শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে সম্রাট আকবরের শাসনব্যবস্থার কোন দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে সম্রাট আকবরের প্রাদেশিক শাসন তথা বিকেন্দ্রীকরণের দিকটি ফুটে ওঠেছে।উদ্দীপকে দেখা যায়, ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত উমর (রা)-এর শাসনামলে পুরো সাম্রাজ্যকে কয়েকটি প্রদেশে বিভক্ত করা হয়। প্রদেশগুলো প্রাদেশিক গভর্নর বা ওয়ালি কর্তৃক শাসিত হতো। উমর (রা) ব্যক্তিগতভাবে ওয়ালিদের নিযুক্ত করতেন। যা সম্রাট আকবরের প্রদেশিক শাসন ও ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণকে নির্দেশ করে। তার সময়ে প্রশাসনিক সুবিধার জন্য মুঘল সাম্রাজ্যকে কতকগুলো সুবা বা প্রদেশে বিভক্ত করা হয়। সম্রাট আকবরের শাসনামলে মোট ১৫টি সুবা বা প্রদেশ ছিল। প্রত্যেকটি প্রদেশে একটি করে রাজধানী ছিল। রাজধানী হতে সংশ্লিষ্ট প্রদেশের যাবতীয় প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতো। সম্রাট আকবরের শাসনামলে সুবা বা প্রদেশগুলো হলো আগ্রা, এলাহাবাদ, লাহোর, দিল্লি ইত্যাদি। প্রদেশগুলোর শাসনব্যবস্থা কেন্দ্রীয় শাসনব্যবস্থার আমলে গড়ে উঠেছিল। প্রদেশগুলো আবার কতকগুলো সরকারে বিভক্ত ছিল। সরকার আবার পরগনায় বিভক্ত ছিল। সুবা বা প্রদেশের নির্বাহী প্রধান ছিলেন সুবাদার। তার বহুবিধ দায়িত্ব ছিল। যেমন- প্রদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা, রাজকীয় ফরমান বাস্তবায়ন করা, রাজস্ব আদায়ে রাজস্ব কর্মচারীকে সহায়তা করা, দস্যুদের দমন করা, কৃষকদের স্বার্থরক্ষা করা প্রভৃতি। প্রদেশের রাজস্ব বিভাগের প্রধান ছিলেন দেওয়ান। 'তিনি কেন্দ্রীয় প্রশাসন কর্তৃক নিযুক্ত হতেন এবং কেন্দ্রের নিকট জবাবদিহি করতেন। ফৌজদার ছিলেন সরকারপ্রধান। সরকার ব্যবস্থা ছিল বর্তমান যুগের জেলা প্রশাসনের অনুরূপ। ফৌজদার সুবাদার কর্তৃক নিযুক্ত হতেন এবং তার নিকট জবাবদিহি করতেন। কোতোয়াল ছিলেন মূলত জেলার বা সরকারের পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি তার সংশ্লিষ্ট জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ফৌজদারকে সহায়তা করতেন। শিকদার ছিলেন পরগনার প্রধান। তিনি তার অধীন গ্রামগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুকূলে শাসনকার্য পরিচালনা করতেন। অতএব উদ্দীপকে সম্রাট আকবরের প্রাদেশিক শাসনের চিত্র ফুটে ওঠেছে।

HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকে সম্রাট আকবরের শাসনব্যবস্থার কোন দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে? ব্য…

উদ্দীপক

ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত উমর (রা)-এর শাসনামলে (৬৩৪-৬৪৪ খ্রি.) পুরো সাম্রাজ্যকে কয়েকটি প্রদেশে বিভক্ত করা হয়। প্রদেশগুলো প্রাদেশিক গভর্নর বা ওয়ালি কর্তৃক শাসিত হতো। উমর (রা) ব্যক্তিগতভাবে ওয়ালিদের নিযুক্ত করতেন। তিনি ন্যায়বিচারের জন্য ইতিহাসে বিখ্যাত হয়ে আছেন। বিচারকাজে তিনি কোনো আপন-পর ভেদাভেদ করতেন না। মদ্যপানের অপরাধে তিনি তার পুত্র শাহমাকে বেত্রাঘাত করেন এবং এর ফলে পুত্র মৃত্যুবরণ করে। মহানুভব ও ন্যায়পরায়ণ এ খলিফা ইসলামের ইতিহাসে ন্যায়বিচারের জন্যই অধিক স্মরণীয় হয়ে আছেন।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ · 2025

উত্তর

'দীন-ই-ইলাহি ধর্মমতের প্রবর্তক সম্রাট আকবর।

উত্তর

গুজরাট বিজয়ের ফলে সমুদ্র এবং পশ্চিম উপকূলের সমৃদ্ধিশালী বন্দরগুলোর ওপর মুঘলদের অবাধ আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। মুঘলরা ইউরোপীয় পর্তুগিজ শক্তির সংস্পর্শে আসে। সমুদ্র উপকূল অধিকৃত হওয়ায় মুঘলরা নৌবাহিনী গঠনের সুযোগ লাভ করে। গুজরাট বিজয়ের ফলে মুঘলদের সামনে দাক্ষিণাত্যের দ্বার উন্মুক্ত হয়। সর্বোপরি গুজরাট ছিল মুসলমানদের মক্কায় তীর্থযাত্রার পথ। গুজরাট বিজয়ের ফলে নিরাপদে মক্কায় হজব্রত পালনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে সম্রাট আকবরের প্রাদেশিক শাসন তথা বিকেন্দ্রীকরণের দিকটি ফুটে ওঠেছে।উদ্দীপকে দেখা যায়, ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত উমর (রা)-এর শাসনামলে পুরো সাম্রাজ্যকে কয়েকটি প্রদেশে বিভক্ত করা হয়। প্রদেশগুলো প্রাদেশিক গভর্নর বা ওয়ালি কর্তৃক শাসিত হতো। উমর (রা) ব্যক্তিগতভাবে ওয়ালিদের নিযুক্ত করতেন। যা সম্রাট আকবরের প্রদেশিক শাসন ও ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণকে নির্দেশ করে। তার সময়ে প্রশাসনিক সুবিধার জন্য মুঘল সাম্রাজ্যকে কতকগুলো সুবা বা প্রদেশে বিভক্ত করা হয়। সম্রাট আকবরের শাসনামলে মোট ১৫টি সুবা বা প্রদেশ ছিল। প্রত্যেকটি প্রদেশে একটি করে রাজধানী ছিল। রাজধানী হতে সংশ্লিষ্ট প্রদেশের যাবতীয় প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতো। সম্রাট আকবরের শাসনামলে সুবা বা প্রদেশগুলো হলো আগ্রা, এলাহাবাদ, লাহোর, দিল্লি ইত্যাদি। প্রদেশগুলোর শাসনব্যবস্থা কেন্দ্রীয় শাসনব্যবস্থার আমলে গড়ে উঠেছিল। প্রদেশগুলো আবার কতকগুলো সরকারে বিভক্ত ছিল। সরকার আবার পরগনায় বিভক্ত ছিল। সুবা বা প্রদেশের নির্বাহী প্রধান ছিলেন সুবাদার। তার বহুবিধ দায়িত্ব ছিল। যেমন- প্রদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা, রাজকীয় ফরমান বাস্তবায়ন করা, রাজস্ব আদায়ে রাজস্ব কর্মচারীকে সহায়তা করা, দস্যুদের দমন করা, কৃষকদের স্বার্থরক্ষা করা প্রভৃতি। প্রদেশের রাজস্ব বিভাগের প্রধান ছিলেন দেওয়ান। 'তিনি কেন্দ্রীয় প্রশাসন কর্তৃক নিযুক্ত হতেন এবং কেন্দ্রের নিকট জবাবদিহি করতেন। ফৌজদার ছিলেন সরকারপ্রধান। সরকার ব্যবস্থা ছিল বর্তমান যুগের জেলা প্রশাসনের অনুরূপ। ফৌজদার সুবাদার কর্তৃক নিযুক্ত হতেন এবং তার নিকট জবাবদিহি করতেন। কোতোয়াল ছিলেন মূলত জেলার বা সরকারের পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি তার সংশ্লিষ্ট জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ফৌজদারকে সহায়তা করতেন। শিকদার ছিলেন পরগনার প্রধান। তিনি তার অধীন গ্রামগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুকূলে শাসনকার্য পরিচালনা করতেন। অতএব উদ্দীপকে সম্রাট আকবরের প্রাদেশিক শাসনের চিত্র ফুটে ওঠেছে।

উত্তর

ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সম্রাট আকবর এবং হযরত উমর (রা) একে অপরের সার্থক প্রতিচ্ছবি- মন্তব্যটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত।সম্রাট আকবরের বিচারব্যবস্থায় রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, ধর্মীয় সম্প্রীতি, পরমতসহিষ্ণুতা ও মানবতাবাদী চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল। প্রত্যেক নাগরিক যেন ন্যায়বিচার পায় এবং আইনের চোখে সমান হিসেবে পরিগণিত হয়, সে বিষয়ে সম্রাট আকবর কড়া নজর দিয়েছিলেন। তিনি বলতেন, "যদি আমি নিজেও কোনো অন্যায় কাজ করি, তাহলে নিজেকে শাস্তি দিতে দ্বিধা করব না।” সম্রাটের পরেই কাজি-উল-কুজ্জাত ছিলেন প্রশাসনিক প্রধান। তিনি কেন্দ্রের বিচার প্রশাসন পরিচালনা ও প্রাদেশিক বিচার প্রশাসন সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেওয়ার কাজ করতেন। তিনি প্রতিটি প্রদেশে কাজি নিয়োগ দিতেন। তিনি দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা পরিচালনা করতেন। ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের বিচারও তিনি পরিচালনা করার অধিকার সংরক্ষণ করতেন। কাজি-উল-কুজ্জাতকে বিচারকার্য সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য মুফতি, 'কাজি ও মীর আদল নিয়োগ দেওয়া হতো। মুফতি ইসলামি আইনের ব্যাখ্যা করতেন, প্রয়োজনে ফতুয়া দিতেন। কাজি মুফতির দেওয়া ইসলামি আইনের ব্যাখ্যা অনুসারে. নিজ কোর্টে মামলার শুনানি গ্রহণ করতেন। মীর আদল কাজির শুনানিকৃত মামলার রায় ঘোষণা করতেন। সদর-উস-সুদূর বিচার প্রশাসনকে নানাভাবে সহযোগিতা করত। প্রদেশের বিচার-প্রশাসনিক কাঠামো ছিল কেন্দ্রের অনুরূপ। আর্থিক দণ্ড, বেত্রদণ্ড, অঙ্গহানি, মৃত্যুদণ্ড ইত্যাদি গুরুদণ্ড প্রচলিত ছিল। মৃত্যুদণ্ড ব্যতীত অন্যান্য গুরুদণ্ড সম্রাটের অনুমোদন ছাড়া কার্যকরী করা যেত। লঘুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাধারণত বন্দি করে রাখা হতো।পরিশেষে বলা যায়, হযরত ওমর (রা.) এর শাসনের মতো সম্রাট আকবরও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ব্যাপক ভূমিকা পালন করেন।
HSCIslamic History 2nd paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?
i. গজনী অধিকার
ii. হিরাত অধিকার
iii. উক্ত নগরী ধ্বংস সাধন নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উক্ত আন্দোলনের ফলাফল ছিল-
i. শেখ মুজিবুর রহমান এর কারা মুক্তি
ii. আইয়ুবের পতন
iii. গণতান্ত্রিক শাসন কায়েম নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উদ্দীপকের অনুরূপ ৬৯'র গণঅভুত্থানে নিহতরা-

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-
i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র
ii. স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা
iii. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.শেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?i. গজনী অধিকারii. হিরাত অধিকারiii. উক্ত ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যানিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যাআগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্রii. স্বাধীনতার দিক নশেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।