শেয়ারFacebookWhatsApp

'তুযুক-ই-বাবুরি' গ্রন্থের পরিচয় দাও।

উত্তর: ভারতের ইতিহাসের উৎস হিসেবে তুজুক-ই-বাবরির সাহিত্যিক মূল্য অনেক। 'বাবরনামা' হচ্ছে সম্রাট বাবরের আত্মজীবনীমূলক ঐতিহাসিক একটি শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ। তিনি গদ্য সাহিত্যে তুর্কি ভাষায় এটি রচনা করেন। এ গ্রন্থে বাবর তার পূর্বপুরুষদের কথা, তার জন্ম, শৈশব, কৈশোরের কথা উল্লেখ করেছেন। এ গ্রন্থে বাবর তার বোকামি ও ব্যর্থতাগুলো অকপটে তুলে ধরেছেন। এ 'আত্মজীবনীতে ভারতের আবহাওয়া, পরিবেশ, ফলমূল ও মানুষের বৈশিষ্ট্যের কথা বর্ণনা করেছেন।

HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল

'তুযুক-ই-বাবুরি' গ্রন্থের পরিচয় দাও।

উদ্দীপক

শুর বংশের শাসক তুগ্রিলবেগের জীবন ছিল একাধারে সংগ্রামী, বীরত্বপূর্ণ এবং দুর্ভাগ্যজনক। তিনি একদিকে যেমন সফল বিজেতা ছিলেন, তেমনি অন্যদিকে নিজের সাম্রাজ্য ফিরে পাওয়ার জন্য কঠিন 'সংগ্রামে লিপ্ত ছিলেন। তুগ্রিলবেগের শাসনকাল ছিল অস্থিরতার মধ্যে, যেখানে সাম্রাজ্যের বিস্তার এবং শক্তি বজায় রাখতে নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়েছিল তাকে। তার জীবনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলোর মধ্যে রয়েছে, শুর সাম্রাজ্য থেকে বিতাড়িত হয়ে শত্রু মাহমুদ শাহের কাছে পরাজিত হওয়া এবং পরে তার ফিরে আসা ও পুনরায় সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করা।

বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ · 2025

উত্তর

পানিপথের প্রথম যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৫২৬ খ্রিষ্টাব্দে।

উত্তর

ভারতের ইতিহাসের উৎস হিসেবে তুজুক-ই-বাবরির সাহিত্যিক মূল্য অনেক। 'বাবরনামা' হচ্ছে সম্রাট বাবরের আত্মজীবনীমূলক ঐতিহাসিক একটি শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ। তিনি গদ্য সাহিত্যে তুর্কি ভাষায় এটি রচনা করেন। এ গ্রন্থে বাবর তার পূর্বপুরুষদের কথা, তার জন্ম, শৈশব, কৈশোরের কথা উল্লেখ করেছেন। এ গ্রন্থে বাবর তার বোকামি ও ব্যর্থতাগুলো অকপটে তুলে ধরেছেন। এ 'আত্মজীবনীতে ভারতের আবহাওয়া, পরিবেশ, ফলমূল ও মানুষের বৈশিষ্ট্যের কথা বর্ণনা করেছেন।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত শাসকের সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের শাসকসম্রাট হুমায়ুনের মিল রয়েছে। তিনি শেরশাহের কাছে পরাজিত হয়ে রাজ্য থেকে বিতাড়িত হন। তবে পরবর্তীতে রাজ্য পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হন।সম্রাট বাবরের পর হুমায়ুন ১৫৩৯ খ্রিষ্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন। তার রাজত্বকাল ছিল মুঘল আফগান দ্বন্দ্বে চূড়ান্ত সময়। আর তাদের এ দ্বন্দ্বে নেতৃত্ব দেন শেরশাহ। এরই প্রেক্ষিতে হুমায়ূন ও শেরশাহের মধ্যে দ্বন্দ্ব ও যুদ্ধ সংঘটিত হয়। আফগানরা হুমায়ূনের বিরুদ্ধে লক্ষ্ণৌর সন্নিকটে দাদরাতে অস্ত্রধারণ করলে হুমায়ূন ১৫৩২ সালে তাদের পরাজিত করেন। ইতোমধ্যে শেরশাহ চুনার দুর্গ আক্রমণ করলে হুমায়ূন সেখানে অভিযান প্রেরণ করেন এবং শেরশাহ তার আনুগত্য স্বীকার করে। কিন্তু শেরশাহের অন্তরে সুপ্তবাসনা হলো দিল্লির মসনদে আরোহণ করা। তাই হুমায়ূন যখন গুজরাটের বিদ্রোহ দমনে ব্যস্ত তখন ১৫৩৪ খ্রিষ্টাব্দে সুরুজগড়ের যুদ্ধে জয়ী হয়ে সমগ্র বিহার দখল করে নেন। এরপর আর শেরশাহকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। শেরশাহের কৌশলে পদক্ষেপ এবং হুমায়ূনের অবিবেচনাপ্রসূত কর্মকান্ড শেরশাহকে দিল্লির মসনদে অধিষ্ঠিত করে। ১৫৩৯ খ্রিষ্টাব্দে চৌসার যুদ্ধে হুমায়ূনের পরাজয় ও পলায়ন শেরশাহকে এসুযোগ এনে দেয়। মূলত শেরশাহ ভারতবর্ষে আফগান শাসন প্রতিষ্ঠা করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন এবং সফলও হয়েছিলেন। কিন্তু ১৫৪৫ খ্রিষ্টাব্দে কালিঞ্জর দুর্গ অবরোধকালে বারুদের বিস্ফোরণে তার আকস্মাৎ মৃত্যু ঘটলে আফগানদের শাসনের পরিসমাপ্তি ঘটে। ভাগ্যবান হুমায়ূন পুনরায় দিল্লিতে অধিষ্ঠিত হন এবং পরবর্তীতে স্বনামধন্য মুঘল শাসকেরা মুঘল শাসনকে ইতিহাসে স্থায়ী রূপ দেন। পরবর্তীতে তিনি ১৫৫৫ খ্রিষ্টাব্দে সিংহাসন পুনরুদ্ধার করে ১ বছর শাসন করে ১৫৫৬ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।অতএব উদ্দীপকের সম্রাট হুমায়ুনের সরাজ্য থেকে বিতাড়ন ও পুনরায় তা উদ্ধারের কথা বলা হয়েছে।

উত্তর

উক্ত শুর বংশের শাসক ছিলেন শেরশাহ।পৃথিবীর ইতিহাসে যেসব ব্যক্তি দক্ষতা ও মেধা খাটিয়ে সামান্য অবস্থা থেকে শাসনক্ষমতার স্বর্ণ শিখরে উপনীত হয়েছেন, তাদের মধ্যে শেরশাহ অন্যতম। তিনি ভারতে মুঘল সাম্রাজ্যের শাসনের ছেদ ঘটিয়ে স্বল্পকালীন সময়ের জন্য আফগান শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। ১৫৩৯ খ্রিষ্টাব্দে তিনি চৌসার যুদ্ধে হুমায়ূনকে পরাজিত করে ভারতবর্ষে আফগান শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। শেরশাই সিংহাসনে বসেই রাজ্য বিস্তারে মনোনিবেশ করেন। একে একে তিনি পাঞ্জাব, সিন্ধু, মুলতান প্রভৃতি রাজ্যভুক্ত করেন। শেরশাহ আজমীর থেকে আবু পর্বত পর্যন্ত সমগ্র ভূভাগ নিজ অধিকারে আনেন। কালিঞ্জর দুর্গ ছিল শেরশাহের শেষ অভিযান। এটিও তিনি জয় করেন। রাজস্ব ব্যৱস্থার সংস্কারের জন্য ভারতবর্ষে সর্বাধিক খ্যাতিমান শাসক ছিলেন শেরশাহ। তিনি ভূমি "জরিপের মাধ্যমে ভূমি রাজস্ব নির্ধারণ করেন। কবুলিয়ত ও 'পাট্টা একটি গভীর যোগসূত্র তৈরি হয়। ফলে সরকার কৃষি রাজস্ব থেকে কখনো বঞ্চিত হয়নি। শুল্ক ও মুদ্রানীতিও সম্রাটের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার ছিল। তিনি ভারতবর্ষে তঙ্কা (টাকা) ও রুপাইয়ার প্রচলন করেন। তিনি প্রায় দেড় লাখ অশ্বারোহী ও অর্ধলক্ষ পদাতিক ও গোলন্দাজ বাহিনী নিয়ে একটি শক্তিশালী সামরিক বাহিনী গঠন করেন। শেরশাহ পুলিশ ও গুপ্তচর ব্যবস্থা প্রবর্তনের মাধ্যমে সাম্রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ও জনগণের বিদ্রোহী মনোভাব বুঝতে সমর্থ হতেন। বিচার ব্যবস্থার সংস্কার করে তিনি সব নাগরিককে আইনের দৃষ্টিতে সমানাধিক প্রদান করেন। জনগণের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য গ্র্যান্ড ট্রাংক রোড নির্মাণ করেন। রাস্তার পাশে অসংখ্য সরাইখানা নির্মাণ করেন। তিনিই প্রথম ভারতবর্ষে ডাক ব্যবস্থার প্রতিষ্ঠা করেন।উপরিউক্ত বর্ণনার ভিত্তিতে বলা যায়, শেরশাহ মাত্র পাঁচ বছরের শাসনামলে ব্যাপক সংস্কার কার্য সাধন করে ব্যাপক কৃতিত্ত্ব প্রদর্শন করেন।
HSCIslamic History 2nd paperবরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ 2025
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?
i. গজনী অধিকার
ii. হিরাত অধিকার
iii. উক্ত নগরী ধ্বংস সাধন নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উক্ত আন্দোলনের ফলাফল ছিল-
i. শেখ মুজিবুর রহমান এর কারা মুক্তি
ii. আইয়ুবের পতন
iii. গণতান্ত্রিক শাসন কায়েম নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উদ্দীপকের অনুরূপ ৬৯'র গণঅভুত্থানে নিহতরা-

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-
i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র
ii. স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা
iii. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.শেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?i. গজনী অধিকারii. হিরাত অধিকারiii. উক্ত ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যানিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যাআগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্রii. স্বাধীনতার দিক নশেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।