শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের সাথে ভারতবর্ষের কোন যুদ্ধের মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকের মধ্যে ভারতবর্ষের সম্রাট হুমায়ুন ও শেরশাহের মধ্যে সংঘটিত কনৌজ যুদ্ধের সাদৃশ্য রয়েছে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো : ভারতবর্ষের মুঘল সম্রাটদের মধ্যে সম্রাট হুমায়ুন ছিলেন উল্লেখযোগ্য। তার নামের অর্থ ভাগ্যবান হলেও তার মতো হতভাগ্য সম্রাট ইতিহাসে খুব কমই রয়েছে। সিংহাসনে আরোহনের পরপরই তিনি শেরশাহের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে যান। তবে ১৫৫৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি পিতৃরাজ্য উদ্ধারে সফল হয়েছিলেন। উদ্দীপকেও আমরা তা দেখতে পাই। উদ্দীপকে বর্ণিত এক মুঘল সম্রাটের নাম সৌভাগ্যবান। সম্রাট হিসাবে তিনি রাজ্য পরিচালনায় প্রথমে ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে আফগান নেতা সোলেয়মানের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ভারতবর্ষ ত্যাগ করতে বাধ্য হন। তবে জীবনের শেষ পর্যায়ে পিতৃরাজ্য উদ্ধারে সফল হন। উদ্দীপকের সম্রাটের সাথে সম্রাট হুমায়ুনের মিল রয়েছে। তিনি ১৫৪০ খ্রিষ্টাব্দে কনৌজ যুদ্ধে শেরশাহের কাছে মর্মান্তিক ভাবপ পরাজিত হন। রাজ্য হারিয়ে তিনি ১৫৫৫ খ্রিস্টাব্দে অসহায়ের মতো দেশদেশান্তরে ঘুরে বেড়ান। শেরশাহের বিরাগভাজন হওয়ার ভয়ে ভাইদের কাছেও আশ্রয় পেতে ব্যর্থ হন। এক পর্যায়ে তিনি পারস্য সম্রাটের দরবারে আশ্রয় পান। পারস্য সম্রাট শাহ তাহমাসপের সহযোগিতায় তিনি ১৫৪৫ খ্রিস্টাব্দে কাবুল ও কান্দার দখলে সফল হন। এসময় শেরশাহের মৃত্যুতে আফগান দূর্বল হয়ে পরে। এ সুযোগে তিনি ভারতে প্রবেশ করে ১৫৫৫ খ্রিস্টাব্দে ফেব্রুয়ারিতে লাহোর দখল করেন। সরহিন্দের যুদ্ধে সিকান্দার শুরকে পরাজিত করে একই বছর জুলাই মাসে দিল্লি ও আগ্রা দখল করে পুনরায় সিংহাসনে আরোহন করেন। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের সাথে মুঘল সম্রাট হুমায়ুনও শেরশাহের মধ্যে সংঘটিত কনৌজ যুদ্ধের সাদৃশ্য রয়েছে।

HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকের সাথে ভারতবর্ষের কোন যুদ্ধের মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

এক মোগল সম্রাটের নামের অর্থ ছিল সৌভাগ্যবান। সম্রাট হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনায় তিনি প্রথম জীবনে ব্যর্থ হয়েছিলেন। পরবর্তীতে আফগান নেতা সোলায়মান এর সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ভারত বর্ষ ত্যাগ করতে বাধ্য হন। তবে জীবনের শেষ পর্যায়ে তিনি পিতৃরাজ্য পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছিলেন।

Rajshahi · 2022

উত্তর

১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দে পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

উত্তর

"দীন-ই-ইলাহি" মুঘল সম্রাট আকবরের এক বিশেষ ধরনের ধর্মীয় নীতি। সম্রাট আকবর ১৫৮২ খ্রিস্টাব্দে 'দীন-ই-ইলাহি' নামে একটি নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন। এটি ছিল একটি একশ্বরবাদী ধর্ম। সকল ধর্মের ভালো ও উৎকৃষ্ট নীতিগুলাে এতে সমম্বিত হয়েছিলো। আকবরের প্রবর্তিত দীন-ই-ইলাহি' ধর্মমতে কোনো নবী বা দেবদেবীর অস্তিত্ব ছিলো না। প্রতি রোববার সম্রাট নির্দিষ্ট আসনে বসে আগ্রহীদের দীক্ষা দিতেন। একসময় দীক্ষা গ্রহণকারী সম্রাটের নামে ৪ টি স্তরে ব্যক্তির জীবন, সম্মান ও সম্পত্তি উৎসর্গ করতে হত।

উত্তর

উদ্দীপকের মধ্যে ভারতবর্ষের সম্রাট হুমায়ুন ও শেরশাহের মধ্যে সংঘটিত কনৌজ যুদ্ধের সাদৃশ্য রয়েছে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো : ভারতবর্ষের মুঘল সম্রাটদের মধ্যে সম্রাট হুমায়ুন ছিলেন উল্লেখযোগ্য। তার নামের অর্থ ভাগ্যবান হলেও তার মতো হতভাগ্য সম্রাট ইতিহাসে খুব কমই রয়েছে। সিংহাসনে আরোহনের পরপরই তিনি শেরশাহের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে যান। তবে ১৫৫৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি পিতৃরাজ্য উদ্ধারে সফল হয়েছিলেন। উদ্দীপকেও আমরা তা দেখতে পাই। উদ্দীপকে বর্ণিত এক মুঘল সম্রাটের নাম সৌভাগ্যবান। সম্রাট হিসাবে তিনি রাজ্য পরিচালনায় প্রথমে ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে আফগান নেতা সোলেয়মানের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ভারতবর্ষ ত্যাগ করতে বাধ্য হন। তবে জীবনের শেষ পর্যায়ে পিতৃরাজ্য উদ্ধারে সফল হন। উদ্দীপকের সম্রাটের সাথে সম্রাট হুমায়ুনের মিল রয়েছে। তিনি ১৫৪০ খ্রিষ্টাব্দে কনৌজ যুদ্ধে শেরশাহের কাছে মর্মান্তিক ভাবপ পরাজিত হন। রাজ্য হারিয়ে তিনি ১৫৫৫ খ্রিস্টাব্দে অসহায়ের মতো দেশদেশান্তরে ঘুরে বেড়ান। শেরশাহের বিরাগভাজন হওয়ার ভয়ে ভাইদের কাছেও আশ্রয় পেতে ব্যর্থ হন। এক পর্যায়ে তিনি পারস্য সম্রাটের দরবারে আশ্রয় পান। পারস্য সম্রাট শাহ তাহমাসপের সহযোগিতায় তিনি ১৫৪৫ খ্রিস্টাব্দে কাবুল ও কান্দার দখলে সফল হন। এসময় শেরশাহের মৃত্যুতে আফগান দূর্বল হয়ে পরে। এ সুযোগে তিনি ভারতে প্রবেশ করে ১৫৫৫ খ্রিস্টাব্দে ফেব্রুয়ারিতে লাহোর দখল করেন। সরহিন্দের যুদ্ধে সিকান্দার শুরকে পরাজিত করে একই বছর জুলাই মাসে দিল্লি ও আগ্রা দখল করে পুনরায় সিংহাসনে আরোহন করেন। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের সাথে মুঘল সম্রাট হুমায়ুনও শেরশাহের মধ্যে সংঘটিত কনৌজ যুদ্ধের সাদৃশ্য রয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্নিত মুঘল আফগান দ্বন্দ্বে শেরশাহের সফলতার নানা কারণ বিদ্যমান। শেরশাহ ছিলেন সমকালের শ্রেষ্ঠ সমরনায়ক। একজন সুদক্ষ শাসক ও রাজনৈতিকবিদ অনুসারে শেরশাহ অনন্য কৃতিত্বের অধিকারী। ভারতবর্ষ শাসনকারী যেকোনো শাসক অপেক্ষা তিনি শ্রেষ্ঠ। তিনি রাজনৈতিক দূরদৃষ্টি ও কূটনৈতিক জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন। তার এইগুনের কারণে তিনি মুঘল আফগান দখলে সফল হয়েছিলেন। শেরশাহ ছিলেন হুমায়ুনের সম্পূর্ণ বিপরীত চরিত্রের অধিকারী। তিনি ছিলেন সমকালের দূরদর্শী রাজনীতিবিদ। হুমায়ুন অপেক্ষা তিনি ছিলেন রণ অভিজ্ঞ একজন সেনাপতি। সামরিক কলাকৌশল ও শক্তিমত্তায় তিনি ছিলেন হুমায়ুনের অপেক্ষা অনেক উর্ধ্বে। সামরিক বাহিনী গঠন ও পরিচালনায় তার যথেষ্ট অভিজ্ঞতা ছিল। অন্যদিকে হুমায়ূনের ব্যক্তিগত বীরত্বের দু-একটি উদাহরণ থাকলে সামরিক বাহিনী গঠনে তিনি ছিলেন সম্পূর্ণ ব্যর্থ। হুমায়ুন ও শেরশাহের এ বিপরীত অবস্থান শেরশাহের সাফল্যের মূলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে ঐতিহাসিকরা মনে করেন। তাছাড়া হুমায়ুনের সেনাবাহিনী নানা জাতিগোষ্ঠীর সমন্বয়ে গঠিত ছিল। এ বাহিনীর সাংগঠনিক ভিত্তি দূর্বল ছিল।তাদের মধ্যে শৃঙ্খলা, সংহতি ও নিয়মানুবর্তিতার অভাব ছিল। মুঘল সেনাবাহিনীর এ দূর্বলতা সুনিয়ন্ত্রিত ও সুসংগঠিত সেনাবাহিনীর অধিকারী শেরশাহের সাফল্যের অন্যতম কারণ। সুতরাং শেরশাহের দূরদর্শিতা, কূটনৈতিকতা ছিল মুঘল আফগান দ্বন্দ্বে সফলতার কারণ।
HSCIslamic History 2nd paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?
i. গজনী অধিকার
ii. হিরাত অধিকার
iii. উক্ত নগরী ধ্বংস সাধন নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উক্ত আন্দোলনের ফলাফল ছিল-
i. শেখ মুজিবুর রহমান এর কারা মুক্তি
ii. আইয়ুবের পতন
iii. গণতান্ত্রিক শাসন কায়েম নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উদ্দীপকের অনুরূপ ৬৯'র গণঅভুত্থানে নিহতরা-

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-
i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র
ii. স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা
iii. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.শেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?i. গজনী অধিকারii. হিরাত অধিকারiii. উক্ত ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যানিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যাআগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্রii. স্বাধীনতার দিক নশেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।