শেয়ারFacebookWhatsApp

সামঞ্জস্যপূর্ণ মুঘল সম্রাটের দাক্ষিণাত্যনীতি মুঘল রাজবংশের পতনের অন্যতম কারণ ছিল— ব্যাখ্যা করো ।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লেখিত শাসকের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য নীতি মুঘল রাজবংশের পতনের অন্যতম কারণ— মন্তব্যটি যথার্থ । সম্রাট আওরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য নীতি মুঘল ও ভারতবর্ষের ইতিহাসে সুদূরপ্রসারী প্রভাব বিস্তার করেছিল। ভিনসেন্ট স্মিথ বলেন, "The Deccan was not only the grave of his body but also of his empire." অর্থাৎ দাক্ষিণাত্য নীতি শুধু সম্রাটের নিজেরই সমাধিক্ষেত্র নয়, তার সাম্রাজ্য তথা মুঘল সাম্রাজ্যেরও সমাধিক্ষেত্র ছিল। সম্রাট আওরঙ্গজেব দাক্ষিণাত্য নীতিতে সাফল্য লাভ করলেও প্রকৃতপক্ষে সব কিছুই হারান। ১৬৮২ হতে ১৭০৭ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সম্রাটের একটানা দাক্ষিণাত্যে অবস্থানের ফলে উত্তর ভারতে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক সকল ক্ষেত্রে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। উত্তরার্ধে সম্রাটের অনুপস্থিতিতে মুঘল নিয়ন্ত্রণ শিথিল হয়ে পড়ে। দাক্ষিণাত্য জয়ের ফলে সাম্রাজ্যের ব্যাপক বিস্তৃতির কারণে কেন্দ্রীয় শাসনব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে। দাক্ষিণাত্যে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ হওয়ার ফলে সাম্রাজ্যের অর্থনীতিতে সংকট দেখা দেয়। দিল্লি হতে দাক্ষিণাত্য গমন, অবকাঠামো উন্নয়ন ও ১,৭৭,০০০ সৈন্যের ভরণপোষণ করতে গিয়ে মুঘল রাজকোষ শূন্য হয়ে পড়ে। সেনাদের বেতন ভাতা বকেয়া পড়ায় সেনাবাহিনীতে অসন্তোষ বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া মুঘলদের বিরুদ্ধে মারাঠাদের প্রতিরোধ যুদ্ধে উৎসাহিত হয়ে আফগান, শিখ, জাঠ, মেওয়াটি ও রাজপুত্ররা চারিদিক দিক থেকে মাথা তুলে দাঁড়ায়। মুঘলদের বিরুদ্ধে তাদের বিদ্রোহ সাম্রাজ্যের ভিত্তিমূলকে দুর্বল করে দেয়। উত্তর ভারতে সম্রাটের অনুপস্থিতি বাংলায় ইংরেজ শক্তির উত্থান, নিষ্কণ্টক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয় মুঘল সাম্রাজ্যকে পতনের দিকে ধাবিত করে। উপরের আলোচনায় প্রতীয়মান হয় যে, আওরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য নীতি মুঘল সাম্রাজ্যের পতনকে ত্বরান্বিত করে।

HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল

সামঞ্জস্যপূর্ণ মুঘল সম্রাটের দাক্ষিণাত্যনীতি মুঘল রাজবংশের পতনের অন…

উদ্দীপক

সিকান্দার সাহেব শাসন ক্ষমতা লাভের পর তার সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলে চলম বিদ্রোহ দেখা দেয়। এ বিদ্রোহ দমনে তিনি কতিপয় জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করেন । প্রথমেই তিনি বিদ্রোহ দমনে উল্লিখিত অঞ্চলের জন্য একটি 'বিশেষ নীতি' প্রবর্তন করেন। অধিক অর্থ বরাদ্ধ, সর্বশ্রেষ্ঠ সামরিক বাহিনী মোতায়েন যুদ্ধাস্ত্র সরবরাহ ও স্বয়ং নেতৃত্বে প্রদান প্রভৃতি পদক্ষেপের মাধ্যমে তিনি উক্ত বিদ্রোহ দমনে আংশিক সাফল্য লাভ করেন ।

আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা · 2024

উত্তর

১৮৫৮ সালে মুঘল শাসনামলের অবসান ঘটে ।

উত্তর

ভারতে মারাঠা অভ্যুত্থানের মহানায়ক ছিলেন শিবাজী । ১৬২৭ সালে মারাঠা পরিবারে শিবাজী জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম শাহজী ভোসলে এবং মাতা জিজাবাঈ। গুরু রামদাস ও তুকরামের অনুপ্রেরণায় শিবাজী ভারতে স্বাধীন হিন্দুরাজ্য প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেন । এ লক্ষ্যে তিনি পার্বত্য অঞ্চলের মারাঠা কৃষিজীবীদের সংগঠিত করে মারাঠাদের জাতীয়তাবাদ ও ধর্মীয় প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ করে ঐক্যবদ্ধ এক সংগ্রামী জাতিতে পরিণত করেন । এজন্য তাকে মারাঠা জাতীয়তাবাদের মহানায়ক বলা হয় ।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত শাসকের সাথে মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য নীতির সাদৃশ্য পাওয়া যায় । সম্রাট আওরঙ্গজেবের শাসনকালের ইতিহাসে তার দাক্ষিণাত্য নীতি একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। বিজাপুর, গোলকুণ্ডাসহ দাক্ষিণাত্যের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজ্যসমূহ মুঘল সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হওয়ার কারণে তাদের দমনে সম্রাট বিশেষ নীতি গ্রহণ করেন। এটিই ইতিহাসে দাক্ষিণাত্য নীতি নামে পরিচিত । উদ্দীপকে এ নীতিরই প্রতিচ্ছবি লক্ষণীয়। উদ্দীপকে দেখা যায়, সিকান্দার সাহেব শাসন ক্ষমতা লাভের পর তার সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলে চরম বিদ্রোহ দেখা দেয়। এ বিদ্রোহ দমনে তিনি উল্লিখিত অঞ্চলের জন্য বিশেষ নীতি প্রবর্তন করেন। অধিক অর্থ বরাদ্দ, সর্বশ্রেষ্ঠ সামরিক বাহিনী মোতায়েন, যুদ্ধাস্ত্র সরবরাহ ও স্বয়ং যুদ্ধে নেতৃত্ব প্রদান প্রভৃতি পদক্ষেপের মাধ্যমে উক্ত বিদ্রোহ দমনে তিনি আংশিক সাফল্য লাভ করেন। অনুরূপভাবে সম্রাট আওরঙ্গজেব শাসন ক্ষমতা লাভের পর দাক্ষিণাত্যের (দক্ষিণ ভারত) ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মুসলিম রাজ্যসমূহে বিদ্রোহ দেখা দেয়। এ সব রাজ্যসমূহ সম্রাট আওরঙ্গজেবকে কর প্রদানে অস্বীকৃতি জানায়। শিবাজীর নেতৃত্বে মারাঠাদের শক্তি বৃদ্ধি দাক্ষিণাত্যের রাজনৈতিক ক্ষেত্রে এক নতুন সমীকরণ তৈরি করে। এই মারাঠাদের গোলকুণ্ডা ও বিজাপুর রাজ্য বিভিন্ন সামরিক সহযোগিতা দিতে থাকে। তাদের মুঘল বিরোধী কার্যকলাপে মুঘল সার্বভৌমত্ব হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়ে। তাই সম্রাট আওরঙ্গজেব গোলকুণ্ডা, বিজাপুর দখল ও মারাঠাদের দমন করার সর্বাধিক পরিকল্পনা তথা দাক্ষিণাত্য নীতি গ্রহণ করেন। প্রচুর অর্থ ব্যয়, সামরিক সৈন্য মোতায়েন এবং নিজে যুদ্ধে নেতৃত্ব প্রদানের মাধ্যমে সম্রাট ১৬৮১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে তার জীবনের শেষ পর্যন্ত দাক্ষিণাত্য অধিকার করেই জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটান। তার এ সাফল্য আপাতদৃষ্টিতে অনেক কিছু মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে সম্রাট পুরোপুরি সাফল্য লাভে ব্যর্থ হন। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে সম্রাট আওরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য নীতির চিত্রই প্রতিফলিত হয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত শাসকের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য নীতি মুঘল রাজবংশের পতনের অন্যতম কারণ— মন্তব্যটি যথার্থ । সম্রাট আওরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য নীতি মুঘল ও ভারতবর্ষের ইতিহাসে সুদূরপ্রসারী প্রভাব বিস্তার করেছিল। ভিনসেন্ট স্মিথ বলেন, "The Deccan was not only the grave of his body but also of his empire." অর্থাৎ দাক্ষিণাত্য নীতি শুধু সম্রাটের নিজেরই সমাধিক্ষেত্র নয়, তার সাম্রাজ্য তথা মুঘল সাম্রাজ্যেরও সমাধিক্ষেত্র ছিল। সম্রাট আওরঙ্গজেব দাক্ষিণাত্য নীতিতে সাফল্য লাভ করলেও প্রকৃতপক্ষে সব কিছুই হারান। ১৬৮২ হতে ১৭০৭ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সম্রাটের একটানা দাক্ষিণাত্যে অবস্থানের ফলে উত্তর ভারতে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক সকল ক্ষেত্রে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। উত্তরার্ধে সম্রাটের অনুপস্থিতিতে মুঘল নিয়ন্ত্রণ শিথিল হয়ে পড়ে। দাক্ষিণাত্য জয়ের ফলে সাম্রাজ্যের ব্যাপক বিস্তৃতির কারণে কেন্দ্রীয় শাসনব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে। দাক্ষিণাত্যে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ হওয়ার ফলে সাম্রাজ্যের অর্থনীতিতে সংকট দেখা দেয়। দিল্লি হতে দাক্ষিণাত্য গমন, অবকাঠামো উন্নয়ন ও ১,৭৭,০০০ সৈন্যের ভরণপোষণ করতে গিয়ে মুঘল রাজকোষ শূন্য হয়ে পড়ে। সেনাদের বেতন ভাতা বকেয়া পড়ায় সেনাবাহিনীতে অসন্তোষ বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া মুঘলদের বিরুদ্ধে মারাঠাদের প্রতিরোধ যুদ্ধে উৎসাহিত হয়ে আফগান, শিখ, জাঠ, মেওয়াটি ও রাজপুত্ররা চারিদিক দিক থেকে মাথা তুলে দাঁড়ায়। মুঘলদের বিরুদ্ধে তাদের বিদ্রোহ সাম্রাজ্যের ভিত্তিমূলকে দুর্বল করে দেয়। উত্তর ভারতে সম্রাটের অনুপস্থিতি বাংলায় ইংরেজ শক্তির উত্থান, নিষ্কণ্টক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয় মুঘল সাম্রাজ্যকে পতনের দিকে ধাবিত করে। উপরের আলোচনায় প্রতীয়মান হয় যে, আওরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য নীতি মুঘল সাম্রাজ্যের পতনকে ত্বরান্বিত করে।
HSCIslamic History 2nd paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-

Dhaka · 2017

  • রাজস্ব সংস্কারে
  • স্থাপত্য শিল্পের বিকাশে
  • পুলিশ বিভাগের উন্নয়নে
  • শিক্ষার উন্নয়নে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?

Dhaka · 2017

  • মালিক সুলেমান
  • খিজির খান
  • মুবারক শাহ
  • মুহম্মদ শাহ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2017

  • আর্য
  • দ্রাবিড়
  • শক
  • কুষাণ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?
i. গজনী অধিকার
ii. হিরাত অধিকার
iii. উক্ত নগরী ধ্বংস সাধন নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2018

  • আর্য
  • শক্
  • হুন
  • দ্রাবিড়

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উক্ত আন্দোলনের ফলাফল ছিল-
i. শেখ মুজিবুর রহমান এর কারা মুক্তি
ii. আইয়ুবের পতন
iii. গণতান্ত্রিক শাসন কায়েম নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উদ্দীপকের অনুরূপ ৬৯'র গণঅভুত্থানে নিহতরা-

Dhaka · 2018

  • ড. শাসসুজ্জোহা ও আসাদ
  • তিউর ও বাবুল
  • সার্জেন্ট জহুরুল হক ও ওয়াজিউল্লাহ
  • মনু মিয়া ও মতিউর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?

Dhaka · 2018

  • ২৫ জন
  • ২৮ জন
  • ৩০ জন
  • ৩৫ জন

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

Combined · 2019

  • আগ্রাবাদ
  • কালুরঘাট
  • মুজিবনগর
  • মেহেরপুর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-
i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র
ii. স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা
iii. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.শেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-

Combined · 2019

  • হাসান
  • ইব্রাহিম
  • ফরিদ
  • ফজল

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

Combined · 2019

  • দাক্ষিণাত্য
  • দৌলতাবাদ
  • মুফাস্সরবাদ
  • আফগানপুর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?i. গজনী অধিকারii. হিরাত অধিকারiii. উক্ত ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যানিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যাআগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্রii. স্বাধীনতার দিক নশেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।