শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের মতো পাঠ্যবইয়ের ইঙ্গিতকৃত শাসক কী কী সমস্যায় পতিত হয়েছিলেন? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকে পাঠ্যবইয়ের খলিফা হযরত আবু বকর (রা.) কে ইঙ্গিত করা হয়েছে। তিনি ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে ক্ষমতা গ্রহণ করে নানা সমস্যার মুখোমুখী হন।বকর (রা.) মেয়ে হযরত আয়েশা (রা.) বলেছেন, "আরব সাম্রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে বিদ্রোহের অগ্নি প্রজ্বলিত হইয়া উঠিয়াছিল। ধর্মদ্রোহিতা এবং অসন্তোষ দিন দিন বৃদ্ধি পাইতেছিল। বিধর্মী এবং ইহুদিরা সুযোগের সন্ধানে ছিল এবং মুসলমানরা রাখালবিহীন মেষপালের মতো ইতস্তত বিচরণ করিতেছিল। তাহারা সংখ্যায় নগণ্য ছিল কিন্তু তাহাদের দুশমন দল ছিল সংখ্যাতীত।" 'রিদ্দা' আরবি শব্দ। এর অর্থ স্বধর্মত্যাগ বা দলত্যাগ। মহানবি (সা.)-এর ইন্তেকালে হেজাজ ছাড়া প্রায় পুরো আরবে ইসলাম ধর্ম ও নবপ্রতিষ্ঠিত মদিনা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রচণ্ড বিদ্রোহ শুরু হয়। অনেকে ইসলাম ত্যাগ করে আগের ধর্মে ফিরে যায়। নবুয়তকে লাভজনক মনে করে কিছু ব্যক্তি নিজেদের নবি বলে দাবি করে। অনেক বেদুইন গোত্র যাকাত দানে অস্বীকার করে। এভাবে প্রায় গোটা আরবে খণ্ড বিদ্রোহ দেখা দেয়। রাসুল (সা.)-এর মৃত্যুর পর আরবের এসব বিদ্রোহী গোত্র এবং ভন্ডনবিদের পরিচালিত আন্দোলনকে ইসলামের ইতিহাসে স্বধর্মত্যাগী আন্দোলন (Apostasy Movement) বলা হয়। আর তাদের বিরুদ্ধে খলিফা হযরত আবু বকর (রা.) যে অভিযান পরিচালনা করেন তা 'রিদ্দার যুদ্ধ' নামে পরিচিত। ৬৩২-৬৩৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এ যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। তৎকালীন অবস্থা সম্পর্কে ঐতিহাসিক উইলিয়াম মুর বলেন, "সমগ্র আরবে বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়েছিল। তাদের মধ্যে স্বধর্মত্যাগ ও বিদ্রোহের সৃষ্টি হয়েছিল। হযরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, "যখন মহানবি (সা.) ইন্তেকাল করেন তখন আরববাসী স্বধর্মত্যাগ করে, ইহুদি ও খ্রিস্টানরা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে এবং (সর্বত্র) বিদ্রোহ শুরু হয়। হযরতের (সা.) তিরোধানের ফলে শীতের রাতের বৃষ্টিপাতে উন্মুক্ত মেষপালের মতো মুসলমানরা দুরবস্থায় মধ্যে পড়ে যতক্ষণ না আল্লাহ পাক তাদেরকে আবু বকর (রা.) নেতৃত্বে একত্র করেন।"

HSC Islamic History 1st paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকের মতো পাঠ্যবইয়ের ইঙ্গিতকৃত শাসক কী কী সমস্যায় পতিত হয়েছিলেন…

উদ্দীপক

ইসলামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব আল-আমীনের মৃত্যুর পর ইউনিয়নবাসী জনাব আসলাম সাহেবকে চেয়ারম্যান নিযুক্ত করেন। আসলাম সাহেব চেয়ারম্যান হয়ে অনেক সমস্যা ও বাধাবিপত্তির সম্মুখীন হন। এ সময় কিছু ভণ্ডপির ও ইউনিয়নের কর দিতে অস্বীকারকারীরা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটায়। কিন্তু চেয়ারম্যান আসলাম সাহেব অত্যন্ত সাহস ও দৃঢ়তার সাথে এ পরিস্থিতির মোকাবিলা করেন। বিশ্বাসগুণের জন্য তাকে বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, যশোর · 2025

উত্তর

হযরত উমর (রাঃ) তার বিশাল সাম্রাজ্যেকে ১৪টি প্রদেশে বিভক্ত করেন।

উত্তর

হযরত আবু বকর (রা.) কে সিদ্দিক বলা হয়। রাসুল (সা.)-এর মিরাজের (ঊর্ধ্বগমন আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের জন্য) কথা শোনামাত্র বিশ্বাস স্থাপন করার কারণে রাসুল (সা.) হযরত আবু বকর (রা.)-কে সিদ্দিক উপাধিতে ভূষিত করেন। হযরত আবু বকর (রা.) রাসুল (সা.)-এর জীবনসহচর ও ইসলামের একনিষ্ঠ সেবক ছিলেন। নেতৃস্থানীয় ও বয়স্ক পুরুষদের মধ্যে তিনি সর্বপ্রথম ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তিনি রাসুল (সা.)-এর মিরাজ গমনের কথা শোনামাত্র নির্দ্বিধায় বিশ্বাস করেন। এ জন্যই রাসুল (সা.) তাকে 'সিদ্দিক' বা বিশ্বাসী উপাধিতে ভূষিত করেন।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত আসলাম সাহেবের সাথে আমার পঠিত খলিফা হযরত আবুবকর (রা.)-এর সাদৃশ্য আছে।মহানবি হযরত মুহাম্মদ (সা.) ৬৩২ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ইন্তেকালের পূর্বে কাউকে নিজের উত্তরাধিকারী মনোনীত করেননি।নেতা নির্বাচনের দায়িত্ব তিনি উত্তরসূরিদের দিয়ে যান। তাঁর ইন্তেকালের পর পরিস্থিতি জটিল হয়ে যায়। মক্কার মুহাজির ও কুরাইশ, মদিনার আনসার এবং আলীর সমর্থকগণ আলাদাভাবে নেতৃত্ব দাবি করেন এবং প্রত্যেকে স্ব-স্ব দাবির পক্ষে নানা যুক্তিতর্ক ও জনসংযোগ শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত হযরত উমর (রা.) বয়স, ব্যক্তিত্ব, পদমর্যাদা, সম্মান ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা বিবেচনায় হযরত আবু বকর (রা.) কে খলিফা ঘোষণা করেন এবং নিজে তাঁর আনুগত্য ঘোষণা করেন। তখন সবাই এ সিদ্ধান্ত মেনে নেয়। যার ভিত্তিতে ৬৩২ সালে খোলাফায়ে রাশেদিনের প্রথম খলিফা হিসেবে হযরত আবুবকর (রা.) ক্ষমতা গ্রহণ করেন।আবু বকর (রা.)-খিলাফতে অধিষ্ঠিত হওয়ার পর ভন্ডনবিদের আবির্ভাব ঘটে। তারা নিজেদের নবি দাবি করে জনগণকে প্রতারিত ও বিভ্রান্ত করতে শুরু করে। কিছু গোত্র বিশেষ করে বেদুইন সম্পদায় ইসলামের বিধি মোতাবেক জাকাত দিতে অস্বীকার করে। মহানবি (সা.)-এর ইন্তেকালে মুসলমানদের মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ার সুযোগ নিয়ে সুবিধাবাদি কিছু লোক তাদের পূর্বের ধর্মে ফিরে যায় অর্থাৎ তারা ইসলাম ত্যাগ করে। এ লোকগুলোও মুসলিম সমাজে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করে। আবু বকর (রা.) এসব বিদ্রোহ-বিশৃঙ্খলা কঠোর হস্তে দমন করেন। তিনি মুসলিম সাম্রাজ্যে শান্তি স্থাপন করেন।অতএব, উদ্দীপকের সাথে হযরত আবু বকর (রা.)-এর মিল রয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকে পাঠ্যবইয়ের খলিফা হযরত আবু বকর (রা.) কে ইঙ্গিত করা হয়েছে। তিনি ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে ক্ষমতা গ্রহণ করে নানা সমস্যার মুখোমুখী হন।বকর (রা.) মেয়ে হযরত আয়েশা (রা.) বলেছেন, "আরব সাম্রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে বিদ্রোহের অগ্নি প্রজ্বলিত হইয়া উঠিয়াছিল। ধর্মদ্রোহিতা এবং অসন্তোষ দিন দিন বৃদ্ধি পাইতেছিল। বিধর্মী এবং ইহুদিরা সুযোগের সন্ধানে ছিল এবং মুসলমানরা রাখালবিহীন মেষপালের মতো ইতস্তত বিচরণ করিতেছিল। তাহারা সংখ্যায় নগণ্য ছিল কিন্তু তাহাদের দুশমন দল ছিল সংখ্যাতীত।" 'রিদ্দা' আরবি শব্দ। এর অর্থ স্বধর্মত্যাগ বা দলত্যাগ। মহানবি (সা.)-এর ইন্তেকালে হেজাজ ছাড়া প্রায় পুরো আরবে ইসলাম ধর্ম ও নবপ্রতিষ্ঠিত মদিনা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রচণ্ড বিদ্রোহ শুরু হয়। অনেকে ইসলাম ত্যাগ করে আগের ধর্মে ফিরে যায়। নবুয়তকে লাভজনক মনে করে কিছু ব্যক্তি নিজেদের নবি বলে দাবি করে। অনেক বেদুইন গোত্র যাকাত দানে অস্বীকার করে। এভাবে প্রায় গোটা আরবে খণ্ড বিদ্রোহ দেখা দেয়। রাসুল (সা.)-এর মৃত্যুর পর আরবের এসব বিদ্রোহী গোত্র এবং ভন্ডনবিদের পরিচালিত আন্দোলনকে ইসলামের ইতিহাসে স্বধর্মত্যাগী আন্দোলন (Apostasy Movement) বলা হয়। আর তাদের বিরুদ্ধে খলিফা হযরত আবু বকর (রা.) যে অভিযান পরিচালনা করেন তা 'রিদ্দার যুদ্ধ' নামে পরিচিত। ৬৩২-৬৩৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এ যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। তৎকালীন অবস্থা সম্পর্কে ঐতিহাসিক উইলিয়াম মুর বলেন, "সমগ্র আরবে বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়েছিল। তাদের মধ্যে স্বধর্মত্যাগ ও বিদ্রোহের সৃষ্টি হয়েছিল। হযরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, "যখন মহানবি (সা.) ইন্তেকাল করেন তখন আরববাসী স্বধর্মত্যাগ করে, ইহুদি ও খ্রিস্টানরা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে এবং (সর্বত্র) বিদ্রোহ শুরু হয়। হযরতের (সা.) তিরোধানের ফলে শীতের রাতের বৃষ্টিপাতে উন্মুক্ত মেষপালের মতো মুসলমানরা দুরবস্থায় মধ্যে পড়ে যতক্ষণ না আল্লাহ পাক তাদেরকে আবু বকর (রা.) নেতৃত্বে একত্র করেন।"
HSCIslamic History 1st paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা আরোহণের পশ্চাতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিলেন ফুয়াদ পাশা। পরবর্তীতে ফুয়াদ পাশার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা সুলতানের ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হয়ে দাড়ায়। অবশেষে তিনি কৌশলে ফুয়াদ পাশাকে হত্যা করেন।Q. উদ্দীপকে নির্দেশিত উত্ত হত্যাকাণ্ডের পশ্চাতে নিহিত ছিল-
i. ক্ষমতা লিন্সা
ii. প্রতিহিংসা
iii. প্রতিদ্বন্দ্বিতানিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা আরোহণের পশ্চাতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিলেন ফুয়াদ পাশা। পরবর্তীতে ফুয়াদ পাশার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা সুলতানের ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হয়ে দাড়ায়। অবশেষে তিনি কৌশলে ফুয়াদ পাশাকে হত্যা করেন।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত ফুয়াদ পাশার সাথে হত্যাকান্ডের শিকার কোন চরিত্রের মিল রয়েছে?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'কুব্বাতুস সাখরা' কে নির্মাণ করেন?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.উমাইয়া খিলাফতের রাজধানী কোথায় ছিল?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.আরব দেশকে 'জাজিরাতুল আরব' বলার কারণ কী?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.কত খ্রিষ্টাব্দে স্পেনে উমাইয়া খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মদিনায় হিজরত মুসলমানদের জীবনে যে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছিল তা হলো-
i. মর্যাদা প্রতিষ্ঠা
ii. উম্মাহ গঠন
iii. রাষ্ট্রগঠননিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কোন উমাইয়া খলিফাকে 'সাধুপুরুষ' বলা হয়?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.উমাইয়া শাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল-
i. সাম্রাজ্য বিস্তার
ii. জ্ঞান-বিজ্ঞানের সম্প্রসারণ
iii. স্থাপত্য শিল্পের বিকাশনিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.জুমাতুল জন্দলের সালিস বৈঠকের ফলে-
i. মুসলিম ঐক্য বিনষ্ট হয়
ii. খলিফার মর্যাদা ক্ষুণœ হয়
iii. খারিজিদের উৎপত্তি হয়নিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উদ্দীপকটি পড়ে উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি ভালো আচরণ করা হয়েছিল এবং মুক্তিপণের মাধ্যমে তাদের অনেককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।Q.বন্দিদের প্রতি উক্ত যুদ্ধের শিক্ষা হচ্ছে-
i. মানবিক আচরণ করা
ii. সহজশর্তে মুক্তি দেওয়া
iii. সারা জীবন বন্দি রাখানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি ভালো আচরণ করা হয়েছিল এবং মুক্তিপণের মাধ্যমে তাদের অনেককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনাটির ইসলামের ইতিহাসের কোন যুদ্ধের মিল আছে?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা 'কুব্বাতুস সাখরা' কে নির্মাণ করেন?উমাইয়া খিলাফতের রাজধানী কোথায় ছিল?আরব দেশকে 'জাজিরাতুল আরব' বলার কারণ কী?কত খ্রিষ্টাব্দে স্পেনে উমাইয়া খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়?মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মদিনায় হিজরত মুসলমানদের জীবনে যে ইতিবাচক পরিবর্তন কোন উমাইয়া খলিফাকে 'সাধুপুরুষ' বলা হয়?উমাইয়া শাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল-i. সাম্রাজ্য বিস্তারii. জ্ঞান-বিজ্ঞানের সম্প্জুমাতুল জন্দলের সালিস বৈঠকের ফলে-i. মুসলিম ঐক্য বিনষ্ট হয়ii. খলিফার মর্যাদা ক্ষউদ্দীপকটি পড়ে উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখ

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।