উদ্দীপকের আলোকে খলিফা হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) প্রশাসনিক সংস্কারের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা কর।
উত্তর: হযরত মুয়াবিয়া (রা.) ক্ষমতা গ্রহণ করে প্রশাসনিক নানাবিধ সংস্কার সাধন করেন। তিনি ডাকবিভাগ, প্রতিষ্ঠা, সচিবালয় প্রতিষ্ঠা, গুপ্তচর প্রথা, রেজিস্ট্রি বিভাগ স্থাপন করেন। দিওয়ান আল খাতাম, দিওয়ান আল বারিদ, গুপ্তচর প্রথা ও সচিবালয় প্রতিষ্ঠা মুয়াবিয়ার শাসন সংস্কারের অংশ ছিল। মুয়াবিয়া তার শাসনামলে শাসনব্যবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন আনেন। প্রজাদের কল্যাণার্থে তিনি প্রাদেশিক শাসন চালু করেন। প্রাদেশিক শাসনব্যবস্থা শক্তিশালী ও কল্যাণমুখী করার জন্য কেন্দ্র হতে প্রাদেশিক শাসনব্যবস্থা বিকেন্দ্রীকরণ করেন। শাসনকার্য পরিচালনার সুবিধার্থে বেশকিছু সংস্কার সাধন করেন। এসব সংস্কারের অন্যতম কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক রাজধানীগুলোতে সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এসব সচিবালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে অনেকটা কেন্দ্র হতে প্রাদেশিক শাসনব্যবস্থা বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছিল। তিনি মৌলিক শাসন সংস্কারক হিসেবে ডাক বিভাগ তথা দিওয়ান উল বারিদ প্রতিষ্ঠা করেন এবং শাসনব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনয়নের জন্য রেজিস্ট্রি বিভাগ স্থাপন করেন। তিনি সকল দলিলপত্র রেজিস্ট্রি করার ব্যবস্থা করেন। তাছাড়া তিনি গুপ্তচর ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। পি. কে. হিট্টি বলেন, মুয়াবিয়ার শাসনকালে মুসলিম সাম্রাজ্য কেবল সুদৃঢ় ও সুসংহতই হয়নি। এর সম্প্রসারণও ঘটেছিল। খলিফা মুয়াবিয়া ছিলেন একজন সুদক্ষ সমরনায়ক ও রাজ্যবিজেতা। অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক বিধিপ্রবর্তনের পর তিনি খিলাফত সম্প্রসারণে মনোনিবেশ করেন। তার সুদক্ষ পরিচালনায় খিলাফত সুদৃঢ় হয়।
HSC Islamic History 1st paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic History 1st paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকের আলোকে খলিফা হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) প্রশাসনিক সংস্কারের বিভি…
উদ্দীপক
Dhaka · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর