শেয়ারFacebookWhatsApp

তাজমহল সম্পর্কে যা জানো ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: সম্রাট শাহজাহানের নির্মিত মুঘল স্থাপত্যশৈলীর আকর্ষণীয় নিদর্শন হলো ভারতের আগ্রায় অবস্থিত তাজমহল । মমতাজ ছিলেন সম্রাট শাহজাহানের প্রিয়তমা পত্নী। কিন্তু মমতাজের আকস্মিক মৃত্যুতে শাহজাহান ভেঙে পড়েন। তিনি তার প্রিয়তমা পত্নীর স্মৃতি মনেপ্রাণে ধরে রাখার জন্য সকল ভালোবাসা দিয়ে যমুনা নদীর তীরে এক স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করেন। এটা মমতাজের সমাধির ওপর নির্মিত হয়। তার নামানুসারে নামকরণ করা হয় 'তাজমহল'। ১৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে তাজমহল নির্মাণের কাজ আরম্ভ হয় এবং ১৬৫৩ খ্রিষ্টাব্দে এর কাজ সমাপ্ত হয়। ২০ হাজার লোকের ২২ বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে তিন কোটি মুদ্রা ব্যয়ে তাজমহলের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছিল।

HSC Islamic History 2nd paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · সৃজনশীল

তাজমহল সম্পর্কে যা জানো ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপক

সম্রাট বাহাদুর 'ক' তার সাম্রাজ্যের সকল শ্রেণির জনগণের মধ্যে সম্প্রীতি রক্ষার জন্য একটি বিশেষ গোষ্ঠীর লোকদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা প্রদান করেন। তিনি নিজে এই গোষ্ঠীর এক রাজকন্যাকে বিবাহ করেন এবং নিজ পুত্রকে উক্ত গোষ্ঠীর এক কন্যার সাথে বিবাহ প্রদান করান। তিনি উক্ত গোষ্ঠীর লোকদের সামরিক ও বেসামরিক বিভাগে চাকরি দেন। সম্রাট এই গোষ্ঠীর লোকদের মনোরঞ্জনের জন্য তাদের সাথে খোলাখুলিভাবে মিশতেন। ফলে সাম্রাজ্যে সুবাতাস বইতে শুরু করে।

ঢাকা সিটি কলেজ · 2024

উত্তর

পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ ১৫৫৬ সালে সংঘটিত হয়।

উত্তর

সম্রাট শাহজাহানের নির্মিত মুঘল স্থাপত্যশৈলীর আকর্ষণীয় নিদর্শন হলো ভারতের আগ্রায় অবস্থিত তাজমহল । মমতাজ ছিলেন সম্রাট শাহজাহানের প্রিয়তমা পত্নী। কিন্তু মমতাজের আকস্মিক মৃত্যুতে শাহজাহান ভেঙে পড়েন। তিনি তার প্রিয়তমা পত্নীর স্মৃতি মনেপ্রাণে ধরে রাখার জন্য সকল ভালোবাসা দিয়ে যমুনা নদীর তীরে এক স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করেন। এটা মমতাজের সমাধির ওপর নির্মিত হয়। তার নামানুসারে নামকরণ করা হয় 'তাজমহল'। ১৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে তাজমহল নির্মাণের কাজ আরম্ভ হয় এবং ১৬৫৩ খ্রিষ্টাব্দে এর কাজ সমাপ্ত হয়। ২০ হাজার লোকের ২২ বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে তিন কোটি মুদ্রা ব্যয়ে তাজমহলের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছিল।

উত্তর

উদ্দীপকের সম্রাট বাহাদুর 'ক'-এর সাথে মুঘল সম্রাট আকবরের রাজপুত নীতির সামঞ্জস্য পরিলক্ষিত হয়। অর্ধশতাব্দী রাজত্বকালে সম্রাট আকবরের গৃহীত উল্লেখযোগ্য নীতিগুলোর মধ্যে রাজপুত নীতি একটি। সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের সমর্থনের মাধ্যমে সর্বভারতীয় সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি রাজপুত নীতি গ্রহণ করেন। এ নীতির বাস্তবায়নে তিনি রাজপুতদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করেন। উদ্দীপকেও অনুরূপ প্রতিচ্ছবি লক্ষণীয়। উদ্দীপকে বর্ণিত সম্রাট বাহাদুর 'ক' তার সাম্রাজ্যের সকল শ্রেণির জনগণের মধ্যে সম্প্রীতি রক্ষার জন্য একটি বিশেষ গোষ্ঠীর লোকদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা প্রদান করেন। এ লক্ষ্যে তিনি বিশেষ গোষ্ঠীর রাজকন্যাকে বিয়ে করেন এবং নিজ পুত্রকেও বিয়ে দেন। বিশেষ গোষ্ঠীর লোকদের সামরিক ও বেসামরিক বিভাগে নিয়োগ দেন। এছাড়াও এই গোষ্ঠীর লোকদের মনোরঞ্জনের জন্য তাদের সাথে খোলাখুলিভাবে মিশতেন। ফলে সাম্রাজ্যে সুবাতাস বইতে শুরু করে। অনুরূপ ব্যক্তির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সম্রাট আকবর। তিনি ছিলেন উদারপন্থি ও অসাম্প্রদায়িক। ভারতবর্ষে সকল শ্রেণির জনগণের শুভেচ্ছা, সদিচ্ছা ও সম্প্রীতির ওপর মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করার মানসে সহিষ্ণু, ধর্মনিরপেক্ষ ও অসাম্প্রদায়িক মনোবৃত্তিসম্পন্ন সম্রাট আকবর ভারতবর্ষের হিন্দু জাগরণের নেতৃত্বদানকারী রণদক্ষ ও নির্ভীক রাজপুতদের সহযোগিতা ও সহানুভূতি লাভে সচেষ্ট হন। সম্রাট আকবর ভারতে বিভিন্ন রাজপুত বংশের সাথে বৈবাহিক মিত্রতা স্থাপনে যত্নবান হন। তিনি সর্বপ্রথম অম্বরের রাজা বিহারীমলের কন্যা যোধাবাঈকে বিবাহ করেন। ১৫৬৩ সালে তিনি তীর্থযাত্রীদের ওপর অর্পিত কর এবং জিজিয়া কর ব্যবস্থার বিলোপসাধন করেন। এর ফলে রাজপুতদের শুধু নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং মুঘল সাম্রাজ্য বিস্তার ও স্থায়িত্বে রাজপুতদের সহায়তা লাভ সম্ভব হয়। সুতরাং বলা যায়, সম্রাট বাহাদুর 'ক' এর পদক্ষেপে মুঘল সম্রাট আকবরের রাজপুত নীতিরই প্রতিফলন ঘটেছে।

উত্তর

উদ্দীপকের সম্রাট বাহাদুর 'ক' অর্থাৎ মুঘল সম্রাট আকবর সাম্রাজ্যের বিশেষ গোষ্ঠীর প্রতি বন্ধুত্বমূলক মনোভাব ও সদয় আচরণের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করে ভারতবর্ষে নবযুগের সূচনা করে। ঐতিহাসিকরা মনে করেন রাজপুতদের সাথে আকবরের উদার ব্যবহার তার উচ্চ রাজনৈতিক বিচক্ষণতার পরিচায়ক। ঐতিহাসিক মোরল্যান্ড বলেন, “এই নীতির ফলে রাজপুতদের অধিকাংশ সুনির্দিষ্টভাবে সম্রাটের অনুগত হয়ে পড়েন। যার ফলে তিনি ভারতের সর্বশ্রেষ্ঠ ৫০,০00 অশ্বারোহী বাহিনীর সেবালাভের অধিকারী হয়েছিলেন।" ভি এ স্মিথ বলেন, “আকবরের বিভিন্ন পদক্ষেপ রাজপুতদের সন্তুষ্ট করতে সক্ষম হয় এবং তারা বাবরের নিকট পরাজয়ের আঘাত সহজেই ভুলে যায়। বিদেশি নয় বরং আকবরকে 'জাতীয় নরপতি' হিসেবে মেনে নিয়ে রাজপুতরা মুঘল সাম্রাজ্যের স্থায়িত্ব বিধানে সহযোগিতা করে।" রাজপুতদের প্রতি সম্রাটের বন্ধুত্বমূলক মনোভাব ও সদয় আচরণ ভারতে মুসলমান শাসনের ইতিহাসে এক নবযুগের সূচনা করে। এর ফলে রাজ্য বিস্তার ও রাজ্য শাসন-এর ব্যাপারে এবং এদেশে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক উন্নতি ও প্রগতির ক্ষেত্রে রাজপুতদের অবদান অনস্বীকার্য। প্রকৃতপক্ষে রাজপুতদের প্রতি উদার আচরণের দ্বারাই সম্রাট আকবর প্রজাদের সর্বজনীন আতিথ্য পেয়েছিলেন এবং মুঘল সাম্রাজ্যের ভিত্তিমূল সুদৃঢ় করেছিলেন। এ নীতির সূত্র ধরেই তিনি 'মহান' আখ্যায় ভূষিত হয়েছিলেন। উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রতীয়মান হয় যে, সম্রাট আকবর রাজপুত নীতির মাধ্যমে তার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে সমর্থ হয়েছিলেন। এর ফলে ভারতে হিন্দু-মুসলিম সুম্পর্কের নতুন যুগের সূচনা হয়।
HSCIslamic History 2nd paperঢাকা সিটি কলেজ 2024
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?
i. গজনী অধিকার
ii. হিরাত অধিকার
iii. উক্ত নগরী ধ্বংস সাধন নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উক্ত আন্দোলনের ফলাফল ছিল-
i. শেখ মুজিবুর রহমান এর কারা মুক্তি
ii. আইয়ুবের পতন
iii. গণতান্ত্রিক শাসন কায়েম নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা তখন কারাগারে। বিকল্প নেতার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তীব্রতায় রাজপথ রঞ্জিত হয়। নিহতদের আত্মত্যাগে শেষ পর্যন্ত এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।Q. উদ্দীপকের অনুরূপ ৬৯'র গণঅভুত্থানে নিহতরা-

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-
i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র
ii. স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা
iii. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.শেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

শের শাহ মৌলিক প্রতিভার পরিচয় দেন-সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?ভারতের প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?আলাউদ্দিন হোসেনকে 'জাহানসুজ' বলা হয় কেন?i. গজনী অধিকারii. হিরাত অধিকারiii. উক্ত ভারতবর্ষেল প্রাচীনতম অধিবাসী কারা?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যানিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:দেশটির স্বাধীনতার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যাআগরতলা মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়?স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ-i. বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্রii. স্বাধীনতার দিক নশেরশাহের প্রকৃত নাম ছিল-হাম্মদ বিন তুঘলক দেবগিরির কী নাম রাখেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।