আরশাদ মিয়ার বিরুদ্ধে আনীত স্বজনপ্রীতির অভিযোগের সাথে হযরত ওসমান (রা.)-এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তুলনামূলক আলোচনা কর।
উত্তর: উদ্দীপকের আরশাদ মিয়ার বিরুদ্ধে আনীত স্বজনপ্রীতির সাথে উসমান (রা.)-এর স্বজনপ্রীতির তুলনা করলে দেখা যায় উসমানের বিবৃদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন। হযরত উসমান (রা) ৬৪৪ খ্রিষ্টাব্দে ক্ষমতা গ্রহণ করে ৬৫৬ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত শাসন পরিচালনা করেন। তার ১২ বছরের শাসনামলের প্রথম ৬ বছর শান্তিপূর্ণ থাকলেও শেষের ৬ বছরে খিলাফতে নানা গোলযোগ দেখা দেয় এবং তার বিরুদ্ধে অনেক মনগড়া ও মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপিত হয়। হযরত উসমান (রা)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তিনি প্রাদেশিক শাসনকর্তা হিসেবে স্বজনপ্রীতি করে সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস, আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর, দুধভাই আব্দুল্লাহকে নিয়োগদান করেন। 'প্রকৃতপক্ষে এ অভিযোগ মিথ্যা। কেননা তারা সবাই যোগ্যতার ভিত্তিতে এবং বিশিষ্ট সাহাবিদের পরামর্শে নিয়োগ লাভ করেন। তাছাড়া হযরত উমর (রা.) সাদ বিন আবি ওয়াক্কাসকে খলিফা হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। উসমান (রা)-এর বিরুদ্ধে বায়তুল মালের অর্থ আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে দানের অভিযোগ ওঠে, যা মিথ্যা। কেননা খলিফা নিজে অনেক সম্পত্তি বায়তুল মালে দান করেন এবং তিনি বেতন হিসেবে কোনো অর্থ গ্রহণ করতেন না। তাই এ অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। উপর্যুক্ত আলোচনা হতে প্রতীয়মান হয় যে, হযরত উসমান (রা)-এর বিরুদ্ধে আনীত স্বজনপ্রীতির অভিযোগ ছিল মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। হযরত উসমান (রা.)-এর বক্তৃতা হতে ঐতিহাসিক তাবারির উদ্ধৃতি, "আমি বায়তুল মাল হতে কিছুই গ্রহণ করি না, এমনকি আমি যা আহার করি, তা আমার নিজস্ব অর্জিত অর্থ দ্বারা করি।”
HSC Islamic History 1st paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic History 1st paper · সৃজনশীল
আরশাদ মিয়ার বিরুদ্ধে আনীত স্বজনপ্রীতির অভিযোগের সাথে হযরত ওসমান (রা…
উদ্দীপক
Dhaka · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর