উদ্দীপকের শাসকের কর্মকাণ্ড কি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রয়োগ করা যায় ? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: হ্যাঁ, আমি মনে করি, উদ্দীপকের শাসকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ শেরশাহের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আধুনিক রাষ্ট্র প্রযোগ করা সম্ভব । আধুনিক শাসনব্যবস্থার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সু-শৃঙ্খল প্রশাসন ব্যবস্থা। যে শাসনব্যবস্থায় একটি রাষ্ট্রের শান্তি শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তার বিধানের প্রতি যত বেশি নজর দেয়া হয় সে শাসনব্যবস্থা তত উন্নত । ফলে আধুনিক শাসনব্যবস্থায় আইনের শাসন সর্বপ্রথম বিবেচিত হয়। কেননা, একটি শাসনব্যবস্থার মূল কেন্দ্রবিন্দু জনগণ। তাই জনগণের সুখ-শান্তি, সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার প্রতি দৃষ্টি রাখা আধুনিক শাসনব্যবস্থার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ আধুনিক শাসনব্যবস্থায় আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের ফলে একটি রাষ্ট্রের সর্বত্র ন্যায়-বিচার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বিদ্রোহ-বিশৃঙ্খলা হবার সম্ভাবনা থাকে না। ফলে রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়। ক্ষমতার এ বিকেন্দ্রীকরণ নীতি শের শাহের শাসনব্যবস্থায়ও লক্ষণীয়। তিনি শাসনব্যবস্থাকে কার্যকরী ও গতিশীল করার লক্ষ্যে এ নীতি গ্রহণ করেছিলেন। তার শাসনব্যবস্থা পরিচালিত হয়েছিল মূলত জনগণের কল্যাণের উদ্দেশ্যে । যেটি আধুনিক শাসনব্যবস্থার একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য। শেরশাহের সুষ্ঠু ভূমি জরিপ ব্যবস্থার ফলে কৃষি ও কৃষকের কল্যাণ সাধিত হয়। এছাড়া তার প্রবর্তিত পুলিশ ও গোয়েন্দা ব্যবস্থা আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করে জননিরাপত্তা সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করত। ঈশ্বরী প্রসাদের মতে, 'শেরশাহের পুলিশি ব্যবস্থা সনাতনি হলেও ছিল শক্তিশালী ও উন্নত ধরনের। পরিশেষে বলা যায়, শেরশাহের শাসনব্যবস্থা আধুনিক শাসনব্যবস্থার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকের শাসকের কর্মকাণ্ড কি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রয়োগ করা যা…
উদ্দীপক
চট্টগ্রাম কলেজ · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর