শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে বর্ণিত শাসকের সাথে তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন শাসকের মিল খুঁজে পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত শাসকের সাথে আমার পাঠ্যপুস্তকের মুঘল শাসক সম্রাট আকবরের মিল খুঁজে পাওয়া যায়। উদ্দীপকের সম্রাট শাহ জালাল তার বংশের স্থায়িত্ব ও সকল মানুষের মধ্যে ঐক্য স্থাপনের যেমন একটি ধর্মমত প্রচলন করে সকলকে একই, পতাকাতলে আনতে চেয়েছিলেন তদ্রুপ মুঘল সম্রাট আকবরও 'দ্বীন-ই-ইলাহি' নামক নতুন ধর্মমত প্রচলন করে সকলকে এক ধর্মের ছায়ায় আনতে চেয়েছিলেন। মুঘল সম্রাট আকবর পারিপার্শ্বিক প্রভাবে প্রভাবান্বিত হয়ে ১৫৮১ খ্রিষ্টাব্দে 'দ্বীন-ই-ইলাহি' নামক একটি নতুন ধর্মমতের প্রচলন করেন। সম্রাট আকবর সর্বপ্রথম রাষ্ট্রনীতিকে ইসলাম তথা উলেমাদের প্রভাবমুক্ত করে হিন্দু-মুসলমান মিলনের ভিত্তিতে ভারতীয় জাতীয়তা প্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হন। মুঘল সম্রাট আকবর চেয়েছিলেন, সকল ধর্ম মিলে একটি ধর্ম প্রতিষ্ঠা করা এবং ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল ভারতবাসীকে একটি ধর্মীয় ছাতার নিচে সমাবেশ করা। ধর্মে ধর্মে পারস্পরিক বিদ্বেষ, হানাহানি এবং বিপরীত চিন্তা আকবরকে ব্যথিত করে তোলে। তিনি এ থেকে উত্তরণের জন্য সব. ধর্মকে একসূত্রে গাঁথার উপায় খুঁজতে থাকে। এ লক্ষ্যে ধর্মক্ষেত্রে উলেমাদের একাধিপত্য খর্ব করার জন্য সম্রাট ১৫৭৯ খ্রিস্টাব্দের জুন মাসে একটি ডিক্রি জারি করেন। সম্রাট আকবর 'দ্বীন-ই-ইলাহি' প্রবর্তন করলেও তিনি এ ধর্মমত গ্রহণ করতে কাউকে বাধ্য করেননি। ঐতিহাসিক আবুল ফজলের মতে, ধর্মের অনুসারী ছিল মাত্র ১৮ জন। তাই আকবরের মৃত্যুর সাথে সাথে এ ধর্মমত বিলুপ্ত হয়। পরিশেষে বলা যায়, সম্রাট শাহ জালালের সাথে মুঘল সম্রাট আকবরের ধর্মমৃত প্রবর্তনের মিল পাওয়া যায়।

HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকে বর্ণিত শাসকের সাথে তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন শাসকের মিল খুঁজ…

উদ্দীপক

সম্রাট শাহ জালাল তার বংশের স্থায়িত্ব ও সকল মানুষের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য নতুন একটি ধর্মমতের প্রচলন করেন। সাধারণ মানুষের মধ্যে উক্ত ধর্মমত গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। তার মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে উক্ত ধর্মমতের বিলুপ্তি ঘটে। তথাপি তাকে তার বংশের মহান শাসক বলে অভিহিত করা হয়।

রংপুর সরকারি কলেজ · 2025

উত্তর

গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড শেরশাহ নির্মাণ করেন।

উত্তর

আকবরের সামরিক সংস্কারের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল মনসবদার ব্যবস্থা প্রবর্তন। আকবরের সিংহাসনে আরোহণের সময় সমস্ত সাম্রাজ্য কতকগুলো জায়গিরে বিভক্ত ছিল। জায়গিরদারগণ অকর্মণ্য, অদক্ষ এবং অপেশাদার যোদ্ধা রাখতেন। এর ফলে সৈন্যবাহিনীর অবস্থা সংকটজনক অবস্থায় পৌঁছায়। আকবর এ সংকট থেকে উত্তরণের জন্য মনসবদারি প্রথা চালু করেন। এ প্রথার মাধ্যমে তিনি ব্যক্তির পদমর্যাদা ও বেতন নির্ধারণ করেন। রাষ্ট্রের প্রয়োজনে ঐ ব্যক্তি তার পদমর্যাদা অনুযায়ী সামরিক সাহায্য প্রদানে বাধ্য থাকতেন। এ প্রথার ২৭ অথবা ৩৩টি স্তর ছিল।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত শাসকের সাথে আমার পাঠ্যপুস্তকের মুঘল শাসক সম্রাট আকবরের মিল খুঁজে পাওয়া যায়। উদ্দীপকের সম্রাট শাহ জালাল তার বংশের স্থায়িত্ব ও সকল মানুষের মধ্যে ঐক্য স্থাপনের যেমন একটি ধর্মমত প্রচলন করে সকলকে একই, পতাকাতলে আনতে চেয়েছিলেন তদ্রুপ মুঘল সম্রাট আকবরও 'দ্বীন-ই-ইলাহি' নামক নতুন ধর্মমত প্রচলন করে সকলকে এক ধর্মের ছায়ায় আনতে চেয়েছিলেন। মুঘল সম্রাট আকবর পারিপার্শ্বিক প্রভাবে প্রভাবান্বিত হয়ে ১৫৮১ খ্রিষ্টাব্দে 'দ্বীন-ই-ইলাহি' নামক একটি নতুন ধর্মমতের প্রচলন করেন। সম্রাট আকবর সর্বপ্রথম রাষ্ট্রনীতিকে ইসলাম তথা উলেমাদের প্রভাবমুক্ত করে হিন্দু-মুসলমান মিলনের ভিত্তিতে ভারতীয় জাতীয়তা প্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হন। মুঘল সম্রাট আকবর চেয়েছিলেন, সকল ধর্ম মিলে একটি ধর্ম প্রতিষ্ঠা করা এবং ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল ভারতবাসীকে একটি ধর্মীয় ছাতার নিচে সমাবেশ করা। ধর্মে ধর্মে পারস্পরিক বিদ্বেষ, হানাহানি এবং বিপরীত চিন্তা আকবরকে ব্যথিত করে তোলে। তিনি এ থেকে উত্তরণের জন্য সব. ধর্মকে একসূত্রে গাঁথার উপায় খুঁজতে থাকে। এ লক্ষ্যে ধর্মক্ষেত্রে উলেমাদের একাধিপত্য খর্ব করার জন্য সম্রাট ১৫৭৯ খ্রিস্টাব্দের জুন মাসে একটি ডিক্রি জারি করেন। সম্রাট আকবর 'দ্বীন-ই-ইলাহি' প্রবর্তন করলেও তিনি এ ধর্মমত গ্রহণ করতে কাউকে বাধ্য করেননি। ঐতিহাসিক আবুল ফজলের মতে, ধর্মের অনুসারী ছিল মাত্র ১৮ জন। তাই আকবরের মৃত্যুর সাথে সাথে এ ধর্মমত বিলুপ্ত হয়। পরিশেষে বলা যায়, সম্রাট শাহ জালালের সাথে মুঘল সম্রাট আকবরের ধর্মমৃত প্রবর্তনের মিল পাওয়া যায়।

উত্তর

সম্রাট আকবরের ধর্মনীতি ছিল ধর্মীয় গোঁড়ামি থেকে মুক্ত হয়ে ধর্মনিরপেক্ষ নীতি গ্রহণ ও পরমত সহিষ্ণুতার ওপর প্রতিষ্ঠিত। সম্রাট আকবর ১৫৮২ খ্রিস্টাব্দে 'দ্বীন-ই-ইলাহি' নামে একটি নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন। এটি ছিল একটি একেশ্বরবাদী ধর্ম। দ্বীন-ই-ইলাহির কিছু মূলনীতি ছিল। যথা- ১. দ্বীন-ই-ইলাহির কালেমা-ছিল লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ ওয়া আকবার খালিফাতুল্লাহ। অনুসারীদেরকে এ কালেমা পাঠ করতে হতো; ২. দ্বীন-ই-ইলাহির অনুসারীদেরকে পারস্পরিক দেখা-সাক্ষাতে একজনকে 'আল্লাহু আকবর' বলে সম্ভাষণ করতে হতো এবং অন্যজনকে 'জাল্লাজালালাহু' বলে উত্তর দিতে হতো; ৩. আগুনকে পবিত্র বলে সম্মান করা হতো; ৪. এর অনুসারীদের অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হতো; ৫. মাংস খাওয়াসহ যথাসম্ভব আমিষ গ্রহণ করতে বিরত থাকতে হতো। ঐতিহাসিক মোল্লা আবদুল কারের বাদউনী একে 'তৌহিদ-ই-ইলাহি' বা ঐশী একেশ্বরবাদ বলে আখ্যায়িত করছেন। জেসুইট লেখক বারটুলির মতে, সব ধর্মের সার নিয়ে 'দ্বীন-ই-ইলাহি' ধর্মমত গঠিত হয়েছিল। ঈশ্বরী প্রসাদ বলেন, 'দ্বীন-ই-ইলাহি' একটি উদার সর্বেশ্বরবাদী ধর্ম, সকল ধর্মের ভালো ও উৎকৃষ্ট নীতিগুলো এতে সমন্বিত ছিল। আকবরের প্রবর্তিত 'দ্বীন-ই-ইলাহি' ধর্মমতে কোনো নবি বা দেব-দেবীর অস্তিত্ব ছিল না। প্রতি রোববার সম্রাট নির্দিষ্ট আসনে বসে আগ্রহীদের দীক্ষা দিতেন। পরিশেষে বলা যায়, সম্রাট আকবরের ধর্মনীতির শর্তাবলি ছিল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা।
HSCIslamic History 2nd paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?
i. গজনী অধিকার
ii. হিরাত অধিকার
iii. উক্ত নগরী ধ্বংস সাধন নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উক্ত আন্দোলনের ফলাফল ছিল-
i. শেখ মুজিবুর রহমান এর কারা মুক্তি
ii. আইয়ুবের পতন
iii. গণতান্ত্রিক শাসন কায়েম নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উদ্দীপকের অনুরূপ ৬৯'র গণঅভুত্থানে নিহতরা-

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-
i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র
ii. স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা
iii. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.শেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?i. গজনী অধিকারii. হিরাত অধিকারiii. উক্ত ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যানিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যাআগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্রii. স্বাধীনতার দিক নশেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

উদ্দীপকে বর্ণিত শাসকের সাথে তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন শাসকের মিল খুঁজ… | Prosthuti