শাসক হিসেবে তার কৃতিত্ব মূল্যায়ন করো ।
উত্তর: শাসক হিসেবে বাবরের কৃতিত্ব অতুলনীয়। বাবর ১৫২৬ খ্রিষ্টাব্দে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে জয় লাভ করে লোদি সালতানাতের ধ্বংসস্তূপের ওপর মুঘল শাসনের সূচনা করেন। তার প্রতিষ্ঠিত এই বংশ প্রায় তিনশ বছর (১৫২৬-১৮৫৮ খ্রি.) দিল্লি শাসন করে। সামান্য অবস্থা থেকে নানা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে বাবর নিজেকে একজন শাসক হিসেবে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান। তাই তার কৃতিত্ব অসীম । বাবর সমসাময়িককালে শ্রেষ্ঠ যোদ্ধা ও সেনানায়ক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। পানিপথের প্রথম যুদ্ধসহ পরবর্তী যুদ্ধসমূহে সেনানায়ক হিসেবে তিনি কৃতিত্বের পরিচয় দেন। সম্রাট হিসেবে তিনি মাত্র চার বছর রাজত্ব করেন । রাজত্বকালের অধিকাংশ সময় কেটেছে যুদ্ধ বিগ্রহে করে তবুও তিনি সাম্রাজ্যের প্রশাসনিক দপ্তরগুলোতে শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেন। শাসনকাজ নির্বাহের জন্য তিনি প্রত্যেক প্রদেশে একজন করে ওয়ালী, দিওয়ান, শিকদার, কোতোয়াল প্রভৃতি কর্মকর্তা নিয়োগ দেন । তিনি ছিলেন বিদ্যা ও সংস্কৃতি অনুরাগী। তুর্কি ভাষায় লিখিত তার আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'তুযুক-ই-বাবরি' এক অমূল্য সম্পদ। একজন সংগীত প্রেমী হিসেবে তিনি ফারসি ও তুর্কি ভাষায় অনেক সংগীত রচনা করেন। তার শাসনামলে স্থাপত্য শিল্পের ও ব্যাপক বিকাশ সাধিত হয় । সুতরাং বলা যায়, মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা শাসক হিসেবে বাবরের কৃতিত্ব অপরিসীম I
HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল
শাসক হিসেবে তার কৃতিত্ব মূল্যায়ন করো ।
উদ্দীপক
ঢাকা কলেজ · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর