শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লেখিত সামরিক ব্যবস্থাটি মুঘল সম্রাট আকবরের গৃহীত কোন পদক্ষেপকে নির্দেশ করে ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লেখিত 'সামরিক ব্যবস্থাটি মুঘল সম্রাট আকবরের প্রতিষ্ঠিত মনসবদারি প্রথাকে নির্দেশ করে। 'মনসব' শব্দের অর্থ হলো পদ বা মর্যাদা। আর এ পদের অধিকারীকে মনসবদার বলা হতো। মুঘল সম্রাট আকবর তার সেনাবাহিনীর মধ্যে শৃঙ্খলা, নিয়মানুবর্তিতা ও দক্ষতার অভাব লক্ষ করে তার আশু সংস্কারের জন্য যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেন, ইতিহাসে তাই মনসবদারি প্রথা নামে পরিচিত। উদ্দীপকের সামরিক ব্যবস্থাও সম্রাটের এ প্রথাকে নির্দেশ করে । উদ্দীপকে বলা হয়েছে সুলতান সুলেমান সিংহাসনে আরোহণ করে রাজ্য- শাসনে পুরাতন ধ্যান-ধারণার সংস্কার করেন। তিনি বিভিন্ন পদ সৃষ্টি করে প্রত্যেকের পদমর্যাদা অনুযায়ী ক্ষমতা ও অবস্থান নির্ধারণ করে দেন । অনুরূপভাবে সম্রাট আকবর সেনাবাহিনীর তথা সামরিক ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য ১৫৭৭ খ্রিষ্টাব্দে মনসবদারি প্রথা চালু করেন। আবুল ফজলের মতে, সাম্রাজ্যে সর্বমোট ৩৩ এবং কোনো কোনো তথ্য মতে, ৬৬ টি মনসব ছিল। এ ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ পর্যায়ের মনসবদারের অধীনে মোট ১০ হাজার এবং সর্বনিম্ন পর্যায়ে ১০ জন সৈন্য থাকার নিয়ম ছিল। একজন ব্যক্তির সামরিক যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে সম্রাট তাকে মনসবদার হিসেবে নিয়োগ দিতেন। 'মনসবদারদের 'জাত' ও 'সওয়ার' নামক দুটি মর্যাদা ছিল। তাই বলা যায়, সুলতান সুলেমানের সামরিক সংস্কারের মধ্যে সম্রাট আকবরের এ মনসবদার প্রথারই প্রতিফলন ঘটেছে।

HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লেখিত সামরিক ব্যবস্থাটি মুঘল সম্রাট আকবরের গৃহীত কোন পদ…

উদ্দীপক

সুলতান সুলেমান সিংহাসনে আরোহণ করে রাজ্য শাসনে পুরাতন ধ্যান- ধারণার সংস্কার করেন। তিনি প্রশাসন, বিচার ও সৈন্য বাহিনীর জন্য আলাদা বিভাগ ও পদ সৃষ্টি করেন । তিনি প্রত্যেকের পদমর্যাদা অনুযায়ী ক্ষমতা ও অবস্থান নির্ধারণ করে দেন। এতে উচ্চ রাজ কর্মকর্তাগণের মধ্যকার মর্যাদার বিরোধ নিরসন হয়। ফলে সাম্রাজ্য শাসনে শৃঙ্খলা ফিরে আসে । তবে তার এ ব্যবস্থা ত্রুটিমুক্ত ছিল না।

আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল · 2024

উত্তর

সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের প্রকৃত নাম আরজুমান্দ বানু ।

উত্তর

ভারতে মুঘল শক্তির স্থায়িত্ব বিধানে হিন্দু-মুসলিমদের মধ্যে ঐক্য ও প্রীতির বন্ধন গড়ে তোলাই ছিল 'দীন-ই-ইলাহি' এর প্রকৃত উদ্দেশ্য। মধ্যযুগের ভারতের ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত ও সমালোচিত বিষয় হলো সম্রাট আকবরের 'দীন-ই-ইলাহি' ধর্মমত। সম্রাটের এ ধর্মমত প্রচারের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য জড়িত ছিল। কেননা তিনি মনে করতেন যে, হিন্দুদের সমর্থন ও সহযোগিতা পাওয়ার জন্য উদার ধর্মীয় নীতি গ্রহণ করা উচিত। তাই তিনি তার সাম্রাজ্যের সবাইকে একটি কাঠামোর মধ্যে ঐক্যবদ্ধ করেন এবং সাম্রাজ্যের স্থায়িত্ব বিধানের জন্য নতুন ধর্মমত প্রচার করেন। আর এ উদ্দেশ্যেই তিনি 'দীন-ই-ইলাহি' ধর্মমত প্রবর্তন করেন।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'সামরিক ব্যবস্থাটি মুঘল সম্রাট আকবরের প্রতিষ্ঠিত মনসবদারি প্রথাকে নির্দেশ করে। 'মনসব' শব্দের অর্থ হলো পদ বা মর্যাদা। আর এ পদের অধিকারীকে মনসবদার বলা হতো। মুঘল সম্রাট আকবর তার সেনাবাহিনীর মধ্যে শৃঙ্খলা, নিয়মানুবর্তিতা ও দক্ষতার অভাব লক্ষ করে তার আশু সংস্কারের জন্য যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেন, ইতিহাসে তাই মনসবদারি প্রথা নামে পরিচিত। উদ্দীপকের সামরিক ব্যবস্থাও সম্রাটের এ প্রথাকে নির্দেশ করে । উদ্দীপকে বলা হয়েছে সুলতান সুলেমান সিংহাসনে আরোহণ করে রাজ্য- শাসনে পুরাতন ধ্যান-ধারণার সংস্কার করেন। তিনি বিভিন্ন পদ সৃষ্টি করে প্রত্যেকের পদমর্যাদা অনুযায়ী ক্ষমতা ও অবস্থান নির্ধারণ করে দেন । অনুরূপভাবে সম্রাট আকবর সেনাবাহিনীর তথা সামরিক ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য ১৫৭৭ খ্রিষ্টাব্দে মনসবদারি প্রথা চালু করেন। আবুল ফজলের মতে, সাম্রাজ্যে সর্বমোট ৩৩ এবং কোনো কোনো তথ্য মতে, ৬৬ টি মনসব ছিল। এ ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ পর্যায়ের মনসবদারের অধীনে মোট ১০ হাজার এবং সর্বনিম্ন পর্যায়ে ১০ জন সৈন্য থাকার নিয়ম ছিল। একজন ব্যক্তির সামরিক যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে সম্রাট তাকে মনসবদার হিসেবে নিয়োগ দিতেন। 'মনসবদারদের 'জাত' ও 'সওয়ার' নামক দুটি মর্যাদা ছিল। তাই বলা যায়, সুলতান সুলেমানের সামরিক সংস্কারের মধ্যে সম্রাট আকবরের এ মনসবদার প্রথারই প্রতিফলন ঘটেছে।

উত্তর

হ্যাঁ, আমি প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি সমর্থন করি । সম্রাট সুলেমানের সামরিক সংস্কারের ফলে সাম্রাজ্যের উচ্চ রাজ কর্মকর্তাগণের মধ্যকার মর্যাদার বিরোধ নিরসন হয় ও সাম্রাজ্যে শৃঙ্খলা ফিরে আসে। তবে তার এ ব্যবস্থা ত্রুটিমুক্ত ছিল না। একইভাবে মুঘল সম্রাট আকবর তার গৃহীত মনসবদারি প্রথার মাধ্যমে সামরিক সংস্কার সাধন করে। এ ব্যবস্থার অনেক সুবিধা থাকলেও অনেক কুফলও ছিল । প্রতিটি নীতি ও ব্যবস্থাপনারই কিছু ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক থাকে । মনসবদারি ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য। মনসবদারি ব্যবস্থায় কোনো কেন্দ্রীয় সংগঠন ছাড়াই সরকার একটি বৃহৎ সেনাদলের অধিকারী হয়েছিল। কেন্দ্রের সাহায্য ছাড়াই প্রাদেশিক সরকার সংশ্লিষ্ট এলাকার মনসবদারদের সাহায্যে বিদ্রোহ দমন ও অন্যান্য সংকট মোকাবিলা করতে পারত। এ ব্যবস্থায় গুণ ও দক্ষতার ভিত্তিতে পদোন্নতি হতো বলে মুঘল সাম্রাজ্যের সামরিক দক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছিল। এ সকল সুবিধা থাকলেও মনসবদারি প্রথার অনেকগুলো অসুবিধাও ছিল। বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সমন্বয়ে সেনাবাহিনী গঠিত হওয়ায় এতে ঐক্য ও সংহতির অভাব দেখা দিয়েছিল। সেনাবাহিনী মনসবদারদের অধীনে প্রতিপালিত হওয়ায় তাদের আনুগত্য ছিল মনসবদারদের প্রতি, সম্রাটের প্রতি নয়। আবার কেন্দ্র হতে দূরবর্তী স্থানে মনসবদারদের অবস্থান থাকায় তাদের উপর কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ছিল শিথিল। এছাড়াও মনসবদারগণ প্রায়ই প্রতারণা করতেন। তাদের যে সংখ্যক সৈন্য প্রতিপালনের কথা থাকত তারা তা করতেন না। তবে এসব সীমাবদ্ধতা থাকলেও সম্রাটের গৃহীত এ ব্যবস্থা ভারতের সামরিক ইতিহাসে অভিনব সংযোজন ছিল। সার্বিক আলোচনার প্রেক্ষিতে একথা প্রতীয়মান হয় যে, অনেক উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও উদ্দীপকের সুলতান সুলেমানের সামরিক ব্যবস্থার মতো সম্রাট আকবরের মনসবদারি প্রথাও সমালোচনার ঊর্ধ্বে ছিল না।
HSCIslamic History 2nd paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?
i. গজনী অধিকার
ii. হিরাত অধিকার
iii. উক্ত নগরী ধ্বংস সাধন নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উক্ত আন্দোলনের ফলাফল ছিল-
i. শেখ মুজিবুর রহমান এর কারা মুক্তি
ii. আইয়ুবের পতন
iii. গণতান্ত্রিক শাসন কায়েম নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উদ্দীপকের অনুরূপ ৬৯'র গণঅভুত্থানে নিহতরা-

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-
i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র
ii. স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা
iii. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.শেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?i. গজনী অধিকারii. হিরাত অধিকারiii. উক্ত ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যানিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যাআগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্রii. স্বাধীনতার দিক নশেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।