শেরশাহের প্রশাসনিক সংস্কারের সুফল বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: শেরশাহের প্রশাসনিক সংস্কার তার শাসন ব্যবস্থায় সফলতা এনে দিয়েছে। শেরশাহ সুষ্ঠুভাবে প্রশাসনিক ব্যবস্থা পরিচালনার স্বার্থে শের শাহ কেন্দ্রীয় সরকারের চারটি প্রধান বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন। বিভাগ গুলো হল ক.দিউয়ান-ই ওজারাত , খ.দিউয়ান-ই-আরজ গ.দিউয়ান-ই-রিসালত এবং ঘ. দিউয়ান-ই-ইনশা।প্রতিটি বিভাগ পরিচালনার জন্য একজন করে প্রধান কমকর্তা ছিলেন। ওয়াজিব ছিলেন দিউয়ান -ই-ওজারাতের প্রধান কর্মকর্তা ছিলেন। ওয়াজিব ছিলেন দিওয়ান-ই-ওজারাতের প্রধান। সম্রাজ্যের আয় ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও বিভাগের প্রধান কাজ হলেওপ্রশাসনের অন্যান্য বিভাগ তত্ত্বাবধানও এর কর্ম পরিধির মধ্যেই ছিল। শাসন কাজের সুবিধার জন্য শেরশাহ্ প্রশাসনে বিকেন্দ্রীকরণ নীতি গ্রহণ করেন। শেরশাহ তার বিশাল সাম্রাজ্য কে সরকার নামক ৪৭ টি প্রশাসনিক ইউনিটে ভাগ করেন। প্রশাসনের সর্বনিম্ন ইউনিট ছিল গ্রাম। শেরশাহের আমলে দুই ধরনের শাসন ব্যবস্থা ছিল। যথা কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থা এবং প্রাদেশিক ও আঞ্চলিক শাসন ব্যবস্থা। দ্রুত সংবাদ সরবরাহের উদ্দেশ্যে শেরশাহ্ ঘোড়ার ডাক প্রচলন করেন। অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য মুদ্রা নীতি প্রবর্তন করেন। দক্ষ সেনাবাহিনী গঠন ও সুষ্ঠ বিচার ব্যবস্থা প্রবর্তন শেরশাহের প্রশাসনের অন্যতম দিক। সুতরাং উপরই উক্ত আলোচনা থেকে বলা যায় যে শেরশাহের প্রশাসনিক সংস্কার তার শ্বসনতন্ত্রে সুদূর প্রসারী প্রভাব ফেলেছে।
HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল
শেরশাহের প্রশাসনিক সংস্কারের সুফল বিশ্লেষণ কর।
উদ্দীপক
সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর