শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে সিস্তান অভিযানের সাথে মুঘল সম্রাট হুমায়ুনের কোন অভিযানের মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা কর

উত্তর: উদ্দীপকের সিস্তান অভিযানের সাথে মুঘল সম্রাট হুমায়নের বাংলা অভিযানের মিল রয়েছে। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো:আফগান নেতা শেরশাহ ১৫৩৪ খ্রিষ্টাব্দে মুঙ্গেরের কাছে সুরুজগরের যুদ্ধে বাংলা ও বিহারের সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করে সমগ্র বিহার দখল করেন। পরবর্তী সময়ে শেরশাহ বঙ্গদেশে সফল অভিযান পরিচালনা করে অত্যন্ত শক্তিশালী হয়ে উঠেন। তার এরূপ শক্তি বৃদ্ধিতে হুমায়ুন শঙ্কিত হয়ে বাংলা অভিযান পরিচালনা করে। তুর্কী- মোঙ্গল বিজেতা তৈমুর লঙের ঘটনার সাথে এ অভিযানের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায় তৈমুর লঙ সিস্তান নির্বিঘ্নে রাজধানীতে প্রবেশ করেন। সিস্তান অধিপতি রাজধানী ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেন। একই ভাবে মুঘল সম্রাট হুমায়ুনও শেরশাহের বিরুদ্ধে বাংলা অভিযান চালান। হুমায়ুন গুজরাটে বাহাদুর শাহর বিদ্রোহ দমনে ব্যস্ত এমন সময়ে সাম্রাজ্যের অঞ্চলে আফগানরা মুঘলদের জন্য প্রচন্ড হুমকি হয়ে দেখা দেয়। শেরশাহ বিহার দখল করে বাংলায় দুটি সফল অভিযান চালান। এতে হুমায়ুন শঙ্কিত হয়ে ১৫৩৭ খ্রিষ্টাব্দে চুনার দুর্গ আক্রমণ ও দখল করেন। এরপর তিনি গৌর (১৫৩৮) অবরোধ করে বাংলা বিজয় সম্পূর্ণ করেন। হুমায়ুন সেখানে প্রায় ছয় মাস অলস সময় পার করেন।সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের তৈমুর লঙের সিস্তান অভিযানের সাথে এ ঘটনার সাথে সাদৃশ্য রয়েছে।

HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকে সিস্তান অভিযানের সাথে মুঘল সম্রাট হুমায়ুনের কোন অভিযানের ম…

উদ্দীপক

প্রাথমিক জীবনে তৈমুর লঙ সিস্তান অভিযানকালে নির্বিঘ্নে রাজধানীতে প্রবেশ করেন। সিস্তান অধিপতি রাজধানী ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেন। তৈমুর যখন নিশ্চিন্তে রাজধানীতে বিশ্রামরত তখন সিস্তানের সৈন্যরা তাকে ঘিরে ফেলে। এমন অতর্কিত আক্রমণে তৈমুর লঙ পরাজিত হয়ে কোনো মতে প্রান নিয়ে পালিয়ে যান। এমনকি কিছু দিনের জন্য তিনি রাজ্য হারা হন।

Dhaka · 2022

উত্তর

সিংহ।

উত্তর

জমির উপর কৃষকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সম্রাট শেরশাহ প্রবর্তিত একটি ব্যবস্থা, যা কবুলিয়ত ও বাট্টা হিসেবে পরিচিত। এ ব্যবস্থায় জমির উপর কৃষকের অধিকার স্বীকার করে সরকার পাট্টা বা জমির স্বত্ব দিতো। অন্যদিকে জমির কর এবং জমির উপর কৃষ্কের দায়িত্ব ও কর্তব্য স্বীকার করে কৃষকরা সরকারকে। মূলত জমদারী প্রথা বিলুপ্ত ও সরকারের সাথে জনগণের প্রত্যক্ষ সম্পর্ক সৃষ্টির লক্ষ্যে এই ব্যবস্থা প্রবর্তন করে শেরশাহ।

উত্তর

উদ্দীপকের সিস্তান অভিযানের সাথে মুঘল সম্রাট হুমায়নের বাংলা অভিযানের মিল রয়েছে। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো:আফগান নেতা শেরশাহ ১৫৩৪ খ্রিষ্টাব্দে মুঙ্গেরের কাছে সুরুজগরের যুদ্ধে বাংলা ও বিহারের সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করে সমগ্র বিহার দখল করেন। পরবর্তী সময়ে শেরশাহ বঙ্গদেশে সফল অভিযান পরিচালনা করে অত্যন্ত শক্তিশালী হয়ে উঠেন। তার এরূপ শক্তি বৃদ্ধিতে হুমায়ুন শঙ্কিত হয়ে বাংলা অভিযান পরিচালনা করে। তুর্কী- মোঙ্গল বিজেতা তৈমুর লঙের ঘটনার সাথে এ অভিযানের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায় তৈমুর লঙ সিস্তান নির্বিঘ্নে রাজধানীতে প্রবেশ করেন। সিস্তান অধিপতি রাজধানী ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেন। একই ভাবে মুঘল সম্রাট হুমায়ুনও শেরশাহের বিরুদ্ধে বাংলা অভিযান চালান। হুমায়ুন গুজরাটে বাহাদুর শাহর বিদ্রোহ দমনে ব্যস্ত এমন সময়ে সাম্রাজ্যের অঞ্চলে আফগানরা মুঘলদের জন্য প্রচন্ড হুমকি হয়ে দেখা দেয়। শেরশাহ বিহার দখল করে বাংলায় দুটি সফল অভিযান চালান। এতে হুমায়ুন শঙ্কিত হয়ে ১৫৩৭ খ্রিষ্টাব্দে চুনার দুর্গ আক্রমণ ও দখল করেন। এরপর তিনি গৌর (১৫৩৮) অবরোধ করে বাংলা বিজয় সম্পূর্ণ করেন। হুমায়ুন সেখানে প্রায় ছয় মাস অলস সময় পার করেন।সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের তৈমুর লঙের সিস্তান অভিযানের সাথে এ ঘটনার সাথে সাদৃশ্য রয়েছে।

উত্তর

তৈমুর লঙের মতো হুমায়নও অদূরদর্শিতা ও কৌশলগত দূর্বলতার কারনে বাংলা বিজয় পরবর্তী চৌসার যুদ্ধে শেরশাহের কাছে পরাজিত হয়ে সামরিকভাবে রাজ্যহারা হয়েছিলেন।মুঘল সম্রাট হুমায়ুন ১৫৩৭ খ্রিষ্টাব্দে চুনার দুর্গ আক্রমণ ও দখল করে বাংলা বিজয় সম্পূর্ণ করেন। এরপর তিনি বাংলায় প্রায় ছয় মাস পর্যন্ত অলস সময় কাটান। রাজ্যের প্রতি তার কোনো খেয়াল ছিলোনা তিনি আমোদ ফুর্তিতে মত্ত থাকেন। তার এই অলসতার মাধ্যমে শেরশাহ নিজের শক্তি বৃদ্ধি করেন এবং হুমায়ুনকে আক্রমণ করে পরাজিত করেন। তৈমুর লঙের পরাজয়ের সাথে হুমায়ুনের অদূরদর্শিতার সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়। তৈমুর লঙ সিস্তান দখল করে যখন রাজধানীতে নিশ্চিন্তে বিশ্রাম করছিলেন তখন সিস্তানের সৈন্যরা তাকে চারদিক থেকে অতর্কিত আক্রমণ করে ফলে তৈমুর লঙ পরাজিত হন এবং কোনোমতে প্রান নিয়ে পালিয়ে যান। একইভাবে হুমায়ুন শেরশাহকে চুনার দুর্গে আক্রমণ করে পরাজিত করেন এবং বাংলা জয় করে সেখানে মাস অতিবাহিত করেন। কৌশলগত দিক থেকে এটি ছিলো তার ভুল সিদ্ধান্ত। কার তার এই অলসতার সুযোগ নিয়ে শেরশাহ নিজের ক্ষমতা বৃদ্ধি করেন এবং বাংলা জয় করেন। এ অবস্থায় হুমায়ুন ১৫৩৮ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই মাসে গৌর অবরোধ করেন। কৌশলি শেরশাহ সুজ বাহিনীর সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ এড়িয়ে গৌর ত্যাগ করেন। হুমায়ুন তখন গৌর দখল করে ছয় মাস সেখানে আমোদ ফুর্তিতে মেতে উঠেন। সেই সময়কে কাজে লাগিয়ে শেরশাহ বিহার, বারানসি, জৈনপুর ও কনৌজ দখল করেন। এসময় হুমায়ুনের আলস্য ও ত্রুটিপূর্ন কৌশলের কারনে শেরশাহ নিজের শক্তি বৃদ্ধি করেন। এর ফলে চৌসার যুদ্ধে পরাজিত হয়ে হুমায়ুন পালিয়ে যেতে বাধ্য হন।পরিশেষে বলা যার, বাংলা জয়ের পর হুমায়ুনের আলস্য ও ত্রুটিপূর্নতার কারনে চৌসার যুদ্ধে তাকে পরাজিত হতে হয়।এমনকি এর ফলে তাকে সাময়িকভাবে রাজ্যহারা হতে হয় এবং রাজ্য ছেড়ে পালিয়ে যেতে হয় তার প্রান বাচাতে।
HSCIslamic History 2nd paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?
i. গজনী অধিকার
ii. হিরাত অধিকার
iii. উক্ত নগরী ধ্বংস সাধন নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উক্ত আন্দোলনের ফলাফল ছিল-
i. শেখ মুজিবুর রহমান এর কারা মুক্তি
ii. আইয়ুবের পতন
iii. গণতান্ত্রিক শাসন কায়েম নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উদ্দীপকের অনুরূপ ৬৯'র গণঅভুত্থানে নিহতরা-

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-
i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র
ii. স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা
iii. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.শেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?i. গজনী অধিকারii. হিরাত অধিকারiii. উক্ত ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যানিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যাআগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্রii. স্বাধীনতার দিক নশেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।