উক্ত যুদ্ধের তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উক্ত যুদ্ধ তথা গোগরার যুদ্ধের তাৎপর্য অপরিসীম।১৫২৯ খ্রিষ্টাব্দে সংঘটিত গোগরার যুদ্ধে গোলন্দাজ বাহিনী মুঘলদের বিজয়ী হতে সাহায্য করে। আফগান বাহিনী যুদ্ধে পরাজিত হয়। তাদের পরাজিত হওয়ার মাধ্যমে লোদী বংশের শেষ ভরসা মাহমুদ লোদীর শাসনের সম্ভাবনাটুকুও বিনষ্ট হয়। বাংলার শাসক নুসরত শাহ বাবরের সাথে একটি চুক্তি বা সন্ধি সম্পাদন করেন। এতে উভয় রাজ্যের সার্বভৌমত্ব, সীমানা ইত্যাদির প্রতি স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। বাবরের কোনো শত্রুকে নুসরত শাহ আশ্রয় দেবেন না- এই মর্মে বাবরকে প্রতিশ্রুতি দেন। গোগরার যুদ্ধের মাধ্যমে বাবর সকল শক্তির ওপর বিজয়ী হন। পানিপথের প্রথম যুদ্ধ, খানুয়ার যুদ্ধ এবং গোগরার যুদ্ধের পর আর কোনো শক্তি বাবরকে চ্যালেঞ্জ করার মতো অবশিষ্ট থাকল না। সুলতানি সাম্রাজ্য মুঘল সাম্রাজ্যে পরিণত হলো। এ যুদ্ধ ছিল পানিপথের প্রথম যুদ্ধ ও খানুয়ার যুদ্ধের পরিপূরক। এ যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে ভারতবর্ষে লোদি-আফগানদের পুনরুত্থানের সম্ভাবনা। সম্পূর্ণরূপে ধূলিস্যাৎ হয়। অন্যদিকে, সমগ্র উত্তরাঞ্চলের ওপর বাবর তথা মুঘলদের আধিপত্য নিশ্চিত হয়। বাবরের রাজ্যসীমা অক্ষু নদী থেকে গোগরা নদী এবং হিমালয় থেকে গোয়ালিয়র পর্যন্ত বিস্তৃতি লাভ করে।অতএব, গোগরার যুদ্ধ সম্রাট বাবরকে অনুকূল পরিবেশে ক্ষমতা গ্রহণে সহায়তা করে এবং ভারতে মুঘলদের প্রতিদ্বন্দী শক্তির বিনাশ ঘটায়। তাই ভারতবর্ষের ইতিহাসে গোগরার যুদ্ধের গুরুত্ব অপরিসীম।
HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল
উক্ত যুদ্ধের তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।
উদ্দীপক
নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজ, রাজশাহী · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর