শেয়ারFacebookWhatsApp

খলিফা উমর (রা.)-এর শাসনামলের কোন যুদ্ধ নিকোপলিশের যুদ্ধের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: খলিফা উমর (রা.)-এর শাসনামলের নিকোপলিশের যুদ্ধের সাথে কাদেসিয়ার যুদ্ধ সাদৃশ্যপূর্ণ। উদ্দীপকে দেখা যায়, নিকোপলিশের যুদ্ধ মুসলমান ও খ্রিস্টানদের মধ্যে ভাগ্য নির্ধারণী যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত। এ যুদ্ধে সুলতানা বায়েজীদ পরাজিত হলে তাকে ইউরোপ থেকে বিতাড়িত হতে হতো। এ যুদ্ধে বিজয়ের ফলে ওসমানীয়দের গোটা ইউরোপ বিজয়ের পথা উন্মুক্ত হয়ে যায়। নিকোপলিশের যুদ্ধের পর বলকান অঞ্চলের ওয়ালেচিয়া, স্টাইরিয়া, হাঙ্গেরি, মোবিয়াসহ অধিকাংশ রাজ্য ওসমানীয় সুলতান বায়েজীদের সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। যা উমর (রা.)-এর পারস্য বিজয়ের সময়ে সংঘটিত কাদেসিয়ার যুদ্ধের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। বুয়ায়েবের যুদ্ধে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়ে পারস্য সম্রাট তৃতীয় ইয়াজদিগার্দ মহাবীর রুস্তমের নেতৃত্বে বিশাল সেনাবাহিনী গঠন করে। খলিফা উমর (রা.) সাদ বিন আবি ওয়াক্কাসকে প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করে এক বিশাল বাহিনী 'কাদেসিয়ার প্রান্তরে' প্রেরণ করেন। ৬৩৬ খ্রিস্টাব্দের নভেম্বর মাসে তিন দিনব্যাপী তুমুল যুদ্ধ হয়। আরবরা প্রথমদিনকে 'বিশৃঙ্খলার দিন বা ইয়াওমুল আরমাস' বলে অভিহিত করেন। দ্বিতীয় দিনটিকে বলা হয় 'সাহায্যের দিন বা ইয়াওমুল আগওয়াহ'। তৃতীয় দিনটিকে বলা হয় দুর্দশার দিন বা 'ইয়াওমুল উম্মাছ'। তৃতীয় দিন সারা রাত যুদ্ধ চলায় একে 'লাইলাতুল হারির' বলা হয়। এ যুদ্ধে মুসলিম বাহিনী বিজয়ী হয়। ইসলামের ইতিহাসে কাদেসিয়ার যুদ্ধের গুরুত্ব' বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এ যুদ্ধে পারসিক বাহিনীর বীর সেনানি রুস্তম নিহত হলে পারসিকদের মেরুদন্ড ভেঙে যায়। টাইগ্রিস নদীর পশ্চিম দিকসহ বিশাল উর্বর এলাকা মুসলমানদের অধিকারে আসে। ফলে তাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জিত হয়। কাদেসিয়ার যুদ্ধ ছিল একটি মীমাংসাত্মক যুদ্ধ। এ যুদ্ধে জয়লাভের ফলে মুসলমানদের মনোবল ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়। এটি তাদের পরবর্তী বৃহত্তর বিজয়ে উদ্বুদ্ধ করে। তাই নিকোপলিশের যুদ্ধের সাথে কাদেসিয়ার যুদ্ধ অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ।

HSC Islamic History 1st paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · সৃজনশীল

খলিফা উমর (রা.)-এর শাসনামলের কোন যুদ্ধ নিকোপলিশের যুদ্ধের সাথে সাদৃ…

উদ্দীপক

নিকোপলিশের যুদ্ধ মুসলমান ও খ্রিস্টানদের মধ্যে ভাগ্য নির্ধারণী যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত। এ যুদ্ধে সুলতান বায়েজীদ পরাজিত হলে তাকে ইউরোপ থেকে বিতাড়িত হতে হতো। এ যুদ্ধে বিজয়ের ফলে ওসমানীয়দের গোটা ইউরোপ বিজয়ের পথ উন্মুক্ত হয়ে যায়। নিকোপলিশের যুদ্ধের পর বলকান অঞ্চলের ওয়ালেচিয়া, স্টাইরিয়া, হাঙ্গেরি, মোবিয়াসহ অধিকাংশ রাজ্য ওসমানীয় সুলতান বায়েজীদের সামাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।

Rajshahi · 2025

উত্তর

সেতুর যুদ্ধ ৬৩৪ সালে সংঘটিত হয়েছিল।

উত্তর

জেরুজালেম জয়ে ভৃত্যের প্রতি মহানুভবতার মাধ্যমে খলিফা উমর (রা.)-এর মহত্ত্ব প্রকাশ পেয়েছিল। উমর (রা.) সময়ে মুসলমানরা জেরুজালেম দখল করলে তিনি নিজে ভৃত্যসহকারে - সেখানে গমন করেন। তিনি সাধারণভাবে একটি উটে আরোহণ করে এ যাত্রা করেন। তিনি নিজে একবার উটের রশি ধরে টানেন ভৃত্য উটের পিঠে ওঠে আবার ভৃত্য রশি টানে তিনি উটের পিঠে উঠেন। এভাবে পালাক্রমে যখন জেরুজালেম পৌঁছান তখন ভৃত্য উটের পিঠে ছিল। সবাই ভৃত্যকে খলিফা ভেবে সাদরে গ্রহণ করেন। কিন্তু খলিফার আসল পরিচয় জেনে সবাই খলিফার মহত্ত্বে মোহিত হন।

উত্তর

খলিফা উমর (রা.)-এর শাসনামলের নিকোপলিশের যুদ্ধের সাথে কাদেসিয়ার যুদ্ধ সাদৃশ্যপূর্ণ। উদ্দীপকে দেখা যায়, নিকোপলিশের যুদ্ধ মুসলমান ও খ্রিস্টানদের মধ্যে ভাগ্য নির্ধারণী যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত। এ যুদ্ধে সুলতানা বায়েজীদ পরাজিত হলে তাকে ইউরোপ থেকে বিতাড়িত হতে হতো। এ যুদ্ধে বিজয়ের ফলে ওসমানীয়দের গোটা ইউরোপ বিজয়ের পথা উন্মুক্ত হয়ে যায়। নিকোপলিশের যুদ্ধের পর বলকান অঞ্চলের ওয়ালেচিয়া, স্টাইরিয়া, হাঙ্গেরি, মোবিয়াসহ অধিকাংশ রাজ্য ওসমানীয় সুলতান বায়েজীদের সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। যা উমর (রা.)-এর পারস্য বিজয়ের সময়ে সংঘটিত কাদেসিয়ার যুদ্ধের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। বুয়ায়েবের যুদ্ধে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়ে পারস্য সম্রাট তৃতীয় ইয়াজদিগার্দ মহাবীর রুস্তমের নেতৃত্বে বিশাল সেনাবাহিনী গঠন করে। খলিফা উমর (রা.) সাদ বিন আবি ওয়াক্কাসকে প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করে এক বিশাল বাহিনী 'কাদেসিয়ার প্রান্তরে' প্রেরণ করেন। ৬৩৬ খ্রিস্টাব্দের নভেম্বর মাসে তিন দিনব্যাপী তুমুল যুদ্ধ হয়। আরবরা প্রথমদিনকে 'বিশৃঙ্খলার দিন বা ইয়াওমুল আরমাস' বলে অভিহিত করেন। দ্বিতীয় দিনটিকে বলা হয় 'সাহায্যের দিন বা ইয়াওমুল আগওয়াহ'। তৃতীয় দিনটিকে বলা হয় দুর্দশার দিন বা 'ইয়াওমুল উম্মাছ'। তৃতীয় দিন সারা রাত যুদ্ধ চলায় একে 'লাইলাতুল হারির' বলা হয়। এ যুদ্ধে মুসলিম বাহিনী বিজয়ী হয়। ইসলামের ইতিহাসে কাদেসিয়ার যুদ্ধের গুরুত্ব' বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এ যুদ্ধে পারসিক বাহিনীর বীর সেনানি রুস্তম নিহত হলে পারসিকদের মেরুদন্ড ভেঙে যায়। টাইগ্রিস নদীর পশ্চিম দিকসহ বিশাল উর্বর এলাকা মুসলমানদের অধিকারে আসে। ফলে তাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জিত হয়। কাদেসিয়ার যুদ্ধ ছিল একটি মীমাংসাত্মক যুদ্ধ। এ যুদ্ধে জয়লাভের ফলে মুসলমানদের মনোবল ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়। এটি তাদের পরবর্তী বৃহত্তর বিজয়ে উদ্বুদ্ধ করে। তাই নিকোপলিশের যুদ্ধের সাথে কাদেসিয়ার যুদ্ধ অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর

খলিফা উমর (রা.) ৬৩৪ সাল থেকে ৬৪১ সাল পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে সমগ্র পারস্য বিজয় করেন। পারস্য বিজয়ের প্রথম যুদ্ধ ছিল ব্যাবিলনের যুদ্ধ। প্রথম খলিফা আবু বকর (রা.)-এর খিলাফতকালে ৬৩৪ খ্রিস্টাব্দে ব্যাবিলনের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এ যুদ্ধে মুসলমানরা জয়ী হয়। ইতোমধ্যে খলিফা আবু বকর (রা.) মারা যান এবং ওমর (রা.) খিলাফত লাভ করেন। পারস্য সম্রাট ব্যাবিলনে পরাজয়ের সংবাদে সুদক্ষ সেনাপতি রুস্তমের অধীনে এক বিরাট বাহিনীকে হীরা দখলের জন্য পাঠালে মুসান্না ও আবু ওবায়দা নামারক নামক স্থানে পারসিকদের সাথে মুসলমানদের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এ যুদ্ধে পারসিকরা পরাজিত হয় এবং হীরা মুসলমানদের দখলে থাকে। ব্যাবিলনের নিকটবর্তী একটি অঞ্চলে ফোরাত নদীর তীর সংলগ্ন ৬৩৪ খ্রিষ্টাব্দে ২৬ নভেম্বর সাকীফ গোত্রের আবু উবাইদার নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনীর সাথে পারসিক বাহিনীর সেতুর যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে মুসলিম বাহিনী হেরে যায়। এ যুদ্ধে ছয় হাজার মুসলিম সৈন্য শাহাদতবরণ করেন। সেতুর যুদ্ধে মুসলমানদের পরাজয়ের সংবাদ শুনে হযরত উমর (রা.) আরও অধিক সৈন্য প্রেরণ করেন ও যুদ্ধ কৌশল নির্ধারণ করে দেন। ৬৩৫ খ্রিস্টাব্দে মুসান্নার নেতৃত্বে প্রেরিত বাহিনীর সাথে বুয়ায়েব প্রান্তরে সংঘটিত যুদ্ধে পারসিক সেনাপতি মেহরানসহ বহু সৈন্য নিহত হয়। এ যুদ্ধের ফলে মাদাইন পর্যন্ত সমগ্র ভূভাগ মুসলমানদের পতাকাতলে আসে। বুয়ায়েব যুদ্ধের পরে পারস্য সাম্রাজ্যের রাজধানী টেসিফোনে রাজনৈতিক পরিবর্তন দেখা দেয়। ক্ষমতায় আসেন ইয়াজদ জারদ। তিনি ছিলেন অল্পবয়সি। তিনি মহাবীর রুস্তমের নেতৃত্বাধীন ১,২০,০০০ সৈন্যের বাহিনী মুসলিম বাহিনীর মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত হয়। হযরত উমর (রা.) ৩০,০০০ সৈন্যের একটি বাহিনী সাদ বিন আবি ওয়াক্কাসের সেনাপতিত্বে প্রেরণ করেন। ৬৩৭ খ্রিষ্টাব্দের নভেম্বর মাসে কাদেসিয়ার প্রান্তরে উভয় বাহিনী মুখোমুখি হয় এবং মুসলিমরা বিজয়ী হয়। কাদেসিয়ার যুদ্ধে পরাজয় বরণ পারস্য সাম্রাজ্যের ভিত্তিতে আঘাত হানে। এ যুদ্ধের ফলাফল গোটা পারস্য সাম্রাজ্য দখলের সচনা করে। মাদাইন ছিল পারস্য সাম্রাজ্যের রাজধানী। বিনা প্রতিরোধে ৬৩৭সালের জুনে এককালের পৃথিবীর বৃহৎশক্তি পারস্য সাম্রাজ্যের রাজধানী মুসলমানদের দখলে আসে। মাদাইন থেকে একশত মাইল দূরে অবস্থিত জালুলার দুর্গ। পারস্য সম্রাট ইয়াজদ জারদ হুলওয়ানে অবস্থিত জালুলার দুর্গ দখল করলে, মুসলিম সেনাপতি হাশিম ও কা'কা ফুলওয়ান দখল করে। ৬৪১ খ্রিস্টাব্দে হামাদানের নিকটবর্তী নিহাওয়ান্দে মুসলিম সৈন্যবাহিনীর সাথে পারসিকদের যুদ্ধে মুসলিম পক্ষ বিজয়ী হয়। বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে থেকে ৬৫১ সালে তুর্কিস্তানের এক গ্রামে ধৃত হয়ে পারস্য সম্রাট ইয়াজদ-জারদ নিহত হন। এ যুদ্ধের ফলে পারস্যদের শক্তি নিঃশেষ হয়ে পড়ে এবং মুসলমানদের বিপক্ষে প্রতিরোধের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। মুসলমানগণ একে একে ফারস, কিরমান, সিস্তান, খুজিস্তান, মাফরান, খোরাসান ও আজারবাইজান দখল করেন। এভাবে সমগ্র পারস্য মুসলমানরা বিজয় করে।
HSCIslamic History 1st paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা আরোহণের পশ্চাতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিলেন ফুয়াদ পাশা। পরবর্তীতে ফুয়াদ পাশার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা সুলতানের ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হয়ে দাড়ায়। অবশেষে তিনি কৌশলে ফুয়াদ পাশাকে হত্যা করেন।Q. উদ্দীপকে নির্দেশিত উত্ত হত্যাকাণ্ডের পশ্চাতে নিহিত ছিল-
i. ক্ষমতা লিন্সা
ii. প্রতিহিংসা
iii. প্রতিদ্বন্দ্বিতানিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা আরোহণের পশ্চাতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিলেন ফুয়াদ পাশা। পরবর্তীতে ফুয়াদ পাশার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা সুলতানের ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হয়ে দাড়ায়। অবশেষে তিনি কৌশলে ফুয়াদ পাশাকে হত্যা করেন।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত ফুয়াদ পাশার সাথে হত্যাকান্ডের শিকার কোন চরিত্রের মিল রয়েছে?

Dhaka · 2017

  • আবু মুসলিম খোরাসানি
  • হাজ্জাজ বিন ইউসুফ
  • মুসা বিন নুসায়ের
  • আল আমিন

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'কুব্বাতুস সাখরা' কে নির্মাণ করেন?

Dhaka · 2017

  • মুয়াবিয়া (রা)
  • ইয়াজিদ
  • আব্দুল মালিক
  • উমর বিন আব্দুল আজিজ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.উমাইয়া খিলাফতের রাজধানী কোথায় ছিল?

Dhaka · 2017

  • মদিনা
  • দামেস্ক
  • কুফা
  • বাগদাদ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.আরব দেশকে 'জাজিরাতুল আরব' বলার কারণ কী?

Dhaka · 2017

  • মরুভূমির দেশ বলে
  • আরব সাগরের তীরে অবস্থিত বলে
  • আরব পবিত্র তুমি হওয়ার জন্য
  • তিন দিক জলবেষ্টিত হওয়ার কারণে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.কত খ্রিষ্টাব্দে স্পেনে উমাইয়া খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়?

Dhaka · 2017

  • ৭৫০
  • ৯০৯
  • ৯২৯
  • ১০৩১

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মদিনায় হিজরত মুসলমানদের জীবনে যে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছিল তা হলো-
i. মর্যাদা প্রতিষ্ঠা
ii. উম্মাহ গঠন
iii. রাষ্ট্রগঠননিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কোন উমাইয়া খলিফাকে 'সাধুপুরুষ' বলা হয়?

Dhaka · 2018

  • মুয়াবিয়া
  • আব্দুল মালিক
  • আল ওয়ালিদ
  • উমর বিন আব্দুল আজিজ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.উমাইয়া শাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল-
i. সাম্রাজ্য বিস্তার
ii. জ্ঞান-বিজ্ঞানের সম্প্রসারণ
iii. স্থাপত্য শিল্পের বিকাশনিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

  • i
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.জুমাতুল জন্দলের সালিস বৈঠকের ফলে-
i. মুসলিম ঐক্য বিনষ্ট হয়
ii. খলিফার মর্যাদা ক্ষুণœ হয়
iii. খারিজিদের উৎপত্তি হয়নিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

  • i ও iiii ও iii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উদ্দীপকটি পড়ে উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি ভালো আচরণ করা হয়েছিল এবং মুক্তিপণের মাধ্যমে তাদের অনেককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।Q.বন্দিদের প্রতি উক্ত যুদ্ধের শিক্ষা হচ্ছে-
i. মানবিক আচরণ করা
ii. সহজশর্তে মুক্তি দেওয়া
iii. সারা জীবন বন্দি রাখানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি ভালো আচরণ করা হয়েছিল এবং মুক্তিপণের মাধ্যমে তাদের অনেককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনাটির ইসলামের ইতিহাসের কোন যুদ্ধের মিল আছে?

Combined · 2019

  • বদরের যুদ্ধ
  • ওহুদের যুদ্ধ
  • খন্দকের যুদ্ধ
  • মুতার যুদ্ধ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা 'কুব্বাতুস সাখরা' কে নির্মাণ করেন?উমাইয়া খিলাফতের রাজধানী কোথায় ছিল?আরব দেশকে 'জাজিরাতুল আরব' বলার কারণ কী?কত খ্রিষ্টাব্দে স্পেনে উমাইয়া খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়?মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মদিনায় হিজরত মুসলমানদের জীবনে যে ইতিবাচক পরিবর্তন কোন উমাইয়া খলিফাকে 'সাধুপুরুষ' বলা হয়?উমাইয়া শাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল-i. সাম্রাজ্য বিস্তারii. জ্ঞান-বিজ্ঞানের সম্প্জুমাতুল জন্দলের সালিস বৈঠকের ফলে-i. মুসলিম ঐক্য বিনষ্ট হয়ii. খলিফার মর্যাদা ক্ষউদ্দীপকটি পড়ে উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখ

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।