শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের আলোকে খলিফা উমর (রা.)-এর রাজস্বব্যবস্থা পর্যালোচনা কর।

উত্তর: খলিফা হযরত উমর (রা.) খিলাফতের রাজস্ব আদায়ের জন্য একটি সুশৃঙ্খল রাজস্বব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। হযরত উমর (রা.)-এর রাজস্বব্যবস্থাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- (ক) আয় ও (খ) ব্যয়। হযরত উমর (রা.)-এর আমলে রাজস্বের উৎস ছিল ৭টি। যথা- ১. আল গনিমত, ২. আল যাকাত, ৩. আল উশর, ৪. আল জিজিয়া, ৫. আল খারাজ, ৬. আল ফাই ও ৭. আল হিমা। যুদ্ধক্ষেত্রে যেসব শত্রুসম্পদ মুসলিম সৈনিকদের হাতে আসত, সেগুলোকে গনিমত বলা হতো। ৪/৫ ভাগ যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সৈনিকদের মাঝে এবং ১/৫ ভাগ বায়তুল মালে জমা হতো। ১/৫-কে আবার ৩ ভাগে ভাগ করা হতো। মহানবি ও তাঁর আত্মীয়স্বজনের অংশ দিয়ে সামরিক বাহিনীর সরঞ্জাম এবং অবশিষ্ট অংশ দিয়ে কুরআনের নির্দেশমতো নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের কাজে ব্যয় হতো। যাকাত একটি শরিয়ত অনুমোদিত কর। কাজেই এর নিয়মকানুন কোনো যুগেই পরিবর্তন হয়নি। হযরত উমর (রা.)-এর আমলে ঘোড়ার 'ব্যবসায় লাভজনক হওয়ায় ঘোড়ার ওপর যাকাত 'ধার্য করা হতো। যাকাত কুরআনের নির্দেশিত খাতে খরচ করা হতো। সামরিক ও বেসামরিক খাতে, রাজকর্মচারীদের বেতন এবং জনহিতকর কার্যে ব্যয় করার পর যা উদ্বৃত্ত থাকত, তা বণ্টনের জন্য এ বিভাগ একটি ভাতাভোগী তালিকা প্রণয়ন করতেন। তিনি রাজস্বের সঠিক হিসাব রাখার জন্য দিওয়ান-উল-খারাজ প্রতিষ্ঠা করেন। তাছাড়া আদায়কৃত রাজস্ব সঠিকভাবে সংরক্ষণের জন্য বাইতুল মাল গঠন করেন।

HSC Islamic History 1st paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকের আলোকে খলিফা উমর (রা.)-এর রাজস্বব্যবস্থা পর্যালোচনা কর।

উদ্দীপক

বাংলাদেশ সরকার রাজস্ব নির্ধারণ ও রাজস্ব আদায়ের জন্য 'জাতীয় রাজস্ব বোর্ড' গঠন করেছে। বোর্ডের প্রধানকে বলা হয় 'চেয়ারম্যান'। রাজস্ব বোর্ডের প্রধান কাজ হলো সংসদ কর্তৃক নির্ধারিত রাজস্ব আদায় করা, হিসাব সংরক্ষণ করা এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব-নিকাশসংক্রান্ত কাজ সম্পাদন করা। রাজস্বের প্রধান খাতগুলো হলো আয়কর, ভ্যাট, আমদানি ও রপ্তানি কর, বাণিজ্য কর, সেবা করসহ অন্যান্য খাত।

Rajshahi · 2025

উত্তর

খলিফা হযরত উমর (রা.) তার সাম্রাজ্যকে ১৪টি ভাগে ভাগ করেন।

উত্তর

ইসলামি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় কোষাগারকে বায়তুল মাল বলা হয়। ইসলামি শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সরকারি কোষাগারকে বায়তুল মাল বলা হয়। হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সময়ে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থাকলেও তা বায়তুল মাল হিসেবে অভিহিত হতো না। পরবর্তীতে হযরত আবু বকর (রা)-এর সময় আংশিক ও হযরত উমর (রা)-এর সময় পূর্ণাঙ্গ বায়তুল মাল গঠন করা হয়। হযরত উমর (রা.) ওয়ালিদ ইবনে হিশামের পরামর্শে আব্দুল্লাহ বিন আল কামকে বায়তুল মালের কোষাধ্যক্ষ নিযুক্ত করেন। বায়তুল মালের সঠিক হিসাব রাখার জন্য তিনি দিওয়ান নামে পৃথক বিভাগ গঠন করে একে আয় ও ব্যয় বিভাগ নামক দুটি বিভাগে বিভক্ত করেন।

উত্তর

খলিফা উমর (রা.) সাম্রাজ্যের রাজস্ব আদায়ের জন্য বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আদলে দিউয়াল-উল-খারাজ প্রতিষ্ঠা করেন। উদ্দীপকে বাংলাদেশ সরকার রাজস্ব নির্ধারণ ও রাজস্ব আদায়ের জন্য 'জাতীয় রাজস্ব বোর্ড' গঠন করেছে। বোর্ডের প্রধানকে বলা হয় 'চেয়ারম্যান'। রাজস্ব বোর্ডের প্রধান কাজ হলো সংসদ কর্তৃক নির্ধারিত রাজস্ব আদায় করা, হিসাব সংরক্ষণ করা এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব-নিকাশসংক্রান্ত কাজ সম্পাদন করা। অনুরূপ হযরত উমর (রা.) দিওয়ান-উল-খারাজ নামে একটি মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করেন। খিলাফতের আয় বৃদ্ধি পেলে হযরত উমর (রা.) দিওয়ান-উল-খারাজ নামক একটি নতুন রাজস্ব বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন। এটি সংক্ষেপে দিওয়ান নামে পরিচিত ছিল। এর কাজ ছিল রাজ্যের রাজস্ব আদায় এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব-নিকাশ রক্ষা করা। প্রয়োজনীয় খরচ নির্বাহের পর উদ্বৃত্ত অর্থ এ বিভাগ মুসলিম জনসাধারণের মধ্যে বণ্টনের ব্যবস্থা করে। সামরিক ও বেসামরিক খাতে, রাজকর্মচারীদের বেতন এবং জনহিতকর কার্যে ব্যয় করার পর যা উদ্বৃত্ত থাকত, তা বণ্টনের জন্য এ বিভাগ একটি ভাতাভোগী তালিকা প্রণয়ন করতেন। এই ভাতাভোগী তালিকা সম্বন্ধে ঐতিহাসিক মুইর বলেন, "উমরের (রা.) প্রবর্তিত ভাতাভোগীদের বৃত্তি তালিকা সম্ভবত দুনিয়ার বুকে তুলনাবিহীন। এই তালিকা এত ব্যাপকভাবে তৈরি করা হয় যে, "প্রত্যেক গোত্রের প্রত্যেকটি ব্যক্তির নাম এতে অন্তর্ভুক্ত হলো।" খিলাফতে বসবাসকারী সকল পঙ্গু, দুর্বল, অক্ষম ব্যক্তিদের জন্য বায়তুল মাল হতে বিশেষ ভাতাদানের ব্যবস্থা ছিল।

উত্তর

খলিফা হযরত উমর (রা.) খিলাফতের রাজস্ব আদায়ের জন্য একটি সুশৃঙ্খল রাজস্বব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। হযরত উমর (রা.)-এর রাজস্বব্যবস্থাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- (ক) আয় ও (খ) ব্যয়। হযরত উমর (রা.)-এর আমলে রাজস্বের উৎস ছিল ৭টি। যথা- ১. আল গনিমত, ২. আল যাকাত, ৩. আল উশর, ৪. আল জিজিয়া, ৫. আল খারাজ, ৬. আল ফাই ও ৭. আল হিমা। যুদ্ধক্ষেত্রে যেসব শত্রুসম্পদ মুসলিম সৈনিকদের হাতে আসত, সেগুলোকে গনিমত বলা হতো। ৪/৫ ভাগ যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সৈনিকদের মাঝে এবং ১/৫ ভাগ বায়তুল মালে জমা হতো। ১/৫-কে আবার ৩ ভাগে ভাগ করা হতো। মহানবি ও তাঁর আত্মীয়স্বজনের অংশ দিয়ে সামরিক বাহিনীর সরঞ্জাম এবং অবশিষ্ট অংশ দিয়ে কুরআনের নির্দেশমতো নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের কাজে ব্যয় হতো। যাকাত একটি শরিয়ত অনুমোদিত কর। কাজেই এর নিয়মকানুন কোনো যুগেই পরিবর্তন হয়নি। হযরত উমর (রা.)-এর আমলে ঘোড়ার 'ব্যবসায় লাভজনক হওয়ায় ঘোড়ার ওপর যাকাত 'ধার্য করা হতো। যাকাত কুরআনের নির্দেশিত খাতে খরচ করা হতো। সামরিক ও বেসামরিক খাতে, রাজকর্মচারীদের বেতন এবং জনহিতকর কার্যে ব্যয় করার পর যা উদ্বৃত্ত থাকত, তা বণ্টনের জন্য এ বিভাগ একটি ভাতাভোগী তালিকা প্রণয়ন করতেন। তিনি রাজস্বের সঠিক হিসাব রাখার জন্য দিওয়ান-উল-খারাজ প্রতিষ্ঠা করেন। তাছাড়া আদায়কৃত রাজস্ব সঠিকভাবে সংরক্ষণের জন্য বাইতুল মাল গঠন করেন।
HSCIslamic History 1st paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা আরোহণের পশ্চাতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিলেন ফুয়াদ পাশা। পরবর্তীতে ফুয়াদ পাশার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা সুলতানের ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হয়ে দাড়ায়। অবশেষে তিনি কৌশলে ফুয়াদ পাশাকে হত্যা করেন।Q. উদ্দীপকে নির্দেশিত উত্ত হত্যাকাণ্ডের পশ্চাতে নিহিত ছিল-
i. ক্ষমতা লিন্সা
ii. প্রতিহিংসা
iii. প্রতিদ্বন্দ্বিতানিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা আরোহণের পশ্চাতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিলেন ফুয়াদ পাশা। পরবর্তীতে ফুয়াদ পাশার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা সুলতানের ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হয়ে দাড়ায়। অবশেষে তিনি কৌশলে ফুয়াদ পাশাকে হত্যা করেন।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত ফুয়াদ পাশার সাথে হত্যাকান্ডের শিকার কোন চরিত্রের মিল রয়েছে?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'কুব্বাতুস সাখরা' কে নির্মাণ করেন?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.উমাইয়া খিলাফতের রাজধানী কোথায় ছিল?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.আরব দেশকে 'জাজিরাতুল আরব' বলার কারণ কী?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.কত খ্রিষ্টাব্দে স্পেনে উমাইয়া খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মদিনায় হিজরত মুসলমানদের জীবনে যে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছিল তা হলো-
i. মর্যাদা প্রতিষ্ঠা
ii. উম্মাহ গঠন
iii. রাষ্ট্রগঠননিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কোন উমাইয়া খলিফাকে 'সাধুপুরুষ' বলা হয়?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.উমাইয়া শাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল-
i. সাম্রাজ্য বিস্তার
ii. জ্ঞান-বিজ্ঞানের সম্প্রসারণ
iii. স্থাপত্য শিল্পের বিকাশনিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.জুমাতুল জন্দলের সালিস বৈঠকের ফলে-
i. মুসলিম ঐক্য বিনষ্ট হয়
ii. খলিফার মর্যাদা ক্ষুণœ হয়
iii. খারিজিদের উৎপত্তি হয়নিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উদ্দীপকটি পড়ে উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি ভালো আচরণ করা হয়েছিল এবং মুক্তিপণের মাধ্যমে তাদের অনেককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।Q.বন্দিদের প্রতি উক্ত যুদ্ধের শিক্ষা হচ্ছে-
i. মানবিক আচরণ করা
ii. সহজশর্তে মুক্তি দেওয়া
iii. সারা জীবন বন্দি রাখানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি ভালো আচরণ করা হয়েছিল এবং মুক্তিপণের মাধ্যমে তাদের অনেককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনাটির ইসলামের ইতিহাসের কোন যুদ্ধের মিল আছে?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা 'কুব্বাতুস সাখরা' কে নির্মাণ করেন?উমাইয়া খিলাফতের রাজধানী কোথায় ছিল?আরব দেশকে 'জাজিরাতুল আরব' বলার কারণ কী?কত খ্রিষ্টাব্দে স্পেনে উমাইয়া খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়?মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মদিনায় হিজরত মুসলমানদের জীবনে যে ইতিবাচক পরিবর্তন কোন উমাইয়া খলিফাকে 'সাধুপুরুষ' বলা হয়?উমাইয়া শাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল-i. সাম্রাজ্য বিস্তারii. জ্ঞান-বিজ্ঞানের সম্প্জুমাতুল জন্দলের সালিস বৈঠকের ফলে-i. মুসলিম ঐক্য বিনষ্ট হয়ii. খলিফার মর্যাদা ক্ষউদ্দীপকটি পড়ে উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখ

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।