উক্ত সমস্যা মোকাবিলায় আবু বকর (রা.)-এর অবদান বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উক্ত সমস্যা তথা ভণ্ডনবীদের মোকাবিলায় হযরত আবু বকর (রা.)-এর অবদান অপরিসীম।হযরত আবু বকর (রা.) খলিফা নির্বাচিত হলে কিছু ভণ্ডনবির উদ্ভব' ঘটে। কতিপয় লোক নিজেদের নবি ঘোষণা করে, কেউ কেউ জাকাত দিতে অস্বীকার করে, আবার কিছু লোক ইসলাম ত্যাগ করে আগের ধর্মে ফিরে যায়। এমন ভয়ানক সংকটে হযরত আবু বকর (রা.) অল্প সংখ্যক সৈন্যের সাহায্যে অত্যন্ত ধীরস্থিরভাবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন এবং সিদ্ধান্তসমূহ কার্যকরের ফলশ্রুতিতে তিনি দক্ষতার সাথে ভণ্ডনবিদের পরাজিত করেন, তিনি সেনাবাহিনীকে ১১টি ভাগে বিভক্ত করেন। প্রত্যেক সেনাদলকে একজন অভিজ্ঞ সেনাপতির অধীনে ন্যস্ত করে আরবের বিভিন্ন অংশে বিদ্রোহ দমনে প্রেরণ করেন। খলিফা নিজে সামগ্রিক অভিযানের নেতৃত্বভার গ্রহণ করেন। আসওাদের বিদ্রোহ দমনের জন্য মহানবি হযরত মুহাম্মদ (সা.) মুয়াজ ইবনে জাবালকে সেনাপতি নিযুক্ত করেন। কিন্তু মহানবি (সা.)-এর ইন্তেকালের এক বা দুই দিন আগে তার আত্মীয় ফিরোজ দাইলামীর হাতে আনসি নিহত হয়। ভণ্ডনবি তোলায়হা সেনাপতি খালিদ বিন ওয়ালিদের কাছে বুঝাখারের যুদ্ধে পরাজিত হয়ে স্ত্রীসহ সিরিয়ায় পালিয়ে যায়। কিন্তু কিছু দিন পর মদিনায় এসে সে পুনরায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। ভণ্ডনবি সাজাহকে দমনের জন্য খালিদ বিন ওয়ালিদকে প্রেরণ করা হলে সাজাহ পরাজিত হয়ে ভন্ডনবি মুসায়লামার সাথে বিবাহ কন্ধনে আবদ্ধ হয়। ভন্ডনবি মুসায়লামা ছিল সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী। সাজাহকে বিবাহ করার পর ৪০ হাজার লোকের বাহিনী নিয়ে বনু হানিফ গোত্রের সহায়তায় সে ইসলামকে ধ্বংস করতে উদ্যত হয়। খলিফা আবু বকর (রা.) তাদের এই যৌথ বাহিনীকে দমনের জন্য প্রথমে ইকরামা ও সুরাহবিলকে প্রেরণ করেন। কিন্তু তারা ব্যর্থ হলে খালিদ বিন ওয়ালিদকে তাদের সাহায্যে পাঠানো হয়। ৬৩৩ খ্রিস্টাব্দে ইয়ামামার প্রান্তরে তুমুল যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে মুসায়লামার যৌথ বাহিনী পরাজিত হয় এবং ভণ্ডনবি মুসায়লামাসহ হাজার হাজার লোক নিহত হয়।
HSC Islamic History 1st paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic History 1st paper · সৃজনশীল
উক্ত সমস্যা মোকাবিলায় আবু বকর (রা.)-এর অবদান বিশ্লেষণ কর।
উদ্দীপক
বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর