মুঘল স্থাপত্যের বিকাশে উক্ত সম্রাটদের অবদান অনস্বীকার্য।
সম্রাট শাহজাহান ছিলেন সৌন্দর্য পিপাসু এবং শিল্পী মনের মানুষ এতোভাবে তিনি ছিলেন শিল্পকলা সৌন্দর্য ও সম্পদের পূজারী। ভারতবর্ষের ইতিহাসে শাহজাহান একজন শ্রেষ্ঠ নির্মাতা ছিলেন। সেজন্য ঐতিহাসিকতাই তাকে স্থাপত্যের রাজপুত্র বলে অভিভূত করেছে। শাহজাহান তার আগের মুঘল সম্রাটদের আমলে স্থাপত্যের নির্মাণ উপকরণ লাল পাথরের স্থলে বহু মূল্যবান শ্বেত মর্ম পাথর ব্যবহার করেন। তার স্থাপত্যের রং আর আড়ম্বরের প্রাচুর্য বিশেষভাবে দেখা যায়। তার মনন শীল শিল্প সৌন্দর্যবোধের চরম বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে স্থাপত্য ও চিত্রকলায়। নন্দনতত্ত্ব ও শিল্পকলার এ দুটো বিষয়ে তার কীর্তি লক্ষণীয়। তাজমহল ময়ূর সিংহাসন তাঁর অনন্য কীর্তি।এছাড়া নির্মিত ইমারত সমূহের মধ্যে রয়েছে হীরামহল,মতিমহল,শীষমহল ইত্যাদি। এছাড়াও মার্বেল পাথর নির্মিত লালকেল্লা তার অনন্য কীর্তি।প্রায় ৩০ লাখ মুদ্রা ব্যয়ে মোতি নির্মাণ করেন। তিনি স্থাপত্য শিল্পের দিক দিয়ে মুঘল সাম্রাজকে এক অনন্য গৌরব এনে দিয়েছে। স্থাপত্য শিল্পে মুঘল সাম্রাজ্যের অনন্য মাত্রা যোগ হয়।
সুতরাং বলা যায়, মুঘল স্থাপত্যের সম্রাট শাহজাহানের অবদান অনস্বীকার্য।