাহি বিদ্রোহ মুঘলদের চুড়ান্ত পতন ঘটায়। সাংস্কৃতিকক্ষেত্রে ব্যাপক বৈষম্য বিরাজমান ছিল। পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই পূর্ব পাকিস্তানের সংস্কৃতির ওপর আঘাত আসে। প্রথম আঘাত আসে মাতৃভাষা বাংলার ওপর। পাকিস্তান, সরকার বাঙালি সংস্কৃতি বিকাশে কোনো ভূমিকা পালন করেনি। পূর্ব পাকিস্তানের জন্য তারা সুস্থ, সুন্দর ও গঠনমূলক বিনোদন ব্যবস্থাও গড়ে তোলেনি। শিশু ও বৃদ্ধদের মানসিক ও শারীরিক উন্নতির জন্য ভালো কোনো প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা ভালো পার্ক, অবসর বিনোদনের স্থান, শিশুপার্ক ইত্যাদির কোনো ব্যবস্থা ছিল না। পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের দুই অংশের সমাজ কাঠামো ও সামাজিক জীবনযাত্রা প্রণালি ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। একই দেশের অধিবাসী হওয়া সত্ত্বেও ভাষা, শিল্প, সাহিত্য, আচার-আচরণ, পোশাক-পরিচ্ছদ, আহার-বিহার, আবেগ-অনুভূতি এককথায় সামাজিক জীবনের সবক্ষেত্রে তারা পৃথক ছিল। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় পূর্ব পাকিস্তানের তুলনার পশ্চিম পাকিস্তানের সবকিছুই ছিল উন্নত।অতএব অর্থনৈতিক বৈষম্য ছাড়াও শিক্ষা ও সামাজিক ক্ষেত্রে পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তানকে শোষণ করত।

HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল

তুমি কি মনে কর, উক্ত কারণগুলোর ফলেই মুঘল সাম্রাজ্যের পতন ঘটেছিল? উত…

উদ্দীপক

খলিফা দ্বিতীয় হাকাম পর্যন্ত স্পেনে উমাইয়া খিলাফত সুসংহত ছিল। তার পরবর্তী খলিফাগণ ছিলেন দুর্বল শাসক। উমাইয়া খিলাফতে সুষ্ঠু উত্তরাধিকার নীতির অভাব ছিল। ফলে রাজপ্রাসাদের ক্ষমতার দ্বন্দ্বে শক্তি-সামর্থ্যও দুর্বল হয়ে পড়ে। দুর্বল ও বিলাসপ্রিয় সুলতানদের বিলাসিতা, নিজেদের পরিবারকে পারিতোষিক প্রদান ও স্থাপত্য শিল্পে অর্থ ব্যয়ে রাজকোষ শূন্য হয়ে পড়ে। আর এ সকল কারণেই ১৪৯২ খ্রিষ্টাব্দে স্পেনে মুসলিম শাসনের অবসান ঘটে।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ · 2025

উত্তর

হিমু ছিল আদিল শাহের সেনাপতি।

উত্তর

শেরশাহের প্রাদেশিক শাসনের একটি বিভাগ ছিল সরকার। শেরশাহ তার বিশাল সাম্রাজ্যকে 'সরকার' নামক ৪৭টি প্রশাসনিক ইউনিটে ভাগ করেন। সরকারের প্রধান দুজন কর্মকর্তা ছিলেন 'শিকদার-ই-শিকদারান' এবং 'মুনসিফ-ই-মুনসিফান'। সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়ভার ছিল মুনসিফ-ই-মুনসিফানদের ওপর। তাছাড়া এ দুজন কর্মকর্তা সার্বিকভাবে তাদের অধীন পরগনাগুলোর শাসনকাজ তদারকি করতেন।

উত্তর

উদ্দীপকে মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের শাসকদের দুর্বলতা, সুষ্ঠু উত্তরাধিকার নীতি অভাব অর্থনৈতিক সংকট ও শাসকদের বিলাসিতার কারণ ফুটে ওঠেছে।ইতিহাসের গতিপথে আবির্ভাব যেমন সত্য, ধ্বংসও তেমনি অনিবার্য। রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে কোনোকিছুই একমুখী চলে না, উত্থান ও পতন সময়ের ব্যবধানে ঘটে। একদা গোটা উত্তর ভারত, মধ্য ভারত এবং দক্ষিণ ভারতের এক বিস্তীর্ণ অঞ্চলে মুঘলরা আধিপত্য বিস্তার করেছিল। তা কালের গতিতে ধূলিসাৎ হয়ে ইতিহাসের পাতায় স্থান লাভ করেছে। সম্রাট আওরঙ্গজেবের জীবদ্দশাতেই মুঘল সাম্রাজ্যের অবক্ষয় ও পতন প্রক্রিয়া শুরু হয়। সম্রাট আওরঙ্গজেবের পর মুঘল শাসনের শৌর্যবীর্য কমতে শুরু করে। বিশাল বিস্তৃত সাম্রাজ্যের পতন, রোধ করার জন্য এ সময় প্রয়োজন ছিল সুযোগ্য ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সম্রাটের। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আওরঙ্গজেব পরবর্তী প্রায় দেড় শতাধিক বছর সময়ে মুঘল সাম্রাজ্যে এরূপ সুযোগ্য সম্রাটের আবির্ভাব ঘটেনি। এ সময়ের প্রায় সব সম্রাটই ছিলেন দুর্বল ও ইন্দ্রয়পরায়ণ। তখন চরিত্র মাধুর্য ও শাসন নৈপুণ্যের অধিকারী কোনো সম্রাটের আবির্ভাব না হওয়ায় এ সাম্রাজ্যের পতন রোধ সম্ভব হয় নি। মুঘল সাম্রাজ্যে উত্তরাধিকার নির্বাচনে কোনো সুষ্ঠু আইন ও নীতি অনুসরণ করা হতো না। সিংহাসনে জ্যেষ্ঠ পুত্রের উত্তরাধিকার অবধারিত সত্য হিসেবে বিবেচিত হয় নি। ফলে প্রায় প্রত্যেক সম্রাটের রাজত্বের শেষ এবং শুরুতে পিতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও ভ্রাতৃযুদ্ধ ছিল প্রায় অবধারিত। একমাত্র আকবর চাড়া প্রায় সব ক্ষেত্রেই সম্রাটের মৃত্যুর পর অথবা তার জীবদ্দশাতেই তরবারির মাধ্যমে উত্তরাধিকার নির্ধারিত হয়েছে। হুমায়ুনের রাজত্বে ভাতৃবিরোধ, দেখা যায়। জাহাঙ্গীর ও শাহজাহান উভয়েই পিতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহী হয়েছিলেন। শাহজাহানের পুত্রদের মধ্যে সিংহাসন প্রশ্নে ভ্রাতৃযুদ্ধ মুঘল ইতিহাসকে কলঙ্কিত করেছে। তাছাড়া স্থাপত্য শিল্পে অর্থব্যয় এবং বিলাসিতার জন্য রাজকোষ শূন্য হয়ে পড়ে। যা মুঘলদের অন্যতম কারণ। এ সময় অভিজাতরা ক্রমান্বয়ে ইরানি, তুরানি ও হিন্দুস্থানি ইত্যাদি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দলে বিভক্ত হয়ে পড়ে। ইন্দ্রিয়াসক্তি ও বিলাসিতায় তারা তাদের স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। ইন্দ্রিয়াসক্তি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, সেনাপতিরা যুদ্ধ শিবিরেও তাদের অন্তঃপুরিকাদের নিয়ে যেতেন।

উত্তর

না, আমি মনে করি উক্ত কারণগুলোর ফলেই মুঘল সাম্রাজ্যের পতন ঘটেনি। তাদের পতনের পিছনে আরও কারণ ছিল।মুঘলদের পতনের প্রাকৃতিক কারণ সম্প্রদয়ের বিশালতা, হিন্দুদের বিরোধিতা ও বাহ্যিক আক্রমণ অত্যতম কারণ ছিল। ভাঙাগড়া পৃথিবীর চিরন্তন রীতি। কোনোকিছু গড়ার সময় যেরূপ অদম্য উৎসাহ-উদ্দীপনা থাকে, অবক্ষয়ের যুগে তা সেরূপ থাকে না। মুঘল সাম্রাজ্যের প্রথম ছয় জন শাসকের কর্মনিষ্ঠ, অদম্য উৎসাহ, পরিশ্রম করার মানসিকতা ইত্যাদি ইতিবাচক গুণগুলো যে পরিমাণ ছিল পরবর্তী শাসকদের তার কিছুই ছিল না। ফলে স্বাভাবিক কারণেই মুঘল সাম্রাজ্যের ভিত দুর্বল হয়ে পড়ে। উত্তরে আফগানিস্তান, পূর্বে আসাম, পশ্চিমের কাশ্মীর ও দক্ষিণে মহীশূর পর্যন্ত মুঘল সাম্রাজ্য বিস্তৃত ছিল। মধ্যযুগে বিশাল সাম্রাজ্য একজন শাসকের পক্ষে শাসন করা ছিল খুব কষ্টকর। সাম্রাজ্যের বিশালতার সুযোগে বিদ্রোহিগণ বিদ্রোহ করতে উৎসাহবোধ করত। এতে করে মুঘল সাম্রাজ্যের পতন হয়। এছাড়া সৈন্যবাহিনীর, নৈতিক অধঃপতনও মুঘলদের পতনে ভূমিকা রাখে। তাছাড়া শাহজাহানের অমিত ব্যয় এবং আওরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য অভিযানের ব্যয়ে রাজকোষে আর্থিক সংকট দেখা দেয়। পরবর্তী শাসকদের আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি হতো, ফলে চরম আর্থিক সংকটে পতিত হয়ে এ সাম্রাজ্যের পতন ঘটে। মুঘল শাসনামলের শেষদিকে হিন্দু জাতীয়তাবাদী আন্দোলন, বিশেষ করে মারাঠা, শিখ ও রাজপুত তথা গোটা হিন্দু জাতির পুনর্জাগরণ, প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ড এবং তাদের বিদ্রোহ মুঘল শক্তি বিনষ্ট করে দেয়। এ অবস্থায় নাদির শহরে আক্রমণ, আহমদ শাহ আবদালির আক্রমণ, ইউরোপীয়দের আগমন এবং সর্বোপরি ১৮৫৭ সালে সিপাহি বিদ্রোহ মুঘলদের চুড়ান্ত পতন ঘটায়। সাংস্কৃতিকক্ষেত্রে ব্যাপক বৈষম্য বিরাজমান ছিল। পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই পূর্ব পাকিস্তানের সংস্কৃতির ওপর আঘাত আসে। প্রথম আঘাত আসে মাতৃভাষা বাংলার ওপর। পাকিস্তান, সরকার বাঙালি সংস্কৃতি বিকাশে কোনো ভূমিকা পালন করেনি। পূর্ব পাকিস্তানের জন্য তারা সুস্থ, সুন্দর ও গঠনমূলক বিনোদন ব্যবস্থাও গড়ে তোলেনি। শিশু ও বৃদ্ধদের মানসিক ও শারীরিক উন্নতির জন্য ভালো কোনো প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা ভালো পার্ক, অবসর বিনোদনের স্থান, শিশুপার্ক ইত্যাদির কোনো ব্যবস্থা ছিল না। পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের দুই অংশের সমাজ কাঠামো ও সামাজিক জীবনযাত্রা প্রণালি ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। একই দেশের অধিবাসী হওয়া সত্ত্বেও ভাষা, শিল্প, সাহিত্য, আচার-আচরণ, পোশাক-পরিচ্ছদ, আহার-বিহার, আবেগ-অনুভূতি এককথায় সামাজিক জীবনের সবক্ষেত্রে তারা পৃথক ছিল। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় পূর্ব পাকিস্তানের তুলনার পশ্চিম পাকিস্তানের সবকিছুই ছিল উন্নত।অতএব অর্থনৈতিক বৈষম্য ছাড়াও শিক্ষা ও সামাজিক ক্ষেত্রে পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তানকে শোষণ করত।
HSCIslamic History 2nd paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?
i. গজনী অধিকার
ii. হিরাত অধিকার
iii. উক্ত নগরী ধ্বংস সাধন নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উক্ত আন্দোলনের ফলাফল ছিল-
i. শেখ মুজিবুর রহমান এর কারা মুক্তি
ii. আইয়ুবের পতন
iii. গণতান্ত্রিক শাসন কায়েম নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উদ্দীপকের অনুরূপ ৬৯'র গণঅভুত্থানে নিহতরা-

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-
i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র
ii. স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা
iii. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.শেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?i. গজনী অধিকারii. হিরাত অধিকারiii. উক্ত ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যানিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যাআগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্রii. স্বাধীনতার দিক নশেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

তুমি কি মনে কর, উক্ত কারণগুলোর ফলেই মুঘল সাম্রাজ্যের পতন ঘটেছিল? উত… | Prosthuti